নিলাম অযোগ্য ১৩০ কন্টেনার পণ্য ধ্বংস করছে কাস্টমস

আজাদী প্রতিবেদন

মঙ্গলবার , ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ
57

আমদানিকারকরা পণ্য খালাস না করায় দীর্ঘ সময় ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য ১৩০ কন্টেনার পণ্য ধ্বংস শুরু করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। গতকাল সোমবার ১৭ কন্টেনার মেয়াদোত্তীর্ণ, পচে-গলে নষ্ট হওয়া পণ্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) হালিশহর আবর্জনাগারে ফেলে ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে আপেল, কমলা ও নুডলস, পোল্ট্রি শিল্পের খাবার এবং বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্য। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব পণ্য ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে গত ২০১৭ সালে বড় আকারে নিলাম অযোগ্য নষ্ট পণ্য ধ্বংস করেছিল কাস্টমস। সেসময় অবশ্য বেশির ভাগ পণ্য ছিল শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কন্টেনারে করে আমদানি করা। তবে এবার প্রায় দুই বছর পর আবারও বড় ধরনের পণ্য ধ্বংস করার কাজ শুরু করছে কাস্টমস। এবার বিভিন্ন ফলজাতীয় পণ্য ছাড়াও শুকনো ও রাসায়নিক পণ্য আছে। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, আমদানীকৃত পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। এই সময়ের মধ্যে কোনো আমদানিকারক পণ্য সরবরাহ না নিলে তাকে নোটিশ দেয় কাস্টমস। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এই পণ্য সরবরাহ না নিলে তা নিলামে তুলতে পারে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সর্বমোট ৪৫ দিনের মধ্যে নিলামে তোলার এই নিয়ম দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর করতে পারেনি বন্দর ও কাস্টমস। এতে করে বন্দরের ইয়ার্ডে এসব কন্টেইনার পড়ে থাকে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার (নিলাম শাখা) তপন চন্দ্র দে দৈনিক আজাদীকে বলেন, এক বছর থেকে শুরু করে আট বছর আগে আমদানি করা নিলাম অযোগ্য পণ্য জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির দিক বিবেচনা করা ধ্বংস করা হচ্ছে। এর ফলে বন্দরের ইয়ার্ড খালি হবে। চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী দৈনিক আজাদীকে বলেন, কাস্টমসের সিদ্ধান্ত মতে, ১৩০ কন্টেনার নিলাম অযোগ্য পচে যাওয়া আমদানি পণ্য ধ্বংস কাজ শুরু হয়েছে। আশপাশে পরিবেশের ওপর যাতে বিরূপ প্রভাব না পড়ে তাই আমরা এসব পণ্য মাটিতে পুঁতে ফেলছি।

- Advertistment -