বাংলার গণসঙ্গীতের শিকড় সন্ধান

প্রদীপ ঘোষ

মঙ্গলবার , ১২ জুন, ২০১৮ at ৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ
29

স্বাধীনতা আন্দোলনে দেশজুড়ে উঠেছিল গণজাগরণের ঢেউ। রাজনৈতিক নেতারা তাদের মতো করে আন্দোলন করেছেন, সহিংস সংগ্রামীরাও তাদের আদর্শের অবিচল থেকে সংগ্রাম করে গেছেন।এসবের সঙ্গে গ্রামের খেটে খাওয়া মজুর,কৃষক, এমনকি সাধারণ নির র গ্রাম্য নারীরাও যেভাবে এই স্বাধীনতা যুদ্ধে সামিল হয়েছেন, তা ইতিহাসের এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। গ্রামীণ কবিওয়ালারা বেঁধেছেন তাদের প্রতিবাদী ভাষায়ণ্ড

স্বদেশীর গান গামো হামেরা শুন তমেরা

স্বদেশীর গান গামো হামেরা।

হালুয়া না হাল বয়, করে ধানাপাটা

কত ধনী না পায় আরও চাবাগানের ট্যাহা।

শুন তমেরা,স্বদেশীর গান গামো হামেরা।

জমিনের খাজনা বিদ্দি শস্য হইল কম

খাইতে নিতে ধনীগিলার সদায় পরে ফম।

স্বাধীনতা আন্দোলনে গণজাগরণ ঘটাতে বাংলার লোককবিরা এগিয়ে এসেছেন অনেকের মতোই। তার তাদের গান দিয়ে উদ্বুদ্ধ করেছেন দেশবাসীকে, ইংরেজ শাসনে দেশের দুর্দশার কথা দেকতে পাইএমনি এক লোকসঙ্গীতে

ইবার শ্ব্যাত ইন্দুরে কইরলো সারা

ভাই রে ধানের বাজার হইল আক্কারা।

গরশু বাছুর,মাইয়্যা মানুষ

ছাওয়ালপান যুব্বা পুরুষ

একই ভাব হইল হগারা।

যুইদ্ধো লাইগছে রাজায় রাজায় মধ্য থিকা মইরলো পেরজায়

ন্যাত্যাগো সব ফাটক দিছে,

উচিত কথা কইবে কে?

কইলে পরে জরিমানা গারদখানা ভাতেমারা দ্যাশ ছাড়া

আছে মোগো হুগল জানা।

আবার অ্যাতে ও নাকি সোয়াস নাই বসাইছে কন্‌টোল

(ও বাই) চাউল হইয়্যাছে পঞ্চশ ট্যাহা চৌদ্দ পুরুষ শুনি নাই।

ক্যারেচ ত্যাল পাওয়া যায়না চিনিত্‌ চো েই দেহি না

গেরামের যত বাবু ভূঞা গুড় দিয়া চায়া খায়্যা

ফুড কমিটি কইরছে খাড়া

অত্যাচারী ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রট কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীকে। কিন্তু ভুলে তাদের বোমার আঘাতে কিংসফোর্ডের পরিবর্তে দুই ইংরেজ নারী নিহত হন। ক্ষুদিরাম ধরা পড়েন এবং ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট এবং জেলে তার ফাঁসি হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামেগঞ্জে সকলের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে বীর ক্ষুদিরামের বীরত্বব্যঞ্জন কাহিনীর গান। লিখেছিলেন বাঁকুড়া জেলার এক অখ্যাত গ্রামের কবি পীতাম্বর দাস

একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি,

আমি হাসি হাসি পরব ফাঁসি

দেখবে জগৎবাসী

এদিকে দেশ ভাগের কিছুকাল আগে ১৯৪৩ সালে জন্ম নিলো গণনাট্য সংঘের। শেকড় থেকে নেয়া অফুরান শক্তি নিয়ে পুরণচাঁদ যোশী মূল উদ্যোক্তা হিসেবে সংগঠিত করলেন গণনাট্য সংঘের। আসাধারণ মেধাবী শিল্পীদের সম্মিলন ঘটলো। হেমাঙ্গ বিশ্বাস, হেমন্ত মূখোপাধ্যায়, সলিল চৌধুরী, সুচিত্রা মিত্র, দেবব্রত বিশ্বাস, শচীন দেববর্মণ, কলিম শরাফি, নিবারণ পন্ডিত, সাধন দাশগুপ্ত প্রমূখ শিল্পীরা ঝড় জাগালেন সুরে। সঙ্গায়িত হলো গণসঙ্গীতের। নানা ধরণের গবেষণা আর আন্তর্জাতিক চেতনার মিশেল ঘটলো শেকড়ের সুরস্রোতে।

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসনের কবল থেকে ভারতবর্ষ স্বাধীনতা পেল। ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম হলো ভারত আর পাকিস্তান। এই সব অঞ্চলের লোকগান আলকাপে ঘটল দেশভাগের ফলে সৃষ্ট সমস্যার প্রতিফলন। অনেকেরই আত্মীয়স্বজন দেশভাগের ফলে ভিন দেশের বাসিন্দা হয়ে গেলেন। এরই প্রতিবাদে আলকাপ শিল্পীরা গাইলেন

হায়রে হায় কেমনে বাঁচাবো জান্‌

হল হিন্দুস্তান আর পাকিস্তান

ভাই রাখেনা ভাইয়ের মান

কেমনে বাঁচাবো জান।

মোরা হিন্দু মুসলমান একই মায়ের সন্তান

ভাইয়ের মুখ দেখতে ভাইকে

ওনারা সব পাসপোর্ট চান।

হায়রে হায় কেমনে বাঁচবো জান্‌ইত্যাদি

দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গ থেকে বহু কবিয়াল পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এসে আশ্রয় নেন এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে গান বাঁধেন। ফরিদপুর থেকে এসে কোলকাতায় আশ্রয় নেয়া সুরেন্দ্র নাথ সরকার বাস্তুহারাদের নিদারুণ দুর্ভোগ নিয়ে গান বাঁধলেন:

এমন সোনার বাংলা দেশে,

মানুষ বেড়ায় ভেসে ভেসে,

হলাম বাস্তুহারা সর্বহারা

কার কলমের এক খোঁচায়।

আমরা ক্যাম্পে শুয়ে আজো মাঠে,

আর কত দিন জীবন কাটে,

দেখে মোদের দুঃখ কষ্ট

শেয়াল কুকুর লজ্জা পায়।

এ হলো দেশ ভাগের প্রতিফলন। এ দেশের লোককবিরা দেশ বিভাগকে মোটেও মেনে নিতে পারেনি। ইংরেজদের ‘ভাগ করো শাসন করো’ পরিকল্পনার চালাকি তারা বুঝতে পেরেছিলো। তারা শুধু ব্রিটিশ রাজকেই দায়ি করে ক্ষান্ত হয়নি বরং দেশের রাজনৈতিক নেতাদের স্বর্থপরতাকেও তারা মানুষের কাছে উপস্থাপনের চেস্টা করেছেন। গম্ভীরা গানের মাধ্যমে তারা যা গেয়েছিলেন

দ্যাশের কত যে ন্যাতা

তাদেও বড় বড় কতা

পায়্যা স্বাধীনতা লাড্ডু

কুনঠে হয়া গেল গাড্ডু।

দেখ্যা তাদের স্বার্থপরতা

খাল্যে হামাদের মাতা

শ্যাষে ঘরে আগুন লাগায়া দিয়া

সোনার ভারত কইরলো খান

হিন্দুস্থান আর পাকিস্তান

তৎকালিন পূর্ববাংলা অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশ তখন পাকিস্তানের ঝুলুম আর শোষনের যাতাকলে নিমজ্জিত। পরাধীনতার যে শৃংখল বাঙ্গালি বারবার প্রতিহত করতে চেয়েছে তার প্রধান অস্ত্র ছিলো সঙ্গীত। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই পাকিস্তান সরকারে প্রাধান্য পায়। পাকিস্তান সরকার ঠিক করে উর্দু ভাষাকে সমগ্র পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা করা হবে, যদিও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার চল ছিলো খুবই কম। পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এই সিদ্ধান্তকে মোটেই মেনে নিতে চায়নি। পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাভাষার সমমর্যাদার দাবীতে শুরু হয় আন্দোলন।

পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে মিটিংমিছিল বেআইনি ঘোষণা করে। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে এই আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়এ একটি মিছিল শুরু করেন ছাত্র জনতা। মিছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজএর কাছে এলে পুলিশ মিছিলের উপর গুলি চালায়। গুলিতে শহীদ হন আব্দুস সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার সহ আরো অনেকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সারা পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতেই বাগেরহাটের চারণ কবি শেখ সামছুদ্দিন আহমদ “রাষ্ট্রভাষা” নামে রচনা করেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম গানটি। গানটি

রাষ্ট্রভাষার আন্দোলনও করিলিরে বাঙলি,

তোরে ঢাকার শহর রক্তে ভাসাইলি।

ও বাঙ্গালি ও ওওও।

তোতা পাখি পড়তে আইসা খোয়াইলি পরাণ,

মায় সে জানে পুতের বেদন, যার কলিজার জান।

ইংরেজ যুগে হাটুর নীচে চালাইতো গুলি,

স্বাধীন দেশে ভাইয়ে ভাইয়ের ওড়ায় মাথার খুলি,

তোরা ঢাকা শহর রক্তে রাঙ্গালি।’

১৯৪৮ সালেই শিল্পীসংগ্রামী সত্যেন সেন কারখানার শ্রমিকদের নিয়ে গড়েছিলেন কবি গানের দল। যা বাংলার বুকে গণমানুষের গণসংগঠন সৃষ্টির ভ্রুণ লুকায়িত ছিলো। ষাট দশক গণসাংস্কৃতিক আন্দোলন এর জন্য বিশেষ সময়কাল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আছে। সৃজনি, ছায়ানট, ক্রান্তি এবং উদীচী জন্ম লাভ করে এ সময়কালে। ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রশতবার্ষিকী উদযাপনের সূত্র ধরে ছায়ানটের জন্ম । তদানীন্তন পাকিস্তানে সামরিক শাসন চলছিল। সেই সময় সারা দেশে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল। বিশেষ করে বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন পাকিস্তান সরকারের কাছে, বাঙালি সংস্কৃতি চর্চা ছিল দেশদ্রোহিতার সমতুল্য। এই পরিবেশের মধ্যদিয়ে রবীন্দ্রজন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করেছিলেন এবং দেশে রবিন্দ্র চর্চার আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়েছিলেন যা পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে ছিলো এক সাহসী পদক্ষেপ। দেশের কৃষক শ্রমিক মেহনতি মনুষের লড়াইকে বেগবান করার লক্ষ্যে দেশের সাম্যবাদী চেতনার প্রাণপুরশুষ কৃষকনেতা সত্যেন সেন গড়ে তুললেন উদীচী। সময়টি ১৯৬৮ সালের ২৯ অক্টোবর। গণসঙ্গীত তার বিকাশমান রূপ লাভ করে পূর্ববাংলার মানুষের মুক্তির লক্ষ্য নিয়ে। শিল্পীসংগ্রামী সত্যেন সেন তাঁর গানে বল্লেন

খেটে খেটে মরলি খালি

অভাবেই দিন কাটালি

দিনে দিনে সব খোয়াইলি

এমনি কপাল পোড়া।

অথবা

মারো জোয়ান হেইয়ো মারো কষে টান

তালে তালে ফেলো বৈঠা নদীতে উজান,

হো নদীতে উজান।।

ও মাঝি হাল তোর শক্ত করে ধর

পূব আকাশে গর্জে দেয়া কিসের তাতে ডর

পথের বাধা মানবো না রে, আসুক ঝড় তুফান।।

এ পৃথিবী মেহনতীর ঘামে পরিচালিত হয় যা কারখানার শ্রমিকেরা উপলব্ধি করতে পারেনা। এ উপলব্ধি জাগিয়ে বঞ্চিত সর্বহারাকে বার বার মনে করাতে চেয়েছেন তার জীবনের সহজ সরল অধিকার আদায়ের কথা এভাবে

হাতুড়িতে পিটাও লোহা মাকুতে দাও টান

মজদুরেতে দুনিয়াদারী চলছে অফুরান

রে মজুর রে মজুর রে মজুর রে।।

গাঁয়ের মায়া ছেড়ে এলাম শহর

কারখানাতে মোরা বেঁধেছি রে ঘর

মেশিন যন্ত্রপাতি মোদের খেলার সাথী

মোরা একসাথে মিলাইয়াছি হাত হাজার জোয়ান

রে মজুর রে মজুর রে মজুর রে।।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য এই যে, সর্বাধিক গানের মাধ্যে আমরা খুঁজে পাই লোকভাষার উপস্থাপন। এভাবেই গণসঙ্গীতের ক্রমবিকাশ মহান স্বধীনতার লক্ষ্যকে নির্ধারণ করে ফেলে। বাঙ্গালির জাতীয়তাবাদী চেতনার পথকে বিকশিত করে। অসংখ্য গান রচিত ও গীত হয় স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপে তা এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। নয় মাসের সাগরসম রক্ত আর সম্ভ্রমের মূল্যে জন্ম নেয় বাংলাদেশ। অনেক কিছুর প্রয়োজনীয়তা কমে গেলেও গণসঙ্গীতের প্রয়োজন থেকেই গেলো। ৭৫’এর বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে আবার ফিরে এলো পাকিস্তানের উগ্রসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শ। ধর্মনিরপে তা আর সমাজতন্ত্রের আকাঙ্খা ধ্বংস করা হলো। উদীচী তার লোকধারাকে নিয়ে পথে নামলো ‘ইতিহাস কথা কও’ গীতিআলেখ্য নির্মাণের মধ্যদিয়ে। রচয়িতা ও গণসঙ্গীত শিল্পী মাহমুদ সেলিম গীতিআলেখ্যতে জাতীকে শোনালেন

দু:খ গেলো না, স্বাধীন হইলাম মুক্তি পাইলাম না

দু:খ গেলো না, স্বাধীন হইলাম মুক্তি পাইলাম না

গণসঙ্গীত নিয়ে নানা সঙ্গীত রচয়িতা ও সুরকারদের রয়েছে নানা ব্যাখ্যা। কেউ কেউ দেশাত্ববোধক গানকে গণসঙ্গীতের কাতারে ফেলতে চেয়েছেন আবার কেউবা অন্যায়ের বিরশুদ্ধে যে গান তাকেই গণসঙ্গীত হিসেবে অবিহিত করেছেন। আসলে গণসঙ্গীত আধুনিক কালের শ্রমজীবী মানুষের গান যা ধারণ করে শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিকতাকে এবং তা হলো লোকসঙ্গীতের উচ্চতর বিকাশমান রূপ। গণসঙ্গীতের স্বরূশুপ নির্ধারণ করতে গিয়ে যথার্থ ব্যাখ্যা পাওয়া যায় গণসঙ্গীতের সার্থক স্রষ্ঠা হেমাঙ্গ বিশ্বাস এর কাছে। তিনি বলেছেন ‘ স্বদেশ চেতনা যেখানে গণচেতনায় মিলিত হয়ে শ্রমিক শ্রেণির আন্তর্জাতিকতার ভাবাদর্শের সাগরে মিশেল সেই মেহনাতেই গণসঙ্গীতের জন্ম।’

মুক্ত জার্মানীর জাতীয় সঙ্গীতের স্রষ্ঠা এবং নাট্যকার ব্রেখটের প্রধান মিউজিক কম্পোজার হ্যানস আইসলার বলেছেন, ‘গণসঙ্গীত আধুনিক কালের শ্রমজীবী মানুষের গান। যা ধারণ করে শ্রমজীবী মানুষের আন্তর্জাতিকতাকে এবং তা হলো লোকসঙ্গীতের উচ্চতর বিকাশমান রূপ’।

তাহলে স্পষ্টতই বলা যায় যে লোকসঙ্গীত হলো শেকড় এবং আঞ্চলিকতার বতাবরনে প্রবাহমান। দেশবন্দনার বা দেশাত্ববোধক গান ধারণ করে আছে জাতীয়তাবোধকে আর গণসঙ্গীত অঞ্চল দেশকে ধারণ করে ছড়িয়ে গেছে সারা পৃথিবীর মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে অর্থাৎ আন্তর্জাতিকতার চেতনায়।

তথ্যঋণ:

. বাংলার পল্লীগীতি সংগ্রহ

. গণনাট্যের গানদিলীপ মুখোপাধ্যায়

. প্রতিবাদী বংলা লোক সঙ্গীতবিমল চন্দ্র চট্টপাধ্যায়

. সংগ্রামের চার দশকউদীচী সম্পাদিত

. বাংলর লোকসংস্কৃতি বিষয়ক প্রবন্ধযতীন সরকার

x