বিস্ময় বালক লরেন্ট সিমন্স

সিমলা চক্রবর্তী

বুধবার , ১ আগস্ট, ২০১৮ at ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
104

লরেন্ট সিমন্স এর বয়স এখন আট বছর। মাত্র দেড় বছরেই বিদ্যালয়ের পড়ালেখা শেষ করেছে। এখন দুই মাসের ছুটি কাটাচ্ছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে বেলজিয়ামের এই বিস্ময় বালক। অথচ বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করতে অন্যদের সময় লাগে ছয় বছর। লরেন্টের বাবা বেলজিয়াম এবং মা নেদারল্যান্ডসের নাগরিক। তাঁরা জানান, বুদ্ধিমত্তার পরীক্ষায় লরেন্ট সিমন্স পেয়েছে ১৪৫ নম্বর। শৈশব থেকেই লরেন্ট অন্য শিশুদের সঙ্গে মিশতে চাইতো না বা খেলতে পারতো না। খেলনার প্রতিও তার কোনো আগ্রহ ছিল না। বিদ্যালয়ে বড়দের সাথে পাল্লা দিয়ে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে নানান পরীক্ষা ও বিভিন্ন উদ্ভিদপ্রাণী সনাক্তে দক্ষতা দেখিয়েছে। শিক্ষকদের অবাক করে দিয়ে মার্কারী বোর্ডে গণিতের জটিল সমাধান করে দিয়েছে। শিক্ষকরাও তার মেধা দেখে অবাক হয়েছেন। লরেন্ট এর যা করতে ভালো লাগবে, তাতেই খুশি বলে জানান তার বাবামা।

বেলজিয়ামের একটি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লরেন্ট বলেছে, তার প্রিয় বিষয় গণিত, কারণ এটি বিশাল একটি বিষয়। সেখানে পরিসংখ্যান, জ্যামিতি আর বীজগণিত রয়েছে। পড়ালেখা শেষ করে সে একজন সার্জন অথবা নভোচারী হওয়ার কথা ভেবেছিল। কিন্তু এখন লরেন্ট সিমন্স কম্পিউটার নিয়েই কাজ করতে চায়। তার মতে, মানুষ কম্পিউটার বিজ্ঞানকে কম্পিউটার সম্পর্কিত অন্যান্য পেশার সাথে মিলিয়ে ফেলে এবং অথবা তারা মনে করে এটা কম্পিউটার সম্পর্কিত নিজস্ব অভিজ্ঞতা; যেমন গেমিং, ওয়েব ব্রাউজিং এবং ওয়ার্ড প্রসেসিং ঘরানার কিছু। কিন্তু কম্পিউটার বিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যেসব প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার গেম্‌স, ওয়েবব্রাউজার ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, তাদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা এবং এখনকার চেয়ে নতুন নতুন প্রোগ্রাম তৈরী করা।

যে সময়টা মাঠে খেলায় ব্যস্ত থাকার কথা সে সময়ে এসে লরেন্ট সিমন্স এর এমন কথায় বিস্মিত না হয়ে পারছেন না তার মাবাবা ও শিক্ষকরা।

x