বাং লা দে শে র ফ ল

আলী হোসেন

বুধবার , ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ at ৫:২০ পূর্বাহ্ণ
463

তেঁতুল আমাদের দেশের চির চেনা একটা টক ফল। প্রায় সর্বত্রই এ গাছ জন্মাতে দেখা যায়। তেঁতুল থেকে নানা ধরনের মুখরোচক আচার, চাটনী তৈরি করা হয়। আমাদের দেশে তেঁতুল গাছে ভূত থাকে এ ধরনের একটি কুসংস্কার প্রচলিত আছে। এ গাছ বেশ বড় বড় তাই রাস্তার ধারে ছায়াবৃক্ষ হিসেবে রোপণ করা হয়। আমাদের লোকগীতিতেও তেঁতুলের স্থান আছে।

তেঁতুলের বৈজ্ঞানিক নামের সঙ্গে এর আদি নিবাস হিসেবে ভারতের নাম যুক্ত থাকলেও বর্তমানে বিজ্ঞানীরা মনে করেন তেঁতুলের আদি বাসস্থান মধ্য আফ্রিকা ও আবিসিনিয়ার গরম অঞ্চলে। তেঁতুল শক্ত ধরনের দীর্ঘকায় চিরসবুজ গাছ, উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার হয় এবং ব্যাস ১১৫ মিটার। ফল ১১৫ সে.মি. লম্বা। ফুল ফোটার কিছুদিন পরই ফল ধরে। ফল আকারে লম্বা ১৫২০ সে. মি. ফুল আসার আগে প্রচুর পাতা ঝরে যায় তবে সব নয়।

তেঁতুলের অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। এর ভেষজ নাম যমদূতিকা। ফলে রয়েছে ট্যাটারিক এ্যাসিড, ম্যালিক এ্যাসিড, অক্সালোক এ্যাসিড। পলিম্যাকারাইডস।

এ গাছের সুনির্দিষ্ট কোনও জাত নেই। সবই স্থানীয় নামকরণ একটি পূর্ণ বয়স্ক গাছ থেকে ২৩ কুইন্টাল ফল পাওয়া যায়।

পাকা তেঁতুল যত্নসহকারে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। কবিরাজি ঔষধের জন্য পুরনো তেঁতুলের বেশ চাহিদা। তেঁতুলের ইংরেজি নাম Tamarind ও বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus Indica Linn.

x