পরিবহন বিড়ম্বনা

শুক্রবার , ১১ জানুয়ারি, ২০১৯ at ৪:২৮ পূর্বাহ্ণ
33

মুরাদপুর জংশন টু কোতোয়ালী ভায়া আন্দরকিল্লা-জামালখান, এই রুটটি চট্টগ্রামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। প্রতিদিন এ রুটে হাজার হাজার যাত্রী চলাফেরা করে। এই রুট দিয়ে শহরের বিখ্যাত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আন্দরকিল্লা, হাজারী লেইন, টেরীবাজার, কোরবানীগঞ্জ, আসাদগঞ্জ, খাতুনগঞ্জের ও চট্টগ্রামের আদালতে পৌঁছার একমাত্র সড়ক। যার কারণে এখানে যাত্রী সাধারণের চলাচল খুবই বেশী। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হচ্ছে এ ব্যস্ততম রুট যানবাহনের সংখ্যা স্বল্পতার কারণে যাত্রীদেরকে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মুরাদপুর থেকে আন্দরকিল্লা, টেরীবাজার, লালদিঘি ও কোতোয়ালী আসতে হলে একমাত্র মান্ধাতার আমলের পুরনো লক্কর-ঝক্কর টেম্পো ছাড়া আর কোন পাবলিক সার্ভিস নেই। আবার মুরাদপুর থেকে জামালখান আসতে হলে কোনো সার্ভিস নেই-এখানে ঐতিহ্যবাহী ডা. খাস্তগীর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, শাহ ওয়ালীউল্লাহ ইনস্টিটিউট, সেন্টমেরিজ স্কুল, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ও প্রেস ক্লাব রয়েছে। প্রতিনিয়ত মুরাদপুর হতে ছাত্র ছাত্রীদের জামালখান আসতে হলে রিকশা যোগে অনেক টাকা গচ্ছা দিতে হচ্ছে। অথচ এ রুটে পরিবহন সার্ভিস চালু করার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ উদাসীন রয়েছে। মুরাদপুর জংশন থেকে চকবাজার, জামাল খান, আন্দরকিল্লা হয়ে কোতোয়ালী পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করলে জনসাধারণ ও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াত অনেকটা সুবিধা হতো। বহদ্দারহাট থেকে চকবাজার হয়ে সিরাজউদ্দৌলা রোডে বিভিন্ন পরিবহন চলাচল করে, যার কারণে সেখানে যাতায়াতের তেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না। মুরাদপুর জংশন থেকে যে সমস্ত টেম্পোগুলো প্রতিনিয়ত কোতোয়ালী যাবার কথা, সেগুলো নিয়মিত যাচ্ছে না, এরা চকবাজার ওয়ালিখাঁ মসজিদ পর্যন্ত গিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। এরা যাত্রীদের জিম্মি করে রেখেছে। কারণ এখানে মান্ধাতার আমলে টেম্পোছাড়া আর কোনো সার্ভিস নেই, কিংবা কর্তৃপক্ষ কোন অপশক্তির কারণে এখানে নতুন কোন সার্ভিস চালু করতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের কাছে এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করে মুরাদপুর জংশন থেকে চকবাজার, জামালখান, আন্দরকিল্লা ও কোতোয়ালী পর্যন্ত দ্রুত বাস সার্ভিস চালু করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।
মোশারফ হোসেন রোটন, সাউন্ড হেল্‌্‌থ ক্লাব, বনগবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম।

x