পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব না : ভূমিমন্ত্রী

মঙ্গলবার , ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
83

ভূমি সংক্রান্ত নানা জটিলতা নিরসনে কাজ চলার কথা জানিয়ে তার সুফল পেতে জনগণকে অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তিনি বলেছেন, আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ওভারনাইট আসলে কোনো কিছু চেইঞ্জ করা যায় না। সময় নিয়ে, গ্র্যাজুয়ালি আমরা কাজ করছি। ই নামজারির সক্ষমতা মূল্যায়নে গবেষণার ফল নিয়ে সোমবার মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ভূমিমন্ত্রী। খবর বিডিনিউজের।
জমির নামজারি ২৮ দিনে নিয়ে আসা এবং আগামী মাস থেকে হটলাইন চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সিস্টেম ডেভেলপ করলে আর কোনো ধরনের সমস্যা থাকবে না। কাজের মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরতে আগ্রহী সাইফুজ্জামান বলেন, ‘বেশি কথা বললাম, ডেলিভারি দিতে পারলাম না, তা কিন্তু চাই না। সেবা দেওয়ার জন্য যা যা করার তা করা হচ্ছে।’ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আসলে সিস্টেমটা যতক্ষণ ডেভলপড না হবে, আপনি কোনো কিছু করতে পারবেন না। সিস্টেম যখন চালু হয়ে যাবে তখন কেউ কিছু চাইলেও করতে পারবে না। ভূমিমন্ত্রী জানান, তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া অন্য সব জেলায় এ বছরের ১ জুলাই থেকে ই নামজারি শুরু হয়েছে। ৪৮৫ টি উপজেলা ভূমি অফিস ও সার্কেল অফিস এবং ৩ হাজার ৬১৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে তা বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি জানান, ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৫টি নামজারি আবেদন অনলাইনে দাখিল হয়েছে এবং ৬ লাখ ৫৫ হাজার ২২০টি মামলা অনলাইনে নিষ্পত্তি হয়েছে। এক কোটি ৮ লাখ ১৫ হাজার ৯৩৯ জন সুবিধাভোগী নামজারি সিস্টেম থেকে সেবা পাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ এক প্রশ্নের জবাবে, এটার জন্য ৬১৫২টি ল্যাপটপ, ৪৪৮৭টি প্রিন্টার, ৪৪২৭টি স্ক্যানার, ১৯৪৫টি মডেম, ৪৩৫টি ফটোকপি মেশিনসহ ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল গত তিনটি অর্থবছরে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের এপ্রিল থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত সময়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নামজারি সেবা ও ই নামজারি সেবা প্রদানের বিষয়ে ১৫৫টি উপজেলায় গবেষণা চালানো হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সেবা প্রদানের হার ই নামজারির মাধ্যমে সেবা প্রদানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা ৩৬ শতাংশ বেড়েছে।

x