মানব সভ্যতার কলঙ্ক চিহ্ন ‘বৃদ্ধাশ্রম’

রবিবার , ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৫:১৫ পূর্বাহ্ণ
38

ব্যর্থ অযোগ্য সন্তানদের অভিশপ্ত সভ্যতার কলঙ্ক চিহ্ন ‘বৃদ্ধাশ্রম’। বৃদ্ধরা একটি পরিবারের হতে পারেন অফুরন্ত আনন্দ ও প্রেরণার উৎস। শুধু দরকার আন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের শিশু সন্তান যেমন পরিবারের আনন্দ ও উৎসবের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়, ঠিক তেমনি শেষ বয়সে বাবা-মায়েরা বুড়ো শিশু হিসেবে তাই হতে পারেন- যদি আমরা তাদের প্রকৃতপক্ষে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখি।
বাবা মা আমাদের শিশু বয়সে আমার ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে, আদর করে, চুমু খেয়েছেন, সেই বুড়ো শিশুকে আমি কেন তার একাংশ আদরও দিতে পারি না? ওনারা কী চান? অর্থ সম্পদ নয়, ওনারা চান অকৃত্রিম সাহচর্য্য, আদর, শ্রদ্ধা ভক্তি ও ভালোবাসা।
অবসর সময়ে পরিবারের সকল সদস্য যদি পালাক্রমে এই বুড়ো-বুড়িদের একটু আন্তরিক আদর, ভালোবাসা দিতে কার্পণ্য করেন তবে তাদের কী প্রকৃত সন্তান বা উত্তরাধিকারী বলা যায়? এই ধরনের মানসিকতা এবং সে অনুযায়ী আচরণের অভাব কী কোন সুসভ্য, মার্জিত, শিক্ষিত পরিবারের থাকা উচিত? তবুও কেন তা হচ্ছে? উত্তরটা খুব জটিল নয়। শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা বলতে পারবে। মা-বাবা কী বেশি ভারী? বেশি খায়?

– রাজীব হোড়, যুধিষ্ঠির মহাজন বাড়ি, দক্ষিণ কাট্টলী, চট্টগ্রাম।

x