প্রচুর উপহার পেয়েছি : ঐশী

বুধবার , ২৮ আগস্ট, ২০১৯ at ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
52

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে চীনে পাড়ি জমিয়েছিলেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে বিজয়ী হতে না পারলেও লড়েছিলেন শেষ পর্যন্ত। দেশে ফিরেই মিডিয়ার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। বেশ কিছু ভালোমানের বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন, মিউজিক ভিডিওর মডেল হয়েছেন। গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে একটি অনুষ্ঠানে মোনালিসা হয়ে উপস্থিত হন ঐশী। মোনালিসার রূপে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন তিনি। পরে মিশন এক্সট্রিম নামে একটি সিনেমাতেও নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। সেই প্রিয় মুখ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর গতকাল ছিল জন্মদিন। এর আগের দিন থেকেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা পেতে শুরু করেছেন ঐশী। কেউ ফোন করে কেউবা ফেসবুকের ইনবঙে, কেউ তার ছবি পোস্ট করে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে কেমন কেটেছে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর জন্মদিন? এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এবারের জন্মদিনে প্রচুর উপহার পেয়েছি। পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছি দিনটি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যেনো জন্মদিনের মতোই সুন্দর হয় সারাটা জীবন।’ ঐশীর বাবার নাম আব্দুল হাই। তিনি একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী। মা আফরোজা হোসনে আরা স্কুল শিক্ষিকা। দুই বোনের মধ্যে ঐশী বড়। গত বছর এইচএসসি পাস করেছেন মাটিভাঙা ডিগ্রি কলেজ থেকে। বই পড়তে ও গান শুনতে ভালোবাসেন তিনি। হুমায়ূন আহমেদের সব সাহিত্যই ভালো লাগে তার। হিমু ও মিসির আলী সিরিজের বইগুলো বেশি পছন্দ করেন। রাজ্জাকের অভিনয় তার খুব ভালো লাগে। বর্তমানে মাঝে মাঝে শাকিব খানের ছবি দেখেন। তার প্রিয় অভিনেত্রীর তালিকায় আছেন শাবানা ও নুসরাত ফারিয়া। আর তার প্রিয় শিল্পী হলেন মিফতাহ জামান। ঐশীর প্রিয় রঙ সবুজ। মধ্যবিত্ত পরিবারের ঐশী এইচএসসি শেষ করে গত বছর জুলাই মাসে ঢাকায় এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করার জন্য। স্বপ্ন ছিল ভালো কোথাও ভর্তি হয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করা। শুরু করেছিলেন আইইএলটিএস কোচিংও। আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন ঐশী। হঠাৎ-ই শোনেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৮-এর আবেদন চলছে। ছেলেবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্যের জন্য অনেক প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।

x