ভ্রূণের মায়া

শেখর দেব

শনিবার , ১৪ এপ্রিল, ২০১৮ at ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ
60

নিশ্চুপ রাতে অজানা ফুলের সুবাসে খুলে যায় দেহের ফণা। প্ররোচনার আলোয় জাগে রক্তচক্ষুু মায়া। আলো থেকে খসে পড়ে একএকটি জীবনের ভ্রূণ। ভ্রূণের বাগানে গুনে গুনে জমা রাখি মরণ ফুলের পাপড়ি। অথচ ফুল ছিঁড়তে গেলে কেঁপে উঠে হৃদয়। কম্পমান হৃদয়ের আবেশে কাঁপে দেহের রেণু। বোশেখী ঝড়ের সাথে বহে যাই আর কম্পমান ভূগোল থেকে কুড়িয়ে রাখি অনুভূতিমালা।

অবশেষে অনুভূতি উদ্বায়ী স্বভাবে উবে যায় চারপাশ। হাত ছুঁড়ে এপাশওপাশ ধরতে চাই কিছু তার হাওয়া। শুকাতে থাকে ফুল, ভ্রূণ হতে জাগে না নতুন দেহ। তবুও ফণা মেলে থাকি জীবনের খোঁজে। ছোবল নয়, শুধু অপেক্ষায় থাকি রক্তচক্ষুু কখন হবে নীল। নীল চোখের দিকে তাকিয়ে গুটিয়ে নিবো ভ্রূণের বেদনা।

বৈশাখের প্রার্থনা

নাজিমুদ্দীন শ্যামল

তবুও আমরা বৈশাখের প্রার্থনা করি!

চৈত্র শেষে সংক্রান্তিতে ঝড় আসে,

গরুগোলা, ঘরবাড়ি সবকিছু হাওয়ায়

উড়ে যায়। জলে ধুয়ে যায় ফেলে আসা

মলিনতা। গ্লানির রাত্রি শেষে গ্রীষ্মের সূর্য

বলে ওঠে বারতা। অতঃপর প্রার্থনা আমাদের,

মৌনতা আর বৈশাখের।

হে সূর্য শেখর বৈশাখ আমার

আগুনে পুড়ে দাও সকল পাপ,

মিথ্যা আর দাসত্বের যাবতীয় শাপ!

হে ঝড়, হাওয়াতাণ্ডব বৈশাখ আমার

জলে ভাসিয়ে নাও সকল ব্যর্থতা

হাওয়ায় উড়িয়ে নাও সব পরাজয় অপারগতা!

অদৃশ্য তারা জ্বলে আছে আশাদের।

মৌন এই প্রার্থনা আমাদের।

কেবল অপেক্ষা শুধু বৈশাখের!

x