প্রাকৃতিক ঔষধি লতা তেলাকুচি পাতা

কেশব কুমার বড়ুয়া : হাটহাজারী

সোমবার , ২২ জুলাই, ২০১৯ at ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
421

এক সময় লতাপাতা ,গাছগাছালী মানুষের রোগ নিরাময়ের মহা ঔষধ ছিল। তখন বর্তমানের মত এতবেশী ডাক্তারী ঔষধ পাওয়া যেত না। তাই মানুষ প্রাকৃতিক গাছগাছালীর উপর নির্ভরশীল ছিল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় মানুষ গাছগাছালী ও লতাপাতার উপর নির্ভরশীলতা হারিয়ে ফেলেছে। বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রস্তুতকৃত ঔষধের উপর মানুষ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। গাছ ও লতাপাতার গুনাগুন যে একেবারে নেই তা নয়।
গ্রামের পথে প্রান্তরে অনাদরে অবহেলায় এক প্রকার লতা জন্মে। এ লতায় সুন্দর ফুল ও ফোটে। আবার পটল তরকারির আদলে এক জাতীয় গোটা ধরে। সুবজ লতায় পাতা সমৃদ্ধ এ তেলাকুচি পাতা মানুষের জন্য মহা ঔষধ। ডায়বেটিস রোগীদের জন্য তেলাকুচি পাতা মহা উপকারী। এ পাতা ডায়বেটিস রোগীরা রান্না করে তরকারি হিসাবে খেতে পারে। পাঁচ মিশালী দিয়ে তেলাকুচি পাতা রান্না করা যায়। ডাল ও আলু মিশ্রিত করে নিরামিষ হিসাবে তেলাকুচি পাতা রান্না করলে খেতে খুব সুস্বাধু। তাছাড়া খালি পেটে তেলাকুচি পাতার রস খেতে পারলে শরীরের জন্য মহাউপকার হয়। এতে করে মুখের রুচি আসে। তাই তেলাকুচি পাতাকে অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই। ডাক্তারী ঔষধের পাশাপাশি তেলাকুচি পাতার তরকারি খাওয়ার জন্য অনেক ডাক্তার ও কবিরাজেরা মানুষকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। এ লতা কোন খানে রোপন করতে হয়না। কোন পাখি তেলকুচির গোটা খেয়ে বীচি মাটিতে ফেলে দিলে লতা জন্মে থাকে। গ্রামের অনেক পরিবারে তেলাকুচি পাতা এখন বলতে গেলে নিয়মিত তরকারি।

x