বিএনপির অন্য এমপিরাও শপথ নিলেন শুধু ফখরুল ছাড়া

আজাদী অনলাইন

সোমবার , ২৯ এপ্রিল, ২০১৯ at ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
1135

দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত আরও চারজন। তারা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উকিল আব্দুস সাত্তার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের হারুনুর রশীদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের আমিনুল ইসলাম ও বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন।

আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে সংসদ ভবনে স্পিকারের কক্ষে তারা শপথ নেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। বিডিনিউজ

সংসদের হুইপ ইকবালুর রহীম এসময় উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি নেতা হারুনের সঙ্গে তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়াও ছিলেন।

এই চারজন শপথ নেয়ায় এখন বিএনপি থেকে নির্বাচিতদের মধ্যে শুধু মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বাকি আছেন।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের শপথ নেয়ার ক্ষেত্রে আজ সোমবারই শেষ দিন। অধিবেশন শুরুর পর ৯০ দিনের মধ্যে কেউ শপথ না নিলে ওই আসনে নতুন নির্বাচন আয়োজনের কথা ইসি ইতোমধ্যে জানিয়েছে।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মোট ছয়জন। তার মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান জাহিদ গত বৃহস্পতিবারই শপথ নিয়েছিলেন। এরপর তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারও করা হয়।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত গণফোরামের দু’জন সুলতান মো. মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খানও জোটের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ইতোমধ্যে শপথ নিয়েছেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে দাবি করে শপথ না নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট।

তবে বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা বলছেন, এলাকার মানুষের চাপে সংসদে যেতে শপথ নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

জাহিদের পর নতুন চারজনের শপথ নেয়ার দিনই ফখরুল এক অনুষ্ঠানে বলেন, বর্তমান সংসদ ‘জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সংসদ’ নয়।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ সোমবার এক সভায় বলেন, দুটি কারণে ফখরুল শপথ নিচ্ছেন না। একটি হল দলীয় পদ হারানোর ভয়ে, অন্যটি হলো নিজের এলাকা থেকে নির্বাচিত হননি বলে নির্বাচনী এলাকার মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা নেই।

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের আসনে হারলেও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হন যে আসন থেকে বরাবর ভোট করে আসছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শপথ নিতে যাওয়ার আগে হারুন সোমবার সকালে বলেছিলেন, সংসদে যাওয়ার জন্য এলাকার মানুষের চাপে রয়েছেন তিনি। তাই দলের সিদ্ধান্ত জানতে চেয়েছেন।

বিকালের মধ্যে দলের সিদ্ধান্ত পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছিলেন হারুন তবে দল থেকে তাকে কী সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে সেই বিষয়ে এখনও কিছু বলেননি তিনি।

x