পাঁচ মিনিটের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ২০ বসতঘর

উজানটিয়ায় টর্নেডোর আঘাত

পেকুয়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার , ১১ জুলাই, ২০১৯ at ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
235

পেকুয়ার উজানটিয়া ইউনিয়নের ফেরাসিঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা শরিয়ত উল্লাহ। সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ চারদিকে অন্ধকার হয়ে দুর্যোগ নেমে এসেছে তার পরিবারের উপর। কিছু বুঝে উঠার আগেই প্রচণ্ড ঝড়োহাওয়া লণ্ডভণ্ড করে দেয় তার ছনের ছাউনি বসতঘরটি। চোখের পলকেই মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে যায় সবকিছু। শরিয়ত উল্লাহর মতো একই পাড়ার আরো ২০টি বসতঘর মাটির সাথে মিশে গেছে। হঠাৎ টর্নেডোর আঘাতে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে এলাকাবাসী।
গতকাল সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ২০ পরিবারের শতাধিক সদস্য খোলা আকাশের নিচেই বসবাস করছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন, মো. কালুর ছেলে আবুল হাশেম ও আবুল হোসেন, মৃত উকিল আহমদের ছেলে জাফর আলম ও নুরুল আলম, মৃত লালমিয়ার ছেলে জালাল মিয়া, আজল আহমদের ছেলে আবদু শুক্কুর, উকিল আহমদের ছেলে শহিদুল ইসলাম, মো. তফিউল হকের ছেলে ওবাইদুল হক, গোলাম রব্বানির ছেলে শরিয়ত উল্লাহ।
পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক টর্নেডোর আঘাতে ২০টি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর মধ্যে বেশি ক্ষতি হয়েছে ১০টির। বাকিগুলো মাঝারি ও আংশিক ছিল। তবে তাদের দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল করিম।
উজানটিয়ার বাসিন্দা এডভোকেট মীর মোশাররফ হোসেন টিটু বলেন, একদিকে বানের পানিতে চরম দুর্ভোগ, তার উপর টর্নেডোর আঘাতে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।
এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব-উল করিম বলেন, বানের পানিতে উজানটিয়া, টৈটং, পেকুয়া, মগনামাসহ কয়েকটি ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

x