বিশ্বকবির প্রয়াণবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

এম আনোয়ার হোসেন

শুক্রবার , ১০ আগস্ট, ২০১৮ at ৯:০৬ পূর্বাহ্ণ
37

আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার/ চরণধুলার তলে।/ সকল অহঙ্কার হে আমার / ডুবাও চোখের জলে।”.. স্রষ্টা আর সৃষ্টির মাঝে যেন এক গভীরমগ্নে কথোপোকথন। এ মহান পংক্তিসমুহের প্রবক্তা হলেন সাহিত্যে নোবেল জয়ী কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে, ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ শে বৈশাখে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্ম গ্রহণং করেন। ৭ আগস্ট ১৯৪১ সালে, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ তিনি কলকাতার পৈত্রিক বাসভবনে প্রায় ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ঊনিশংশতকে বিশ্ব সাহিত্যঙ্গনে তাঁর আবির্ভংাব এক চমকপ্রদ অধ্যায়ের সুচনা করে। তাঁর দীর্ঘ জীবনে তাঁর অসংখ্য সৃষ্টিশীল কর্ম ভারতীয় উপমহাদেশের সাহিত্যাংঙ্গনে নাড়া দিয়েছিল। ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভের মাধ্যমে তিনি গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গীতাঞ্জলির জন্য নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। গীতাঞ্জলি হল রবীন্দ্রণাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ। এ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৫৭ টি গীতিকবিতা সংকলিত হয়েছে। এর বেশিরভাগ কবিতাতেই রবীন্দ্রনাথ নিজে সুরারোপ করেছিলেন। ১৯০৮০৯ সালে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ কবিতাগুলো প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯১০ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথের সং অফারিংস কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। এতে গীতাঞ্জলি ও সমসাময়িক আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থের কবিতা রবীন্দ্রনাথ নিজে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন। আর এ ইংরেজি কাব্যগ্রন্থটির জন্য রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন। গীতাঞ্জলির প্রথম কবিতা– “ আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার/ চরণধুলার তলে।/ সকল অহঙ্কার হে আমার / ডুবাও চোখের জলে।/ নিজেরে করিতে গৌরব দান,/ নিজেরে কেবলি করি অপমান,/ আপনারে শুধু ঘেরিয়া ঘেরিয়া / ঘুরে মরি পলে পলে।/ সকল অহঙ্কার হে আমার/ ডুবাও চোখের জলে।/ আমারে না যেন করি প্রচার/ আমার আপন কাজে;/ তোমারি ইচ্ছা কর হে পূর্ণ/ আমার জীবন মাঝে।… ” এ কবিতার ছন্দগুলোতে বহিঃপ্রকাশ ঘটে যেন কবি বিশ্বভ্রহ্মান্ডের মহান স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের একান্ত প্রয়াস। যেন গভীর রাতে মহান স্রষ্ট্রার নিকট কবির আরাধনা কিংবা প্রার্থনা।

বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের জন্ম হয়তো আমার জন্মভুমি প্রিয় বাংলাদেশে হয় নি এবং এ কথা সত্য। কিন্তু আমাদের দেশের প্রতিদিনের কর্ম শুরু হয় এ মহান কবির ছন্দের সুরে সুরে। “ আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি/ চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস,আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।/ ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,/ মরি হায়, হায় রে-/ ওমা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কি দেখেছি মধুর হাসি।/ কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো-/ কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে,নদীর কূলে কূলে।/ মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,/ মরি হায়, হায় রে-/ মা,তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি/.. ”। এটি আজ আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। এ গানটির পান্ডুলিপি পাওয়া না যাওয়ায় এর সঠিক রচনাকাল উদঘাটিত হয় নি। ১৯৭১ সালের ১ মার্চ গঠিত হয় স্বাধীন বাংলার কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ। পরে ৩ মার্চ তারিখে ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভা শেষে ঘোষিত ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণংা করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এ গান প্রথম জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গাওয়া হয়।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ ঠাকুর। সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে তিনি বহুমাত্রিক গুনের স্বাক্ষর রেখে যান। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রশিল্পী, গল্পাকার, অভিনেতা, কন্ঠশিল্পী ও বাঙালি বিশ্বকবি ছিলেন। তাঁকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়। রবীন্দ্রনাথের ৫২ টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮ টি নাটক, ১৩ টি উপন্যাস ও ৩৬ টি প্রবন্ধ এবং অন্যান্য গদ্যসংকলন প্রকাশিত হয়। তাঁর সর্বমোট ৯৫ টি ছোটগল্প, ১৯১৫ টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ ছাড়াও রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খন্ডে “ রবীন্দ্র রচনাবলী ” নামে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর যাবতীয় পত্রসাহিত্য ১৯ খন্ডে ‘চিঠিপত্র ’ ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়াও তিনি প্রায় ২ হাজারের মত ছবি এঁকেছিলেন। তাঁর রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

মজার বিষয় হল, রবি ঠাকুর বাল্যকালে প্রথাগত বিদ্যালয়ে শিক্ষা তিনি তেমন গ্রহণ করেন নি। গৃহশিক্ষক রেখে বাড়িতেই তাঁর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এর পেছনেও অনেক কারণেংর অন্যতম হল, তিনি জন্মগ্রহণ করেন কলকাতার এক ধনাঢ্য জমিদার পরিবারে। তাঁর পিতা ছিলেন ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ( ১৮১৭১৯০৫), এবং মাতা হলেন সারদা সুন্দরী দেবী ( ১৮২৬১৮৭৫ )। কবিগুরু ছিলেন পিতামাতার চর্তুদশ সন্তান। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার ছিল ব্রাহ্ম আদিধর্ম মতবাদের প্রবক্তা। বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ব পুরুষেরা খুলনা জেলার রূপসা উপজেলা পিঠাভোগে বাস করতেন। কবির মাতা ১৮৭৫ সালে মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সে মৃত্যু ঘটে। অন্যদিকে পিতা দেবেন্দ্রনাথ দেশভ্রমণের নেশায় বছরের অধিকাংশ সময় কলকাতার বাইরে অতিবাহিত করতেন। তাই ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা কেটেছিল ভৃত্যদের অনুশাসনে। শৈশবে তিনি কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারি, নর্ম্যালে স্কুল, বেঙ্গল অ্যাকাডেমি এবং সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলে কিছুদিন করে পড়াশোনা করেছিলেন। কিন‘ বিদ্যালয় শিক্ষায় অনাগ্রহী হওয়ায় বাড়িতেই গৃহশিক্ষক রেখে তাঁর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

তিনি পিতার কাছ থেকে সংষ্কৃত, ব্যাকরণ,ইংরেজি,জ্যেতির্বিজ্ঞান,সাধারণ বিজ্ঞান ও ইতিহাসের নিয়মিত পাঠ নিতে শুরু করেন ১৮৭৩ সালের দিকে পিতার সাথে পাঞ্জাবের ডালহৌসি শৈলশহরের নিকট বক্রোটায় অবস্থানের সময়। এ সময় পিতা দেবেন্দ্রনাথ তাকে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের জীবনী পড়তে উৎসাহিত করেন। আট বছর বয়সে রবী ঠাকুর কবিতা লেখা শুরু করেন। ১৮৭৪ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় তাঁর “ অভিলাষ ” কবিতাটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা। ১৮৭৭ সালে ভারতী পত্রিকায় তরুণ রবীন্দ্রনাথের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা প্রকাশিত হয়। এ গুলো হল মাইকেল মধুসুদনের মেঘনাবধ কাব্যের সমালোচনা,ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী এবং ভিখারিনী ও করুনা নামে দুটি গল্প। রবীন্দ্রনাথের “ ভিখারিনী ” গল্পটি ( ১৮৭৭ ) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ছোটগল্প। ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্যগ্রন্থ’ তথা প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ “ কবিকাহিনী ”। এতদ্বসত্ত্বেও রবীন্দ্রনাথ ১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে যান। প্রথমে তিনি ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৮৭৯ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে আইনবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। কিন্তু সাহিত্যচর্চার আকর্ষণে তিনি পড়াশুনা শেষ করতে পারেন নি। ইংল্যান্ড থাকাকালীন শেকসপিয়র ও অন্যান্য ইংরেজ সাহিত্যিকদের রচনার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচয় ঘটে। ১৮৮৩ সালে ঠাকুরবাড়ির অধস্তন কর্মচারী বেনীমাধব রায় চৌধুরীর কন্যা ভবতারিনীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহিত জীবনে ভবতারিণীর নামকরণ হয় মৃণালিনী দেবী। তাদের সন্তান ছিল পাঁচজন। তারা হলেনমাধুরীলতা,রথীন্দ্রনাথ, রেনুকা, মীরা এবং শমীন্দ্রনাথ। তাদের মধ্যে অতি অল্প বয়সেই রেনুকা ও শমীন্দ্রনাথের মৃত্যু হয়।

রবীন্দ্রনাথ ১৮৯১ সাল থেকে পিতার আদেশে নদিয়ার জমিদারি তদারকি শরু করেন। নদীয়া অঞ্চলে তার জমিদারীর এলাকাটি ছিল অধুনা বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলা, পাবনা ও রাজশাহী জেলা। এ সময় উড়িষ্যার জমিদারিও দেখাশুনা করেন তিনি। কুষ্টিয়ার শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে তিনি দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেছিলেন। ১৯০১ সালে তিনি সপরিবারে শিলাইদহ ছেড়ে চলে যান বীরভুম জেলার বোলাপুর শহরের উপকন্ঠে শান্তিনিকেতনে। কবিগুরু ছিলেন পিতার মত ভ্রমণে খুবই উৎসাহী। তিনি সর্বমোট ১২ বার বিশ্বভ্রমণে বেরিয়েছিলেন। ১৮৭৮ সাল থেকে ১৯৩২ সালের মধ্যে তিনি পাঁচটি মহাদেশের ত্রিশটিরও বেশি দেশ ভ্রমণ করেন। ১৯১৬১৭ সালে তিনি জাপান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। সেখানে তিনি সাম্রাজ্যবাদ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে কয়েকটি বক্তৃতাও প্রদান করেন। বক্তৃতাগুলো সংকলিত হয় তাঁর ন্যশনালিজম (১৯১৭) গ্রন্থে’। ১৯২৪ সালে রবীন্দ্রনাথ চীন সফরে যান। এ বছরের শেষের দিকে তিনি পেরু সরকারের আমন্ত্রণে সে দেশে যাওয়ার পথে আর্জেন্টিনায় অসুস্থ হয়ে কবি ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর আতিথ্যে তিন মাস কাটান। স্বাস্থ্যের কারণে পেরু ভ্রমণ তিনি স’গিত করেন। পরে পেরু ও মেক্‌্িরকো উভয় দেশের সরকাই বিশ্বভারতীকে এক লক্ষ মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। ১৯২৬ সালে বেনিতো মুসোলিনির আমন্ত্রণে ইতালি সফর করেন। প্রথমে মুসোলিনির আতিথিয়তায় মুগ্ধ হলেও পরে লোকমুখে তার স্বৈরাচারের কথা জানতে পেরে তার সমালোচনা করেন। এরপর রবীন্দ্রনাথ গ্রিস,তুরস্ক ও মিশর ভ্রমণ করে ভারতে ফিরে আসেন। ১৯২৭ সালে তিনি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ চার সঙ্গীকে নিয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ পুর্ব এশিয়া সফরে। এ সময় তিনি কুয়ালালামপুর,জাভা,ম্যালাক্কা,পেনাং,সিয়াম ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করেন। ১৯৩০ সালের শেষে কিংবা পরে তিনি সফর করেন ফ্রান্স,জার্মানি,সুইজারল্যান্ড,সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৩২ সালে তিনি ইরাক ও ইরান ভ্রমণ করেন। ১৯৩৪ সালে তিনি সিংহল ভ্রমণ করেন। আর এটি ছিল তাঁর জীবনের সর্বশেষ বিদেশ সফর। কবিগুরু বিদেশ ভ্রমনের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করে রাখেন। তম্মধ্যেয়ুরোপ প্রবাসীর পত্র ( ১৮৮১ ),য়ুরোপ যাত্রীর ডায়েরি ( ১৮৯১,১৮৯৩ ) জাপান যাত্রী ( ১৯১৯ ) রাশিয়ার চিঠি ( ১৯৩১ ), পারস্যে ( ১৯৩৬ ) ও পথের সঞ্চয় ( ১৯৩৯ ) অন্যতম। ব্যাপক বিশ্বভ্রমণের ফলে রবীন্দ্রনাথ তাঁর সমসাময়িক আলবার্ট আইনস্টাইন,রবার্ট ফ্রস্ট,টমাস মান, জর্জ বার্নাড শ, এইচ জি ওয়েলস প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী পঁচিশে বৈশাখ এবং বাইশে শ্রাবণ তার প্রয়াণবার্ষিকী বাঙালি সমাজে গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালিত হয়ে আসছে।

x