পুলিশের লাথিতে অজ্ঞান পেয়ারা বিক্রেতা

মইজ্জ্যারটেকে তুলকালাম

পটিয়া প্রতিনিধি

মঙ্গলবার , ২০ আগস্ট, ২০১৯ at ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ
1928

দুইটি পেয়ারার দাম ৭ টাকা বলায় নগর ডিবি পুলিশের এএসআই জাহিদ হাসানের লাথিতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন পেয়ারা বিক্রেতা। এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা মইজ্জ্যারটেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক প্রায় আধঘণ্টা অবরোধ করে। এতে দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হয়। পুলিশের পিটুনির পর পেয়ারা বিক্রেতার ‘মৃত্যুর গুজবে’ তুলকালাম কাণ্ড ঘটে যায়। এ সময় পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করতে চাইলে উত্তেজিত জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই পেয়ারা বিক্রেতার নাম মো. আলী (৫০)।
ঘটনাস্থলে থাকা নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) জাহিদুল ইসলাম জানান, কথা কাটাকাটির জের ধরে ডিবির একজন সদস্যের সঙ্গে একজন পেয়ারা বিক্রেতার হাতাহাতি-মারামারি হয়েছে। পেয়ারা বিক্রেতা সম্ভবত আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে গেলে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় ওই পেয়ারা বিক্রেতার মারা গেছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মিল্কভিটার পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন হায়দার জানান, বিক্ষুব্ধ লোকজন প্রথমে এএসআই জাহিদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে মইজ্জ্যারটেক গোল চত্বরের দুই পাশে শতশত জনতা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। এতে উভয়পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশের লাথির আঘাতে পেয়ারা বিক্রেতা সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ঘটনার সময় এএসআই জাহিদকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

x