বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের উন্নয়ন সহযোগী, প্রতিযোগী নয়

রিজোয়ান রাজন

শনিবার , ২৮ জুলাই, ২০১৮ at ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
162

সন্ত্রাস ও সেশনজট কমানো আর বিদেশমুখী প্রবণতা রোধের স্বপ্ন নিয়ে ১৯৯২ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল শিক্ষার নতুন একধারা যার নাম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় শত সমালোচনা ও বিতর্ককে কাটিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখন শত ছাড়িয়ে। বর্তমানে সারা দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাঁচ লক্ষেরও বেশি যা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চেয়েও দেড় লক্ষাধিক বেশী। সুতরাং এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা সামাজিক, রাষ্ট্রিক এবং আন্তর্জাতিকভাবেও অবদান রেখে যাচ্ছে। এটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের খুব সাধারণ একটা দিক। কর্মজীবীদেরও একটা বিশাল অংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করে কর্মস্থলে অবদান রাখছে। শিক্ষার সহজ সুযোগ ও জীবন ব্যবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ শিক্ষা কার্যক্রম থাকার কারণে উচ্চ শিক্ষায় আগ্রহীরা এই সুযোগ নিতে পারছে। ইতোমধ্যে এই নীতি অনুসরণ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও সান্ধ্যকালীন ও উইকেন্ড শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে শিক্ষার পথকে সুগম করেছে। ফলে সার্বিকভাবে শিক্ষার প্রসার ঘটেছে। যা একটি দেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখছে এবং একই সাথে মানবিক সমাজ গঠনেও ভূমিকা রাখছে। একটি দেশের জন্য সুশৃঙ্খল ও শিক্ষিত জাতি আশীর্বাদ স্বরূপ। এই কাজটি নীরবে নিভৃতে করার সাথে আরো একটি উল্লেখযোগ্য কর্ম সম্পাদন করে যাচ্ছে এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। মধ্যম আয়ের দেশে উন্নয়নশীল দেশে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় চল্লিশ হাজার দক্ষঅদক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী থেকে শুরু করে ভিসি পদ পর্যন্ত সৃষ্ট পদে দেশের নাগরিকদের যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান করা হয়। দলীয় রাজনীতির সাইনবোর্ড এখানে অচল। স্কলার শিক্ষার্থীরা যারা দলীয় পরিচয়হীনতার কারণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অযোগ্য বিবেচিত হয় সেখানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অত্যন্ত সম্মানের সাথে তাদের গবেষণার সুযোগসহ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে চলেছে। এই চল্লিশ হাজার জনবলের সাথে পরোক্ষভাবে দুইআড়াই লক্ষ মানুষের সুখদুঃখ জড়িত। মোট জনসংখ্যার ০.১৬ শতাংশ জনগণের ভাত কাপড়ের নিশ্চয়তা যে প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চিত করেছে সেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যাপারে সরকারের মনোভাবটা কি? আমার চেনাজানা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলি। বিশ্ববিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমতি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির কোন দ্বন্দ্ব আজ পর্যন্ত শোনা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টিরা এই শহরের অভিজাত এবং ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য। সম্মানিত এই ট্রাস্টিরা চট্টগ্রামেই বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাও তাদের একটি মহৎ কর্ম বলে বিবেচিত। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ভাঙ্গিয়ে কে বা কারা মালিকানা দাবী করলে ইউজিসি তাদের পক্ষে তৎপর হয়ে ওঠে। অথচ এই অবৈধ মালিকানা দাবিদার কয়েকজন সনদ জালিয়াতের দায়ে দণ্ডিত হয়ে বিগত সময়ে জেলবাস করেন তিন মাস। বিষয়টি ইউজিসির নজরে আনলেও তাদের ব্যাপারে সরাসরি ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই প্রতিষ্ঠানটি দোদুল্যমান। সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর নিয়ন্ত্রণাধীন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সরাসরি পাবলিকপ্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অভিভাবক। তাদের সুচিন্তিত পরামর্শ ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয়। যেখানে অনিয়মই আইন আর দলীয় পরিচয় প্রধান বিবেচ্য সেখানে কাজ করা আর বিপদ সংকুল বনের মধ্যে একাকী হাঁটা অনেকটা একই রকম। শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের কাজের মধ্যে দিয়েই ইতোমধ্যে নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পিএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষার মতো সিদ্ধান্তই বলে দেয় শিক্ষা নিয়ে তাদের উর্বর চিন্তা ভাবনা। শিশুর মানসিক বিকাশের সাথে পরীক্ষা নামের এই ভুত কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ তা উন্নত বিশ্বের শিক্ষা কার্যক্রম অনুসরণ করলেই বোঝা যায়। সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ড. জাফর ইকবাল স্যার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিভিন্ন সময়ে বক্তৃতা, বিবৃতি এবং বিভিন্ন পত্রিকায় লিখেছেন। সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট জিপিএ৫ নিয়েও আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী হয়েছে। আজকাল টাকার বিনিময়ে এই রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে। আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতেই এই বিষয়ে একটি সচিত্র প্রতিবেদন দেখেছিলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এছাড়া দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের চাকুরীর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস তো এখন হরহামেশা ব্যাপার। যে মন্ত্রণালয় তার নিয়মিত কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারছেনা, শপথ নিয়ে যারা দায়িত্বের মর্যাদা রক্ষায় অক্ষম তাদের কাছ থেকে জাতি কি আশা করতে পারে? এবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কথায় আসি। এই প্রতিষ্ঠানটি অনেকটা ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার। পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন তো দূরের কথা ব্যক্তি বিশেষের মনগড়া কথায় চলে এই প্রতিষ্ঠানটির কাজ কর্ম। হাজার প্রমাণেও গলেনা প্রতিষ্ঠানটির কর্তা ব্যক্তিদের মন। ইউজিসি প্রধানতম কাজ হলো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস প্রণয়নে সহায়তা প্রদান, নিয়োগ প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষারমান নিয়ন্ত্রণে নিবিড় পর্যবেক্ষণের সাথে পরামর্শ দেওয়া। দুঃখজনক হলেও সত্য হল এই কাজে প্রতিষ্ঠানটি উৎসাহ বোধ করে না। বিশ্ববিদ্যালয় একটি চলমান প্রক্রিয়া। নানা চড়াই উৎরাই এর মধ্যে দিয়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। এই এগিয়ে যাওয়ায় সহযোগিতার হাত না বাড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের একার বিপর্যয় হয় না সেই সাথে সংশ্লিষ্ট সকলেই নানামুখী সংকটের মুখে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয় হবে মুক্তবুদ্ধি চর্চার এক উন্মুক্ত ক্ষেত্র। জ্ঞান অর্জন, জ্ঞান সংরক্ষণ, গবেষণা সহ সাংস্কৃতিক ও মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষ তৈরির জন্য শিক্ষার প্রকৃত পরিবেশ নিশ্চিত করাই হল বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল শর্ত। আর এ পরিবেশ নিশ্চিত হতে পারে ছাত্রশিক্ষক সম্পর্ক, অরাজনৈতিক ও কোলাহলমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে। বাংলাদেশের প্রায় সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই উপরোক্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হাতে গোনা দুইএকটি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্কোন্দলে যুক্ত থাকলেও তা দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় সমাধা হতে পারে। অথচ এই অজুহাতে ইউজিসি বিভিন্ন শর্তারোপসহ কখনো কখনো নিষেধাজ্ঞার মতো কঠিন বিধান দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চলমান শিক্ষার অগ্রসরতাকে শুধু ব্যাহতই করে না একই সাথে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনও হুমকির মুখে ফেলে দেয়। অথচ বিপরীত চিত্র হলো দেশের প্রথম সারির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিদিনই দেশের কোন না দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে ছাত্রশিক্ষক সম্পর্কের অবনতি, বিপরীত মতাদর্শের কারণে হামলা, প্রশ্ন ফাঁস, ভিসির বাসভবন ভাঙচুর, ক্যাম্পাসে হামলা, ছাত্রশিক্ষক অনৈতিক সম্পর্কসহ ছাত্র ধর্মঘটের মত বিবিধ কারণে। শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হওয়া সহ সেখানে জীবনের নিরাপত্তা চরমভাবে নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন অথচ ইউজিসির প্রতিবেদনে এই বিষয়গুলো কখনো ওঠে আসেনা কিংবা ছাত্র ভর্তির মত নিষেধাজ্ঞা জারি হয় না। ইউজিসি ব্যস্ত থাকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাস কেন দুটির স্থলে তিনটি হলো কিংবা খেলার মাঠ নাই কেন, ভাড়া বাসায় কেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছেইত্যাদি ইত্যাদি। যে সমস্যাগুলোকে ইস্যু করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বলীর পাঠা বানানো হচ্ছে তার চেয়েও ভয়ঙ্কর এবং মানুষ খুনের মত ঘটনাগুলোকে বিবেচনায় নিলে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়তো বন্ধ হয়ে যাবার কথা। বাংলাদেশের মত রাজনৈতিক মনোভাবাপন্ন দেশে এই বিষয়গুলো সহনীয় কিংবা এগুলোকে বিবেচনায় নিয়েই এখানকার জীবন ব্যবস্থা চলমান। এখানকার শিক্ষার্থীরাও এই পরিবেশের মধ্যেই কাঙ্খিত লক্ষ্যের পানে ধাবমান থাকে। জনবহুল বাংলাদেশে হাজারো সমস্যা। সমস্যা সংকুল বাংলাদেশে সম্ভাবনাও প্রচুর। পোশাক শিল্পের অগ্রগতি বিস্ময়কর। বিশ্বের দশটি উল্লেখযোগ্য পোষাক কারখানার সাতটিই বাংলাদেশের। মিঠা পানির মাছ উৎপাদন, আলু উৎপাদন, ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে এক থেকে পাঁচের মধ্যে। শিক্ষা ক্ষেত্রেও যদি পর্যাপ্ত সহযোগিতা এবং সরকারের একরোখা নীতির অবসান হয় তাহলে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও তুলনীয় পর্যায়ে উন্নীত হবে। ইতোমধ্যে অনেকগুলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় মানের বিচারে আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পেয়েছে। অচিরেই এই তালিকা আরো বিস্তৃত হবে নি:সন্দেহে। বাংলাদেশের মতো একটি জনবহুল দেশে সীমিত সম্পদের সীমাবদ্ধতায় সর্বোচ্চ ব্যবহার যেখানে অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত সেখানে চট্টগ্রাম শহরের মত দু হাজার বছরের প্রাচীন জনপদে ১ একর জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন কতটা যৌক্তিক তা একবার নয় শতবার ভাবা উচিত। একই কথা বড় শহরগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পাশে বড় না হয়ে উপরের দিকে বড় হয়েও বিশালতাকে ধারণ করা যায়। ব্যাংকক শহরে একটি মার্কেটই আছে পানির উপরে। ডিঙ্গি নৌকা ভাড়া করে শপিং করতে হয়। শত বছরের ঐতিহ্য নিয়ে সেই মার্কেটটি এখনো টিকে আছে। আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা বিস্তারের জন্য সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করে শিক্ষার পথকে সুগম করার পথেই সকলের একযোগে কাজ করা উচিত। বর্তমানে ইউজিসির চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রগতিশীল শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল মান্নান স্যারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, তথা শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তরের তিনিও একজন অগ্রসৈনিক। চট্টগ্রামের সম্ভাবনার কথা নতুন করে কিছু বলার নাই। যেখানে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের সামগ্রিক উন্নয়নের ব্যাপারে আন্তরিক তখন স্বাভাবিক ভাবেই আমরা আশান্বিত হই আপনার মত একজন নির্ভীক, সৎ মানুষ যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসীন থাকেন। মান্নান স্যারের কাছে দাবী নিয়ে বলতে চাই সমান সুযোগ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে সমস্ত অশুভকে পাশ কাটিয়ে চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধকতা দূর করে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করবেন যাতে চট্টগ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেশের মুখ উজ্জ্বল করার সাথে সাথে বিশ্ববাজারেও চাহিদা সৃষ্টি করতে পারে।

x