বাংলাদেশে নারী শিক্ষার উপর প্রধান ভূমিকা সরকারের নজর, আশু দৃষ্টি কামনা করছি

শনিবার , ১২ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ
28

এককালে মাতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীর ছিল প্রাধান্য। তাই প্রাচীন হিন্দু, বৌদ্ধ সাহিত্যে শিক্ষিত নারীর দেখা মেলে। পরবর্তীকালে সমাজ জীবনে পুরুষের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে নারী হয়ে পড়ে অন্তঃপুরবাসী। আধুনিককালে নারীর অধিকার ও স্বতন্ত্র ভূমিকা স্বীকৃত হয় পাশ্চাত্যে।পাশ্চাত্য শিক্ষা-সংস্কৃতির বাহক ইংরেজদের মাধ্যমে এ দেশে নারীরাও শিক্ষার অংগনে আসার সুযোগ পায়। কিন্তু তখনও বাংলাদেশে মুসলমান নারী সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পথে বাধা দূর হয়নি। ধর্মীয় কুসংস্কার সেখানে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে বাধা কাটিয়ে মুসলমান নারীকে শিক্ষার অংগনে আনার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেন বেগম রোকেয়া। ক্রমে বাঙালি মুসলিম নারীরা আধুনিক শিক্ষার পথে পা বাড়াতে থাকেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয় জীবনে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয় এবং গণতান্ত্রিক চেতনার ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে। সমাজে নারী-পুরুষের সমান মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি পায়। দেশে নারী আন্দোলন বিস্তার লাভ করে। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে পুরুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নারী সমাজে সৃষ্টি হয় নতুন উদ্দীপনা। এখন বাংলাদেশে এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কোনো শিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত নারীর দেখা পাওয়া যাবে না। সবচেয়ে বড় কথা হবে, নারীকে ঘরে ঘরে শিক্ষিত করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার জগতে নিয়ে আসার জন্যে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষিত ‘মা’ই পারবে দেশকে রক্ষা করতে।
– রাজীব হোড় (রাজু), যুধিষ্টির মহাজন বাড়ি,
দক্ষিণ কাট্টলী, চট্টগ্রাম-৪২১৯

x