বহমান সময়

ফজলুল হক

সোমবার , ২৭ মে, ২০১৯ at ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ
67

রাজনীতিতে প্রেম- অপ্রেম
(এক)
আমি লেখার টেবিলে, কাগজপত্র গুছিয়ে রাখছি, এ সময়ে দুটি ফোন কল আসে। একজন ফোন করেছে, একটি সংবাদপত্র অফিস থেকে। সে সাংবাদিক বলে নিজের পরিচয় দেয়। আরেকজন ফোন করেছে, সে একটি লিটল ম্যাগে ছাপানোর জন্য আমার একটি লেখা চাচ্ছে, বরই গাছের কাছে পেয়ারা চাওয়ার মতো। বোঝেন নাই? আমি সংবাদপত্রে কলাম লিখি। যাকে আপনারা বলেন, উপ-সম্পাদকীয়, পোস্ট এডিটোরিয়াল। লিটল ম্যাগের সম্পাদক আমাকে ফোনে বলছে, “স্যার, আপনি কি অভি হোসেন আলম স্যার? সাহিত্যিক, কলামিস্ট, কবি, ছড়াকার, গল্পকার, ঔপন্যাসিক ও আলোকিত মানুষ- অভি হোসেন আলম?” এবার সে বলছে, “স্যার, আমি একটা লিটল ম্যাগ সম্পাদনা করি। হয়ত আপনি আমার নাম শুনে থাকবেন। আমি আসাদ, কবি আসাদ।” এরপর সে আসল কথা বলে, “স্যার, দশ রোজার মধ্যে আমার ম্যাগে ছাপানোর জন্য আপনি আমাকে একটা ‘মিনি গল্প’ লিখে দিন।” আমি অবাক, ‘মিনি গল্প’ আবার কি? ছোট গল্পের কথা শুনেছি। মিনি গল্প তো কখনো পড়ি নাই?” আমি মনে মনে বলি, তুমি বরই গাছের কাছে পেয়ারা চাচ্ছো? বরই গাছে পেয়ারা ধরে না। ছোট গল্প নিয়ে লেখাপড়া করতে গিয়া- মপাসা পড়েছি। আন্তন চেখভের প্রায় সব কটি গল্প পড়েছি। যেমন ধরুন, “দুচেশকা” পড়েছি। সাদাত হাসান মানটোর গল্প পড়েছি, ঠান্ডাগোস্ত, শালগম। রবীন্দ্রনাথ পড়েছি। হৈমন্তী তো আমাদের পাঠ্যবই ছিল। কিন্তু ‘মিনি গল্পের’ বিষয়ে তো আমি ঠন্‌ ঠন্‌। কবি আসাদ এটা জানে না? কবি আসাদ আমার সম্পর্কে কতটুকু জানে? অভি আলম প্রচারসর্বস্ব কবি- এটা জানে? অভি আলম নিজে নিজেকে গালি দেয়, এটা জানে? অভি আসলে কবি না। আগেই বলেছি, দুটি ফোন কলের মধ্যে অপর কলটি এক সাংবাদিকের। সে বলল, আপনি কি অভি আলম স্যার? আমি বলি, হ্যাঁ। সে বলে, স্যার, আপনি বিখ্যাত কলামিস্ট। চট্টগ্রামের পত্রিকা পাঠক খবরের কাগজ খুলে চতুর্থ বা ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় আপনার নাম খোঁজে। যে প্রসঙ্গে আপনাকে ফোন করা, সেটা হলো, সম্প্রতি দুজন নামকরা মানুষের দুটি রাজনৈতিক বিবৃতিতে আপনার নাম উঠে এসেছে। দু’জনেই অনলাইন মাধ্যমে তাদের বক্তব্য ও মন্তব্যে আপনার নাম উল্লেখ করেছেন। অনলাইন মাধ্যমের এই বক্তব্য- পাল্টা বক্তব্য আপনার নজরে এসেছে? আপনি অনেক নামকরা লেখক। যদিও আপনি নিজের বদনাম নিজে করেন। নিজেকে নিজে গালি দেন। নিজে নিজেকে দুর্বল লেখক, অ-লেখক, ইত্যাদি বলেন। স্যার, অনলাইন মিডিয়ার বক্তব্য নজরে এসেছে? স্যার, আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর না দেয়ার জন্য, না জানার ভান করবেন? অভি হোসেন আলম বল্লেন, না জানার ভান করব না। নজরে এসেছে। কিন্তু বাধ্য হয়ে ওই ব্যাপারে আমাকে মৌনতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। দুজনের একজন পেশাজীবী নেতা। পেশাজীবী নেতাদের কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্ক থাকে। নিরপেক্ষ কোন পেশাজীবী আমি দেখি না। নিরপেক্ষ থাকতে চাইলে বিপদ। এই দল বলবে, সে ওই দলের দালাল। সে স্বাধীনতা বিরোধী। অন্য দল বলবে, সে সুবিধাবাদী, দলকানা। সাংবাদিক বলল, অভি আলম স্যার, ওই পেশাজীবী নেতার সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? অভি বলেন, কেমন আবার? সে আমার পুত্রতুল্য। আমি তাকে পুত্রবৎ জ্ঞান করি। একটা উদাহরণ দেবো? রোজাতে একটি দৈনিক পত্রিকার ইফতার মাহফিলে যাই। বড় হল ঘরে বিশাল আয়োজন। আমাকে তো বেশি লোকে চেনে না। আমি এক কোণায় টেবিলে বসে, ইফতারি ঠিক ঠাক করে নিই। রোজাদারের কাছে ইফতার অমৃত বৎ। পুত্রবৎ পেশাজীবী নেতা তার মোহনীয় চেহারা নিয়ে আমার সামনে আসে। আপনি এখানে কেন? উঠেন। আমার সাথে আসেন। হলের অন্য প্রান্তে গোছানো একটা টেবিলে দামি দামি খাবার। ওটা ভিআইপিদের জন্য। সে ওখানে আমাকে বসায়। বলে, আমাদের সকলের মুরুব্বিকে নিয়ে এসেছি। চাটগাঁ কি মুরুব্বি ছাড়া নাকি? স্যার আমাদের জীবন্ত কিংবদন্তী। সে এবার আমার দিকে তাকিয়ে বলে, স্যার, আপনার এই ছেলে আপনার পাশে বসবে। আপনি দুই হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন। আমি কলার খোসা খুলে, লিচুর খোসা ছাড়িয়ে খাবার ছোট ছোট টুকরা করে আপনাকে খাইয়ে দিব। অন্তত আজকের দিনটায় আপনাকে কষ্ট করতে দিব না। জান? ওই দিন আমি হাতে ইফতারি খাইনি। সে আমাকে খাইয়ে দিচ্ছিল। এটা আপনার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। দুনিয়া রহস্যে ভরা। এখানে অবিশ্বাস্য অনেক কিছু ঘটে। আমার এক সহকর্মী ওই টেবিলে ছিলেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাকে বলেন, আলম? কি হে? তোমাকে এত যত্ন করে প্লেট থেকে তুলে খাওয়াচ্ছে, টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে দিচ্ছে, চশমা ঠিক করে দিচ্ছে, বুকে ন্যাপকিন লটকে দিচ্ছে, আমাকে খাওয়াচ্ছে না কেন? আমি কি বানে ভেসে এসেছি? ওই টেবিলে দুই মন্ত্রী ছিলেন। একজন বল্লেন, এতদিন রাজনীতি করলাম, কেউ তো খাইয়ে দিল না? কবির কি সম্মান রে বাবা? কেন কবি হলাম না? (কবি আলম, আপনার তুলনা খুঁজে পাচ্ছি না।) অন লাইন মাধ্যমে বিতর্কে লিপ্ত হওয়া দুজনের মধ্যে অন্য আর একজন এক বিখ্যাত পলিটিশিয়ান। চাটগাঁতে এখন তার অবস্থান শীর্ষ দু একজনের মধ্যে বলা যায়। সে ভাল লেখাপড়া জানে, ত্যাগী এবং আপোষহীন। গত রমজানে তার সাথে আমার প্রেস ক্লাবের সামনে দেখা হয়। আমি গিয়েছিলাম, বাতিঘরে জাঁ পল সাত্রের ট্রায়ো-নোভেল কেনার জন্য। আমি তখন আবুল মনসুর আহমদের প্রথমা প্রকাশিত একটা বই কিনেছি, পাশে তাকিয়ে দেখি, ওই রাজনৈতিক নেতা। আমি বলি, বাবা, তুমি এখানে কি করছ? পলিটিশিয়ান আগের যুগের হলে ধরে নিতাম, তিনি বই পড়েন। এযুগের নেতারা বই পড়ে? সে বলে, যে যে বই কিনবেন, তা বেছে দীপংকরকে দেন। আমি সব বই আপনার বাসায় পৌছে দেব। হ্যাঁচকা টান দিয়ে সে বলে- এখন আমার অফিসে আসেন- বসেন। আমরা থাকতে আপনাকে এত কষ্ট করতে হবে কেন? আঁরা কি ফুডের খুঁডা? তিন তলায় আমাকে তার অফিসে বসিয়ে তার এক কর্মীকে চিটাগাং ক্লাবে পাঠায়। আসার সময় দেখি, আমার গাড়িতে যায়গা নেই। সব নানা কিসিমের ইফতারি প্যাকেট। আমি নিজেকে নিজে পিট চাপড়ে দিই, অভি আলম, তুমি ধন্য। তুমি যে আস্ত গাধা- এটা ওরা বোঝে না। না পলিটিশিন, না প্রফেশনাল জানে, কবি আলম ভুয়া কবি। ভেতরে মাল নাই। আমি সাংবাদিককে বল্লাম, ওরা দুজন খুবই ভাল মানুষ। আমি দুজনকেই পছন্দ করি। ওরা রাজনৈতিক আদর্শের দিক থেকেও ভিন্ন নয়। ওদের হওয়ার কথা হরিহর আত্মা। রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক বিতর্কে লিপ্ত হওয়া রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতাদের জীবনের অংশ। দিনে ওরা পরস্পরকে গালি দেয়। রাতে- হোটেল রেডিসনে এক টেবিলে বসে ডিনার খায়। এখন সরকারি দল আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ভাবে অনেক শক্তিশালী। বিরোধী দলগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে। সরকারি দল সমর্থিত পেশাজীবী নেতারা নিজেদের মধ্যে কিংবা সরকারি দলের নেতার সাথে মাঝে মাঝে বিরোধে না জড়ালে পলিটিক্সকে পানসে মনে হবে। কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি- যেমন, ওরা সে রকম কখনো ঝগড়া করে, কখনো এক চাদরের তলায় শুয়ে গলাগলি করে। কখনো বন্ধু, কখনো শত্রু। তারা যুদ্ধ করে- যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা। সে আমাকে, আমি তাকে করি অবহেলা। সাংবাদিককে বল্লাম, তুমি আমার মন্তব্য চেয়েছো না? তুমি লিখে দিও, ওই পেশাজীবী নেতা এবং রাজনৈতিক নেতাকে একই দিনে আমি আমার বাসায় দাওয়াত করলাম। ওরা ওদের সমর্থকদের নিয়ে আমার বাসায় আসুক। চা টা পান করুক। আমি ওদের বলব, তোমরা ঝগড়া কর না। মিলেমিশে থাকো। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। যারা তোমাদের শত্রু তারা চান্স পেলে কখনো তোমাদের ছাড় দেবে না। কখনো ঝগড়া, কখনো ভালবাসা ইট ইজ পার্ট অফ লাইফ। ওরা আমার কাছে আসুক, আমি দুজনের মাথায় ফু দিব। দেখবা, মিল মহব্বত কাকে বলে। তবে হাদিয়া লাগবে। মিল মহব্বত সুনিশ্চিত। কেউ ঝগড়া বাড়াইওনা। সুখে থাকলে কাউকে কাউকে ভুতে কিলায়।
(দুই)
ম্যাগের সম্পাদক- আমাকে মিনি গল্প লিখতে বলেছে। ভাবছি, আমি তো লিখতে পারবোনা। আমার আত্মীয়া মিনিকে ফোন লাগালাম। সে বল্ল, চাচা, ফেসবুক খুলুন, অনেক গল্প, জোক্‌স পাবেন, পড়তে থাকুন। আর যদি না পান, তাহলে- লিখে দিন, “বনের ভেতর দিয়া যাচ্ছিল রাম। বিধি বাম। বাঘ এল, হুম-হাম। বাঘের পেটে গেল রাম।” চাচা, পাইছেন মিনি গল্প? আমি বলি, মিথ্যা কথা লিখব? মিনি বলে, ঘটনা মিথ্যা। সব মিনি গল্পই মিথ্যা। কিন্তু চাচা, বাঘে মানুষ খায়, এ ম্যাসেজ তো সত্য? অভি বলে, তাইতো?
(তিন)
বিয়ে হলে বাসর রাত হয়। এই রাতে কেউ কাঁদে? কাঁদে না। কিন্তু ইভা কাঁদছে। কি থেকে কি হয়ে গেলো? মনুর সাথে বিয়ে হয়েছে, মনুকে মন থেকে মেনে নিতে পারবে না। বাসা থেকে বৌ সেজে আসার সময় একটা চাকু নিয়ে এসেছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে মনুর বুকে বসিয়ে দেবে। যা হবার পরে হবে। মনুকে সে বিয়ে করতে চায়নি। বাধ্য হয়ে কবুল বলেছে। কিন্তু মনু বাসর ঘরে আসছে না। রাত অনেক হয়েছে। ওই তো কে যেন আসছে। ওটা মনু। ইভা শক্ত করে ডান হাতে চাকু ধরে। ডাইরেক্ট বুকে ঢোকাবে। মরলে মরুক। মনু ঘরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দেয়। মনু এগুচ্ছে ইভার দিকে। ইভা সমস্ত শক্তি একত্রিত করে চাকুর বাঁট চেপে ধরে। এ্যাকশন, এ্যাকশন, ডাইরেক্ট এ্যাকশন। এবার মরবি শালা। মনু কাছে যায়, হাত বাড়ায়। শখ কত? বুড়ো ধারীর? কিন্তু না, মনু শুধু কোল বালিশ টেনে নেয়। তারপর উল্টো দিকে শুয়ে পড়ে। অবাক ইভা অনেকক্ষণ স্থির বসে থাকে। লোকটা ঘুমায়নি। ইভা বুঝতে পারে। একটু একটু নাড়াচাড়া করছে। ইভা মাথা কাত করে খাটের অপর প্রান্তে শোয়। তখন ইভা একটা ঘোরের মধ্যে পড়েছে। ও প্রান্ত থেকে কথা ভেসে এলো, “প্রতিদিন এভাবে ঘুমাবে। আমার কাছে ঘেঁষবে না।” ইভা ঘোরের মধ্যে বললো, “তুমিও এদিকে আসার চেষ্টা কর না। ডাইরেক্ট খুন করে ফেলব। নো মার্সি।” মনু বললো, “তোমার মতো খালাম্মার কাছে যাওয়ার রুচি আমার নেই। ঠিক সময়ে তোমার বিয়ে হলে এতদিনে ৫ বাচ্চার মা হতে।” ইভা বলল, “তোমার মতো কাকা মামা টাইপের লোকের সাথে আমি কথা বলিনা। তোমার ভুঁড়ি দেখে আমার বমি আসে। মাথায় দশটার বেশি চুল নেই, গুনে দেখব? বুড়ো ধাড়ি এসেছে বিয়ে করতে।” মনু বলে, “আচ্ছা ঝগড়াটে মহিলা তো? আমি মা বাবাকে খুশি করার জন্য তোমার মতো বুড়িকে বিয়ে করেছি। শোন, একটা মেয়ের সাথে আমার সম্পর্ক আছে।” ইভা বলে, “আমার ও একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। বাবা জোর করে আমাকে তোমার মতো বেল মাথার সাথে বিয়ে দিয়েছে।” মনু বলে, “আহা, আমার জি এফ (গার্ল ফ্রেন্ড) আমার কত প্রশংসা করে? আমি যেন সাকিব খান, ফোন করে বলতো জানু, খাইছ? আমি খেলে তারপর সে খেতো।” ইভা বললো, “আমারো একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক ছিল। সে বলে, আমার সামনে কারিনা কাপুর, মাধুরী, ঐশ্বরিয়া নস্যি।” সে বলে, “ইভো, তুমি যেন হিন্দি সিনেমার নায়িকা।” মনু বললো, “আমার গার্ল ফ্রেন্ডের নাম ইভো, সে কথা বললে, তার মুখ দিয়ে মনি মুক্তা বের হয়। সে বলতো, সরল মনা, তুমি এত ভাল কেন?” ইভা বলে, “আমার বয় ফ্রেন্ডের নাম সরল মনা। ছেলেটা ভাল। আমি শুধু তাকে ফেসবুকে দেখেছি। আমাদের ভালবাসা ছিল যেন যুগযুগের।” মনু উঠে বসে। ‘তুমি কি কুইন ইভো?’ ইভা বলে, “হ্যাঁ, এটা আমার ফেসবুক আইডি।” ইভা বলে, “তুমিই- সরলমনা?” মনু বলে, “এটা আমার ফেসবুক আইডির নাম।” মনু- ইভার হাত ধরলো। ইভা কেঁদে ফেলে। আস, কাছে আস। আর দুরে কেন? (সংগৃহীত ও ঈষৎ পরিবর্তিত। মিনি সাঈদ এর পোস্ট থেকে)
(চার)
এটাকে মিনি গল্প বলা যায়? আমি শিউর না। লিটল ম্যাগ এরূপ গল্প ছাপবে কিনা- জানি না। দুজন নেতা যখন ঝগড়া করেন, দেখে হতাশ হবেন না। ঝগড়া শেষ হলে, দুজনের মধ্যে মিল- মহব্বত হয়েও যেতে পারে। দেখলেন, ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে মিল-মহব্বত হয়ে গেল? কোথাও দ্বন্দ্ব দেখলে, কবি সাহিত্যিক- অভি আলমকে বলবেন। ১০০ পারসেন্ট গ্যারান্টি নেন, মিল মহব্বত হয়ে যাবে। ব্যর্থ হলে? হাদিয়া ফেরত। পলিটিক্স ইজ এন আর্ট। দ্যা আর্ট অফ কম্প্রোমাইজেস। ফরগেট কনফ্লিক্ট।
লেখক : সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, অধ্যক্ষ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

x