পটিয়া-চন্দনাইশ যাত্রীদের ভোগান্তি

সোমবার , ১ জুলাই, ২০১৯ at ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
51

বৃহস্পতিবার ও শনিবার চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাসরত পটিয়া-চন্দনাইশ এলাকার মানুষের গ্রামে যেতে ও শহরে আসতে তীব্র ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পটিয়া ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ ব্যবসা বাণিজ্য বা চাকরি অথবা লেখাপড়ার সুবিধার্থে শহরাঞ্চলে বসবাস করছে। তারা সপ্তাহে আবার কেউ কেউ মাসের শেষে বৃহস্পতিবার মায়ার টানে কয়েকদিন মা, বাবা, ভাই বোন, সন্তান সন্ততিদের সাথে কাটানোর জন্য বাড়িতে যায়। কিন্তু বাড়ি যাওয়ার জন্য নতুন ব্রিজের সামনে গেলেই পটিয়া ও চন্দনাইশ এলাকার মানুষ কি যে নাজেহাল বা ভোগান্তির শিকার হতে হয় তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। শুধু তাই নয়, চাকরি বা ব্যবসা বাণিজ্য সংক্রান্ত কাজের জন্য যাদের প্রতিদিন শহরে যাতায়াত করতে হয় তাদের ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবারের এই ভোগান্তি ব্যতিক্রম নয়। সাতকানিয়া চকরিয়ার গাড়ি যেতে দেখা গেলেও দেখা যায় না পটিয়ার একটি গাড়িও। এসব এলাকায় গাড়ি রিজার্ভ যাওয়ার ফলে তারা কাছের মানুষদের তুলতে চায় না। যার ফলে এ সমস্যার সৃষ্টি। ৪-৫টার পরে গাড়ি পাওয়া গেলেও সন্ধ্যার পর থেকে গাড়ির জন্য বিপাকে পড়তে হয় পটিয়া-চন্দনাইশের যাত্রীদের।
বাস পাওয়া গেলেও ডাবল ভাড়া দিয়ে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে বাড়ি ফিরতে হয়। নতুন ব্রিজের সামনে দেখা যায় বাড়ি ফেরার জন্য শত শত মানুষ পটিয়াগামী গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। অনেকে সাতকানিয়া-চকরিয়ার গাড়ি করে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যার যার গন্তব্যে রওয়ানা হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় গাড়ির স্টাফদের সাথে যাত্রীদের ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। শনিবারেও পটিয়া থেকে শহরে আসার সময় যাত্রীদের হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে থাকে। তাই, ভুক্তভোগী যাত্রীদের একটা দাবি, গাড়ি সংকট দূরীকরণের জন্য পটিয়া বাস স্টেশন হতে চট্টগ্রাম বাস টার্মিনাল পর্যন্ত সিটি সার্ভিস করা হলে সময়ের সাশ্রয় হবে। অতিরিক্ত ভাড়া ও ভোগান্তির শিকার হতে রেহাই পাবে। বিষয়টির প্রতি কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
– মনজু মিয়া, দক্ষিণ বাকলিয়া, তক্তারপুল, মিয়াখাঁন নগর, চট্টগ্রাম।

x