নীরব অন্ধত্বের প্রধান কারণ দৃষ্টিনাশী গস্নুকোমা

বিশ্ব গস্নুকোমা সপ্তাহের র‌্যালি উদ্বোধনকালে ডা. রবিউল হোসেন

শুক্রবার , ১৫ মার্চ, ২০১৯ at ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
43

বিশ্ব গস্নুকোমা সপ্তাহ উদ্‌যাপন করেছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ‘আসুন চোখের গস্নুুকোমা নির্ণয় করে প্রতিরোধ করি’-এই শেস্নাগানকে সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ব গস্নুেকামা সপ্তাহ উপলক্ষে পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে এই কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি প্রখ্যাত চড়্গু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন। এ সময় নীরব অন্ধত্বের প্রধান কারণ গস্নুুকোমা উলেস্নখ করে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন বলেন, গস্নুুকোমা মারাত্মক দৃষ্টিনাশী রোগ, চোখের নীরব ঘাতক। গস্নুুকোমা রোগ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যারা চলিস্নশোর্ধ্ব তাদের প্রত্যেকেরই উচিত চোখের যে কোন ধরনের উপসর্গের সুচিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে। হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি বলেন, রক্তচাপের মতো চোখেরও একটি নির্দিষ্ট চাপ থাকে। কোনো কারণে এই চাপ বৃদ্ধি পেলে চোখের অপটিক নার্ভের মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং আসেত্ম আসেত্ম নার্ভটি শুকিয়ে যায়। ফলে দৃষ্টির পরিসীমা কমতে থাকে। একপর্যায়ে চোখ দৃষ্টিহীন হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগী এই রোগের কোনো লক্ষণ অনুধাবন করতে পারে না। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ রোগের তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। একবার দৃষ্টিসীমা কিছুটা নষ্ট হলে সেটুকু আর ফিরেও পাওয়া যায় না। এটি নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গস্নুকোমাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. কামরুল ইসলাম, আইসিওর পরিচালক প্রফেসর ডা. খুরশীদ আলম, আইসিওর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুনিরুজ্জামান ওসমানী, হাসপাতালের গস্নুকোমা বিশেষজ্ঞ ডা. সামস মো. নোমান, কনসালটেন্ট ডা. রাজীব হোসেন, ডা. মো. ফিরোজ খান, ডা. সাজ্জাদ হোসেন খান, ডা. উম্মে সালমা, ডা. দস্তাগীর হোসেন, আইসিওর লেকচারার জুয়ের দাশগুপ্তসহ বিভিন্ন বর্ষের শিড়্গার্থীরা। এছাড়া সাপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচিতে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের দৃষ্টিনাশী গস্নুুকোমা রোগ সম্পর্কে অবগত করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x