বাংলা দে শে র ফু ল

সূর্যমুখী

আবুল হাসনাত

বুধবার , ৯ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ
17

বাংলাদেশের সব অঞ্চলেই সূর্যমুখী একটা পরিচিত ফুল। ফুল ফোটার পর সূর্যের দিকে হেলে থাকে বলে আমরা একে সূর্যমুখী বলি। এর ইংরেজি নাম সানফ্লাওয়ার। প্রজাতি ভেদে এর গাছ এবং ফুল ছোট-বড় হয়। ফুল দেখতে বেশ আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর। অনেকটা ডালিয়ার মতো লম্বা ডাঁটায় ফুল ফোটে। এক গাছে একটাই ফুল ফোটে। এটা অবশ্য বড় প্রজাতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সূর্যমুখী দেখতে ভারি সুন্দর। কিছু কিছু সূর্যমুখী ফুটে শীতে আর কিছু কিছু ফুটে শীতের পরে। ফুলের আকৃতি গোলাকার। দেখতে বেশ বড় ধরনের থালার মতো। মাঝখানটা কালো-চাকতির মতো। পাতার রঙ গাঢ় সবুজ হয়। দেখতে অনেকটা ঢেঁড়স পাতার মতো। কিনারা করাতের মতো খাঁজ কাটা। বড় প্রজাতির গাছগুলো লম্বায় মাঝে মাঝে ১০ ফুট বা ৩ মিটারের মতো হয়। একবার ফুল হলে গাছ মরে যায়। ফুলের রঙ হলদে। এক সাথে যখন অনেকগুলো ফুল ফোটে তখন বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
সূর্যমুখী ফুটন্ত অবস্থায় অনেক দিন থাকার পর আস্তে আস্তে এর পাঁপড়িগুলো ঝরে যায়। তখন বীজগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বীজ থেকে তেল হয়। এ তেল রান্না ও অন্যান্য খাদ্য তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। বিদেশে সূর্যমুখীর ব্যাপক চাষ হয়। আমাদের দেশেও ব্যাপক হারে চাষের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। টবে চাষ করা যায়। তবে বড় ধরনের টবের প্রয়োজন হয়। সূর্যমুখী আমাদের দেশে এসেছে আমেরিকা থেকে।
ফুল ফোটার পর সূর্যের দিকে হেলে থাকে। ফুল গোল থালার মতো। মাঝখানটা চাকতির মতো। কাণ্ডের মাথায় হলুদ রঙের ফুল হয়। শীতে ফুল ফোটে। সূর্যমুখী ফুলের ইংরেজি নাম-Sun Flower ও বৈজ্ঞানিক নাম-Helianthus annus.

x