‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে আসে’

বঙ্গবন্ধু পরিষদের আলোচনা সভা

শনিবার , ২৩ জুন, ২০১৮ at ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
20

ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন, ৬ দফা বাঙালির জাতির মুক্তির সনদযা থেকে পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়। বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতার ফসল ছিল ৬ দফা। ১৯৬৫ সালে পাকভারত যুদ্ধে পাকিস্তান সামরিক জান্তা তদানন্তীন পূর্ব পাকিস্তানকে পুরোপুরি অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রাখে। বাঙালি বুঝতে পারে পশ্চিম পাকিস্তানিরা তাদের স্বার্থ নিয়ে ভাবে না। এই যুদ্ধে মূল ব্যয়ভার বহন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হলেও তারা অরক্ষিত থেকে যায়। তদুপরি করাচি থেকে শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানে তিন তিনটি রাজধানী বদল হয়। তা তৈরির খরচের সিংহভাগ ঢাকার উপর পড়ে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উদ্যোগে সভাপতি অধ্যাপিক বেগম সৈয়দা তাহেরার সভাপতিত্বে ও অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় গতকাল শুক্রবার ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে স্বায়ত্বশাসন থেকে স্বাধীনতা শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেনসংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মু আইয়ুবুর রহমান, চিটাগাং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার সাঈদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ রোমান।

বক্তারা বলেন, প্রকৃতপক্ষে ৬ দফা তদানীন্তন পাকিস্তানের বাঙালির মুক্তির সনদ শুধু ছিল না বরং বঞ্চিত অন্যন্য পাকিস্তানি জনগোষ্ঠীর স্বায়ত্বশাসনের পথ ত্বরান্বিত করতো। পাকিস্তানি জান্তা কখনো তা চাইনি। পাকিস্তানি আমলে বাঙালি বিবর্ণ থেকে বিবর্ণতর হতে থাকে তাদের ষড়যন্ত্রে আদ্যপান্ত জুড়ে যে বাঙালি বিরোধিতা যে নিপীড়ন তারই ফলশ্রুতিতে বাঙালি জাতীয়তাবোধ ভিত্তিক যে ভাষা আন্দোলনের উন্মেষ সে পথ বেয়ে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে অতিক্রম করে একটি অবিকল্প অর্থপূর্ণ সাংগঠনিক যে রূপ পরিগ্রহ করে তারই নাম বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা। ৬ দফা সর্বোতভাবে বাঙালি রাষ্ট্র পরিকল্পনার একটি রূপকল্প। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x