প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে হবে

বাঁশখালীতে মাস্টার নজির আহমদ স্মরণসভায় মুজিবুর রহমান

বাঁশখালী প্রতিনিধি

বুধবার , ১১ জুলাই, ২০১৮ at ১২:২৯ অপরাহ্ণ
17

বাঁশখালীর শিক্ষাবিদ মাস্টার নজির আহমদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা গত রোববার মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মরহুমের পুত্র ও দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি। মাস্টার নজির আহমদ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. সিদ্দিক আহমদ। সভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদাত ফারুক, পুইছড়ী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মৌলভী মোশাররফ হোসেন, দারুচ্ছালাম সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল, উপকূলীয় ডিগ্রি কলেজের অধ্যাপক আশেক এলাহী, নজির আহমদ কলেজের অধ্যাপক বনশ্রী সেনগুপ্তা, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির প্রমুখ। অধ্যাপক মফিজুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাস্টার নজির আহমদ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক পূর্বদেশ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি বলেন, আমার বাবা একজন শিক্ষক হয়ে অনেক কষ্ট করেছেন। আমাদের কোন ভিশন ছিল না। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারিনি। স্কুলকলেজ অপ্রতুল ছিল। এখন বাঁশখালীর মানুষ দিনে শহরে যায়, বিকালে চলে আসে। দেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এখন প্রযুক্তির যুগ। তবে প্রযুক্তির সুবিধাগুলো গ্রহণ করে অসুবিধাকে ত্যাগ করতে হবে। পিছিয়ে পড়া বাঁশখালীকে কিভাবে অগ্রসর করতে পারি তা নিয়ে কাজ করছি। আমরা এখনো ৫০ বছর পিছিয়ে আছি। বাঁশখালী প্রাকৃতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারিনি। জনসংখ্যা অনুপাতে যে পরিমাণ স্কুলকলেজ থাকা প্রয়োজন তা নেই। মাঠে কৃষিকাজ করতে গেলেও আগামীতে শিক্ষার দরকার হবে। শিক্ষা ছাড়া এগিয়ে যাবার উপায় নেই।

প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সিদ্দিক আহমদ বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করেছিলেন মাস্টার নজির আহমদ। তাঁর সন্তানরা সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

নজির আহমদ কলেজে এখন অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। আগামী একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবেন বলে আমি আশা রাখি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x