বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধ

রেজাউল করিম

শনিবার , ৫ অক্টোবর, ২০১৯ at ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
19

১ অক্টোবর, ২০১৯ থেকে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের মধ্যদিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সুযোগ আছে বিষয় পরিবর্তন কিংবা অন্য কোনো কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাতিল করে চলে যাওয়ার। দেশের অধিকাংশ কলেজে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রথমদিন ৫০% পর্যন্ত শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও পরবর্তী ক’দিন ধরে উপস্থিতি তেমন নেই বললেই চলে। এর কারণ এখনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। সুযোগ পেলেই তারা কলেজ ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যাবে,এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের করণীয় ছিলো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা। আগে সে ব্যবস্থা ছিলো। যারা ভর্তি বাতিল করবে,তাদের ভর্তির মানবিকে ৪৬১০/-, বিজ্ঞানে ৫৪৩০/-, উভয় ক্ষেত্রে ভর্তি বাতিল ফি ৭৪৬/- টাকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেটে জমা হবে। প্রশ্ন হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর মধ্যদিয়ে ইতিবাচক কী ফলাফল আনলো? আমার মতে,এতে ফলাফল নেতিবাচক শুধু। শিক্ষার্থীদের অহেতুক হয়রানি, অস্থিরতা। আর গরীব-মধ্যবিত্ত অভিভাবকদের অর্থ অপচয়। শেষ পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পকেট ভারী। শুধু ভর্তি বাতিল থেকেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয় কতো হতে পারে, তা সচেতন মহল ওয়াকিবহাল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নিয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধ জানাই।

x