মহীবুল আজিজের গবেষণা

ইলু ইলিয়াস

শুক্রবার , ১৯ এপ্রিল, ২০১৯ at ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ
26

সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অনিবার্য উচ্চার্য এক সাহিত্য ব্যক্তিত্ব মহীবুল আজিজ। কবিতা, কথাসাহিত্য ও গবেষণার ত্রি-ধারায় তিন দশকেরও অধিকাল ব্যাপী বিস্ময়কর সমতায় ও পারদর্শিতায় মহীবুল আজিজ গড়ে তোলেন তাঁর তাৎপর্যময় সৃজনভুবন।
মহীবুল আজিজের সাহিত্য অভিযাত্রা ঘটে বিশ শতকের আশির দশকে দুঃসহ সামরিক স্বৈরশাসনের প্রচ্ছায়ায় সংগ্রাম-উজ্জ্বল মানবিক চেতনার বর্ণিল উদ্ভাসনে এবং আশির দশকে শেষ প্রান্তে ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয় প্রথমে গল্পগ্রন্থ ‘গ্রাম উন্নয়ন কমপ্লেক্স ও নবিতুনের ভাগ্যচাঁদ’ অনতিপরে গবেষণাগ্রন্থ ‘হাসান আজিজুল হক: রাঢ় বঙ্গের উত্তরাধিকার’ অতঃপর ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে কাব্যগ্রন্থ ‘সান্তিয়াগোর মাছ।’ এভাবে সৃজনবিশ্বে সমভাবে সচল থাকেন কথাকার, কবি ও গবেষক মহীবুল আজিজ। বর্তমানে তাঁর গ্রন্থ-সংখ্যা ত্রিশ এবং সূচনার মতো আজ অবধিও তাঁর সৃজনবিশ্বে সমুন্নত রয়ে যায় কবিতা, কথাসাহিত্য ও গবেষণার সম অবস্থান। কাজেই সৃজনশীলতার একক কোন অভিধায় অন্তরিত নন, তিনি বিস্তৃত হয়ে যান তাৎপর্যপূর্ণ বহুমাত্রিকতায়। তবে কেন জানি কথাকার ও কবি মহীবুল আজিজের চেয়ে গবেষক মহীবুল আজিজ থেকে যায় অপেক্ষাকৃত অনালোচিত কিংবা পরিচয়ের আড়ালে। অথচ আমার বিবেচনায় মহীবুল আজিজের সাহিত্যিক অবদান সর্বাধিক পরিকীর্ণ এই গবেষণায়।
মহীবুল আজিজের গবেষণা কর্ম এ যাবৎ পল্লবিত হয়েছে নয়টি গ্রন্থে―গ্রন্থ সমূহের ধারা ক্রমিক তালিকা এ রকম- ১. হাসান আজিজুল হক : রাঢ় বঙ্গের উত্তরাধিকার (১৯৮৮) ২. কথাসাহিত্য ও অন্যান্য (১৯৯৯) ৩. বাংলাদেশের উপন্যাসে গ্রামীণ নিম্নবর্গ (২০০২) ৪. সৃজনশীলতার সংকট ও অন্যান্য বিবেচনা (২০০৩) ৫. সাহিত্যের পরিপ্রেক্ষিত (২০০৩) ৬. ঔপনিবেশিক যুগের শিক্ষা-সাহিত্য (২০০৭) ৭. অস্তিত্বের সমস্যা এবং লেখালেখি (২০০৯) ৮. সাহিত্য : ইলিয়াস ও অন্যান্য (২০১০) ৯. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও অন্যান্য (২০১৩) এ নয়টি গ্রন্থের মধ্যে প্রথম ও তৃতীয়টি অর্থাৎ ‘হাসান আজিজুল হক: রাঢ় বঙ্গের উত্তরাধিকার’ (১৯৮৮) ও ‘বাংলাদেশের উপন্যাসে গ্রামীণ নিম্নবর্গ” (২০০২) পরীক্ষা পাস ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিধন্য গবেষণা একটি এম.এ গবেষণা পত্র, অন্যটি পি-এইচ.ডি অভিসন্দর্ভ; অন্য সাতটি স্বতোৎসারিত স্বাধীন ভাষ্য।
মহীবুল আজিজের গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয় বাংলাদেশ―১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে সমকাল―সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সরদার জয়েন উদ্‌দীন, শহীদুল্লাহ কায়সার, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, আবু ইসহাক, শামসুর রাহমান, মাহবুব-উল-আলম, শওকত ওসমান, শওকত আলী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আবদুল হক চৌধুরী, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক, আনিসুজ্জামান, রশীদ-আল ফারুকী, কায়েস আহমদ, আহমদ ছফা, হাসান আজিজুল হক, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, চৌধুরী জহুরুল হক, মঞ্জু সরকার, মামুন হুসাইন প্রমুখ সাহিত্যিকের আত্মপরিচয় ঋদ্ধ জাতীয় চেতনা উৎসারি সৃজন সম্ভার―যাতে গবেষক মহীবুল আজিজ তাঁর অন্তর চৈতন্যের আলোক প্রক্ষেপণে গভীর নিষ্ঠা, ঐকান্তিক মমতা ও নিজস্ব নান্দনিক সৌকর্যে নির্মাণ করে নেন বাঙালি ও বাংলাদেশের সংগ্রাম-উজ্জ্বল অস্তিত্ব ও শৈল্পিক অবয়ব, শিল্পী শাহাবুদ্দীনের রঙ তুলির স্পর্শের মতো তা কলমের খোঁচায় তুলে ধরেন আত্মপরিচয়ের আকুতি, নিদ্বর্ন্দ্ব আত্মপরিচয়ের সমুজ্জল স্মারক বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন ভাষাশ্রয়ী জাতীয়তাবাদের স্ফূরণ, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন হয়ে বাঙালির স্বাধীনতার সনদ ছেষট্টির ছয় দফা উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ অতঃপর স্বাধীনতার অত্যাল্প সময়ের ব্যবধানে জাতিক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ড সামরিক ও পরাজিত মৌলবাদী অপশক্তির রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল এবং সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনতার দুর্নিবার আন্দোলন ও বাঙালির সামবায়িক শক্তির নবতর উত্থান―এক অনতিক্রম্য নান্দনিক বাংলাদেশ।
এখানে তাঁর গবেষণা থেকে কয়েকটি প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি তুলে ধরা যাক―
‘কাব্যের উত্তরাধিকার হিসেবে শামসুর রাহমানের ছিল রবীন্দ্রনাথের অত্যুচ্চ জীবন ভাবনা নজরুলের শৌর্যবীর্য জীবনান্দ দাশের তীব্র সংবেদনা প্রভৃতি। এছাড়াও লব্ধ হয় পঞ্চপাণ্ডবের সৌজন্যে কাব্যভাষার স্মার্টনেস। কিন্তু রাহমানের কাব্যিক অভিযাত্রা’র থাকে ভিন্ন তাৎপর্য। তাঁর কাব্যচর্চার প্রারম্ভিক বিন্দু এবং নতুন স্বাধীনতা পাওয়া বাঙালির আরও এক কঠিন জীবনসংগ্রামের সূচনাবিন্দুর মধ্যে বিরাজ করে এক আশ্চর্য সন্নিহিতি’(শামসুর রাহমান : শোকার্ত পাঠকের চোখ ‘অস্তিত্বের সমস্যা এবং লেখালেখি)
‘১৯৪৭এর পর-পর পূর্ব বঙ্গকে কেন্দ্র করে যে নয়া পকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসনের সূত্রপাত ঘটে তার বিরুদ্ধে সৃজনশীল প্রতিবাদে নামেন আমাদের সাহিত্যিকেরা। সে সময় পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের বা নতুন দেশের মহিমা কীর্তনের পরিবর্তে আমাদের ঔপন্যাসিকেরা তাঁদের রচনায় উন্মোচন করেন অন্য এক অন্তর্বাস্তব। …সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসের শেষ দৃশ্যে যুবক শিক্ষক থানা-পুলিশ আইন প্রভৃতি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সামনে অসহায় শক্তিহীন দাঁড়িয়ে একটা মানবিক বিপর্যয়ের দৃশ্যই অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছিল। বাংলাদেশের সাহিত্যের সূচনালগ্নে এ দেশের কথাসাহিত্যে বাঙালি জাতিসত্তার গুমরানো প্রাথমিক অবস্থার অভিব্যক্তি ধরা পড়েছিল। আশ্চর্য নয় যে তার পর-পরই তাঁদের বিষয় হিসেবে উঠে আসবে দেশ, জাতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ইত্যাদির এক বিপুলায়তন। তারপরের ইতিহাস তো যুদ্ধ সংগ্রাম, আর রক্তপাতের ইতিহাস’ (‘সম্ভাবনার কথাসাহিত্য’ ‘সাহিত্য : ইলিয়াস ও অন্যান্য নক্ষত্র, পৃ. ২৮)
‘যুদ্ধের ইতিহাস এবং যুদ্ধের সাহিত্য দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসকে যদি বলি সময়ের ফ্রেম তবে সাহিত্যকে বাস্তবতা। সারা পৃথিবীকে পরিপ্রেক্ষিত হিসেবে ধরলে দেখা যাবে বিশ্বসাহিত্যের একটা খুব বৃহৎ অংশ জুড়ে রয়েছে যুদ্ধের সাহিত্য। নানা প্রকারের সেসব যুদ্ধ, নানা কারণেও বটে কিন্তু সবই মানববিরোধী, সভ্যতাবিরোধী। যুদ্ধের সাহিত্য যদি যুদ্ধ থামাতে না-ও পারে, যুদ্ধের গতিকে বাধা দিতে একটুও কার্যকরী না হয়, তবু এ সাহিত্য মুক্তির সাহিত্য। …বিগত তিন দশাধিক কালের বিস্তৃতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধনির্ভর সাহিত্যের সঞ্চয় বড় কম নয়। …আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্য বরাবর বৃহত্তর জনজীবনকে বিনির্মাণ করেছে। ফলে ব্যক্তি সেখানে বড় হয়ে ওঠেনি। দেশ, জাতি, জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত অবয়বে স্ফূরিত হয়েছে বিশাল জীবনের তরঙ্গ। যদি কেউ বলেন, এসব তো কল্পনানির্ভর, তার উত্তরে বলা যাবে, কল্পনানির্ভর তবে বাস্তবনির্ভর সে কল্পনা। এই বাস্তবতা বিকৃতিমুক্ত। তাই প্রবীণ শওকত ওসমানের ‘দুই সৈনিক’ কিংবা মধ্যবয়সী শওকত আলীর ‘যাত্রা’ যুবক মঈনুল আহসান সাবেরের ‘কবেজ লেঠেল’ বা কৈশোরোত্তীর্ণ শহীদুল জহিরের ‘জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা’ একই যুদ্ধনির্ভর অথচ সমধর্মী উপলব্ধির ঐক্যসূত্রে গ্রথিত। এই ঐক্যসূত্রই বাংলাদেশের যুদ্ধসাহিত্যের পরম সম্পদ। হয়তো যে কিশোরটি এখনই স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে গল্প লেখার তার চেতনায়ও তার না-দেখা মুক্তিযুদ্ধ হয়ে উঠবে তার পূর্বসূরীদের বহমানতার অপূর্ব উত্তরাধিকার’ (‘যুদ্ধ এবং মুক্তির সাহিত্য: ইলিয়াস ও অন্যান্য নক্ষত্র’ পৃ. ১২-১৩)।
কাজেই এরই অনুষঙ্গরূপে তাঁর অনুসন্ধেয় বিষয় হয়ে ওঠে বাঙালি অস্তিত্বের শেকড়ের নৃতাত্তিক প্রাচীনতা ও সাংস্কৃতিক চলিষ্ণুতা, রচিত হয়―‘চর্যাপদ : বাঙালির নৃতাত্তিক পটভূমি,’ ‘সৃজনশীলতার সংকট ও অন্যান্য বিবেচনা।’ মহীবুল আজিজের ‘চর্যাপদ : বাঙালির নৃতাত্তিক পটভূমি’ সন্দর্ভ পাঠে আমার মন ভরে যায় অপার আনন্দে। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত আমার ‘ভাষাবিজ্ঞানের কয়েকটি দিক ও বাংলা ভাষার ইতিহাস প্রসঙ্গে একটি নতুন প্রস্তাবশীর্ষক’ সন্দর্ভে খ্যাতিমান পণ্ডিতদের প্রচল সিদ্ধান্তকে অতিক্রম করে বলেছিলাম―
‘… যে কোন জাতির সাহিত্যভাষা সে জাতির- অন্তত জাতির অগ্রসর অংশের মানভাষা। আর পৃথিবীর কোন ভাষাই জন্মলগ্নেই মানভাষা হয়ে ওঠে না; মানভাষা হয়ে ওঠার সুদীর্ঘ ইতিহাস থাকে। বর্তমানে আমাদের সাহিত্যভাষা যে মানে উন্নীত হয়েছে তা ‘চর্যাপদ’ থেকে সুদীর্ঘ সহস্রাধিক বছরের বিবর্তনের ফল। সেই সূত্রে বলতে পারি, বাংলাভাষা তার জন্মলগ্ন থেকে যে সুদীর্ঘকালের বিবর্তন প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে ‘চর্যাপদ’-এর মানভাষায় তথা উন্নত সাহিত্যভাষায় উন্নীত হয়েছে তা হাজার বছর এমনকি তারও অধিক হওয়া অবান্তর নয়। কাজেই ‘চর্যাপদ’-এর ভাষা এ যাবৎ প্রাপ্ত বাংলাভাষার লেখ্যরূপের প্রাচীনতম নিদর্শন মাত্র, বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন বা জন্ম-ইতিহাস নয়; বাংলা ভাষার জন্ম-ইতিহাস। তার উৎস আরও অতীতে…’। (ভাষাবিজ্ঞানের কয়েকটি দিক ও বাংলা ভাষার ইতিহাস প্রসঙ্গে একটি নতুন প্রস্তাব/ইলু ইলিয়াস, পৃ. ৪৯-৫০)।
আমার এ ভাষ্য উপস্থাপনের প্রায় অর্ধযুগ পরে ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে উপস্থাপন অভিপ্রায়ে ড. মহীবুল আজিজ রচিত ‘চর্যাপদ : বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পটভূমি’ শীর্ষক সন্দর্ভে লক্ষ করি সেই ভাষ্যের অনিবার্য প্রবহমানতা―
‘বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যিক নিদর্শন হলেও চর্যাপদ কোন আকস্মিকতার ফল নয়। নৃতাত্ত্বিকভাবে বলা যায়, বাঙালির জাতিতাত্ত্বিক বিবর্তনের কলস্বর এতে অনুসৃত হয়েছে। চর্যার ভাষা-ভঙ্গি-উপাদান বিশ্লেষণে বোঝা যায় বাঙালির হাজার বছরের জীবন প্রবাহের অনুবৃত্তি চর্যাপদ’। (‘চর্যাপদ : বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পটভূমি’/অস্তিত্বের সমস্যা ও লেখালেখি, পৃ. ১৮)।
কিন্তু পরে বাঙালি অস্তিত্বের শেকড় সন্ধানে তিনি প্রবেশ করতে থাকেন আরও দূর-অতীতে-
‘…দেড় হাজার বছর আগেকার সংস্কৃত তথা আর্য ভাষার অনেককাল আগে থেকেই অনার্য ভাষা এতদঞ্চলে সুবিস্তৃত ছিল। …এটি অস্বাভাবিক নয় যে, যে সব খাঁটি বাংলা বা দেশী ভাষার মূল শনাক্ত করা সম্ভব নয় (মানে সংস্কৃত বা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার চুম্বুক ঠেকিয়ে) সেগুলোর বেশির ভাগই ট-ঠ-ড-ঢ যুক্ত। কাজেই ঢেঁকি আর্য নিয়মে পাওয়া যাবে না। একে পাওয়া যাবে আরও প্রাচীন সিন্ধুতে বা তারও আগে’ (‘বাঙালির নববর্ষ ও পূর্বসূত্র’ ‘সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ ও অন্যান্য প্রবন্ধ’ পৃ. ১২)।
এভাবে মহীবুল আজিজ যেন তাঁর গবেষণায় ধারণ করতে চান বাঙালির সামগ্রিকতা, উপস্থাপন করতে চান অজেয় নান্দকিতা, অভিব্যঞ্জিত করতে চান অনাগত উজ্জ্বল ভবিষ্যতও (দ্র.‘সৃজনশীলতার সংকট ও অন্যান্য বিবেচনা ২০১৩’)। কাজেই এই পরিপ্রেক্ষিতে মহীবুল আজিজের গবেষণা কর্ম হয়ে ওঠে বাঙালির আত্মপরিচয়, জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা-সংগ্রাম ও স্বপ্নচৈতন্যের নান্দনিক নির্মিতি―যার সচলতা অনিঃশেষ, তাৎপর্য অপরিসীম।

x