বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় জগতে এক নতুন দিগন্ত

ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চিটাগাং (ইউসিটিসি)

মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম

শনিবার , ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ at ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ
394

প্রায় ১৬ কোটির অধিক জনসংখ্যার এ দেশে নিরক্ষতা দূরীকরণ, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, কারিগরী ও কর্মমুখী শিক্ষার অগ্রগতির মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নেয়া বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক পদক্ষেপ যেমন, সবার জন্য শিক্ষা কর্মসূচি, স্বাক্ষরতা অভিযান, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ আজ বাংলাদেশকে শিক্ষাক্ষেত্রে এক বিশেষ সফলতা এনে দিয়েছে। কিন্তু বিশ্বায়নের এ যুগে তথ্যপ্রযুক্তির আকাশচুম্বী সফলতা, বিজ্ঞান, গবেষণা, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, যোগাযোগ, ব্যবসা বাণিজ্যের আন্তর্জাতিক প্রচার ও প্রসার সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও উচ্চ শিক্ষার মান উন্নয়নে যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অসংখ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত সফলতার সাথে অবদান রেখে আসছে। দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উৎপাদন শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিজ্ঞান ও গবেষণা চর্চামূলক প্রতিষ্ঠানে দক্ষ জনবলের চাহিদা পূরণের লক্ষে দেশের সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি প্রায় সবকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য এবং বাংলাদেশে প্রায় শ’খানেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বহু বছর ধরে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তাদের উচ্চ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমরা জানি বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। এখানে প্রচুর পরিমাণ সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষা অর্জনে প্রত্যাশী। সেক্ষেত্রে সরকারি যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রয়েছে তাতে এই বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রীর পক্ষে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের প্রয়োজন মেটানো খুব বেশি সহজ নয়। পর্যাপ্ত সিট ক্যাপাসিটি এখনো অপ্রতুল। তাই আমরা মনে করি, উচ্চ শিক্ষা প্রদানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। পূর্বের ন্যায় এখনো আমাদের দেশের বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রী বিদেশ যাচ্ছে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য অথবা উন্নত জীবন ও জীবিকার তাগিদে। হয়ত দেশে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধাবোধ করছে না বলেই এটা হয়ে আসছে। আমাদের দেশে বহু শিক্ষার্থী রয়েছে যারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবি, কৃষিবিদ অথবা বিভিন্ন পেশাজীবী হতে পারত, তাদের যথেষ্ট মেধাও রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তারা পড়ালেখা করতে পারেনি এবং প্রত্যাশিত ক্যারিয়ার গড়তে পারেনি। আবার যারা উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিদেশ যাচ্ছে তাদের যদি দেশে রেখে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি, তাতে দেশের অনেকাংশে মঙ্গল বয়ে আনবে। কারণ পিতা-মাতা তাদের সন্তানকে বিদেশে যে পরিমাণ টাকা দিয়ে পড়াবেন তার চেয়ে অনেক কম খরচে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করাতে পারবেন। সেই প্রেক্ষাপটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ দিয়ে সরকার এদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের অবাধ সুযোগ করে দিয়েছেন। তবে এক্ষেত্রে সরকারকে প্রত্যেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম নজরদারিতে আনতে হবে। যেন তারা আইন মেনেই শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে বাধ্য হন। সাধারণত বসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেসরকারি উদ্যেগে বা পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়। তাই নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। তবু আমরা মনে করি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করছে বলেই এখান থেকে ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিতে পারছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবশ্যই সরকারি এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়ম-নীতি মেনে পরিচালিত হয়ে আসছে। কাজেই সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈষম্যের কোন অবকাশ নেই এবং থাকাও উচিত নয় বলে মনে করি। বাংলাদেশে বিদ্যমান বাস্তবতায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সংখ্যার তুলনায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আসন সংখ্যা অপ্রতুল। যদি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় না থাকত তবে প্রচুর উচ্চ মাধ্যমিক পাসকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হত। সুতরাং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চ শিক্ষা প্রসারে কৃতিত্বের দাবিদার। সহজ শর্তে যদি সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঋণ দেয়, তাহলে দেশে থাকা প্রায় শত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্থায়ী ভবন নির্মাণ করতে পারত উন্নতমানের রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা, দেশে ও দেশের বাইরের ভাল শিক্ষক নিয়োগ করা যেত। তাহলে দেশের জনশক্তিকে উন্নত মানবসম্পদে পরিণত করা সহজ হত এবং বাইরের বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা নিতে ও গবেষণা করতে এদেশে আসত। কোনো দেশের উচ্চ শিক্ষার সংখ্যা নির্ভর করছে সে দেশে জনশক্তি চাহিদার উপর। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন বিষয়ের কাজের সৃষ্টি, শিল্প কারখানা স্থাপন ও উন্নত রাষ্ট্র তৈরির পিছনে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা/প্রয়োজন হলে বেকার সমস্যা দূর করা সম্ভব।
গত ২০১৫ সালে বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামে অত্যন্ত সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায় ভিন্নমাত্রা ও চ্যালেঞ্জিং উদ্দেশ্য নিয়ে উচ্চ শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা, তথ্য ও যোগাযোগ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, চ্যালেঞ্জিং অর্থনীতি মোকাবেলা এবং প্রকৌশল বিদ্যার ভিন্নমাত্রা, আধুনিকায়ন ও সৃজনশীলতার বিকাশে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন নিয়ে যাত্রা শুরু করে ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চিটাগং (ইউসিটিসি)।
আমাদের রয়েছে সেবার মানসিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও অলাভজনক ভিত্তি। আমাদের এখানে স্বল্প শিক্ষা ব্যয়, আন্তর্জাতিক মানের কোর্স কারিকুলাম, দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী, সুশৃঙ্খল পাঠদান ও পরীক্ষা পদ্ধতি, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক ত্রিমুখী সম্পর্কের সুদৃঢ় মধুর বন্ধন এবং রয়েছে সমৃদ্ধ সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ বিভাগভিত্তিক স্বতন্ত্র ল্যাব সুবিধা, ধুমপান ও রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অধিনে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বিজনেস অনুষদের অধিনে বিবিএ ও এমবিএ, আর্টস এন্ড সোস্যাল সায়েন্সেস অনুষদের অধিনে ইংরেজি এবং পাবলিক হেলথ বিভাগ চালু আছে। সমপ্রতি পাবলিক হেলথ বিভাগের অধিনে এম পি এইচ প্রোগ্রামের সফল সূচনা হয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণের সার্থকতা নির্ভর করবে অত্যন্ত সৃজনশীল উপায়ে পাঠদান, পাঠ উপস্থাপন ও পাঠ উপকরণ নির্বাচন, প্রত্যেক বিষয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ব্যবহারিকের উপর দৃষ্টিপাত, সর্ববিষয়ে বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তির সঠিক ও যথাযথ ব্যবহার বা প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ।
আমরা ২০২১ সালকে টার্গেট করে প্রতিটি দিনকে কাজে লাগিয়ে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ সৃষ্টি করতে চাই। যেখানে কর্ম, মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেদেরকে, পরিবারকে এবং সমাজকে ক্রমাগত সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশের নির্মাতা হিসেবে গড়ে তোলা। যারা ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে। দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি তাদের নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ভাল মানুষ হতে হবে। সারা পৃথিবীতে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের তরুণরা মেধার দিক থেকে কোন অংশে কম নয়। এজন্য তাদেরকে এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে তারা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বে জায়গা করে নিতে পারে। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা, পাওয়ার স্টেশন, সফটওয়্যার ও আইটি, নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন ইন্ডাস্ট্রি এবং গবেষণামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। পাশাপাশি মার্জিত সংস্কৃতি চর্চা, ইনডোর/আউটডোর খেলাধুলা ও বিতর্ক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণ করতে হবে। আমাদের বর্তমান সাধারণ ও শিক্ষিত সমাজকে দেশপ্রেম ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা, মানবিকতা বা মানবতা, নৈতিক মানের মূল্যবোধ অর্জন করে সামাজিক ও জাতীয় স্বার্থে আগামী দিনে যোগ্য নাগরিক হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার সকল গুণাবলি অর্জন করতে হবে। এই লক্ষে ইউসিটিতে একদল মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তৈরি হচ্ছে গ্রাজুয়েটস। যারা স্ব স্ব পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল বিভাগের স্নাতকদের জন্য আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমরা শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবেই গড়ে তুলছি। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাকে আমরা কখনোই খরচ মনে করি না বরং আমরা মনে করি এটি স্থায়ী বিনিয়োগ। জাতিকে আর্দশরূপে গড়ে তোলার বিনিয়োগ। এ বিনিয়োগ দ্বারা আমাদের তরুণ জনশক্তি জনসম্পদে পরিণত হবে। তারা বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রে পরিণত করে বিশ্ব দরবারে কাছে তুলে ধরবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী যাবতীয় প্রশাসনিক এবং একাডেমিক অবকাঠামো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। আমরা শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা কাজেও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করি এবং যুগোপযুগী কোর্স-কারিকুলাম প্রবর্তনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমাদের লক্ষ্য হল দেশের উচ্চ শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প খরচে গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করা। সমন্বিত শিক্ষা কাঠামোর অধীনে পুঁথিগত শিক্ষার সাথে সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উজ্জীবিত করে সার্বিকভাবে কর্মজীবন এবং কাঙ্ক্ষিত জীবনের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা। এক কথায় এক বিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম উন্নত জ্ঞান ও গুণে সমৃদ্ধ আদর্শবান, দেশপ্রেমিক, সৃষ্টিশীল ও কর্মমুখর মানবসম্পদ সৃষ্টি করা। দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় আমরা বিশেষ সুযোগ রেখেছি। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, উপজাতীয় ছেলেমেয়ে, স্বামী-স্ত্রী বা আপন ভাই-বোন এক সঙ্গে অধ্যয়নরতদের ফ্রি পড়ার সুযোগ দিচ্ছি। আমরা বলতে পারি, ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চিটাগং সর্বদা মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে। ইউসিটিসি তথা ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, চিটাগংকে ঘিরে বর্তমান পদক্ষেপ বা কর্মসূচি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় জগতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ, প্রশাসন, মিডিয়া এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন। আশাকরি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একদিন বিশ্ববিদ্যালয় সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছবে।

Advertisement