নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় বিএনপি

সোহরাওয়ার্দীর জনসভায় ৭ দফা দাবি

ঢাকা ব্যুরো

সোমবার , ১ অক্টোবর, ২০১৮ at ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
572

সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবি দিয়েছে বিএনপি। এসব দাবি আদায়ে অক্টোবরের শুরু থেকেই মাঠে নামছে বিএনপি। ৩ ও ৪ অক্টোবর দেশব্যাপী দু’দিনের কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। গতকাল রোববার বিকালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবিনামা, লক্ষ্য ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন। জনসভায় কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে প্রধান অতিথি করা হয়েছে এবং তার জন্য প্রতীকীভাবে চেয়ার খালি রাখা হয়েছে। বিএনপির ৮ দফা দাবি আদায়ে আগামী ৩ অক্টোবর সারাদেশে জেলায় জেলায় সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকদের স্মারকলিপি দেয়া হবে। ৪ অক্টোবর দেশের মহানগরগুলোতে সমাবেশ ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হবে। এসব দাবি মানা না হলে টানা কর্মসূচি দেয়ার ঘোষণাও দেয়া হয় জনসভায়। বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী দিনের কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে মির্জা ফখরুল বলেন- খালেদা জিয়া আমাদের বলেছেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে। কারণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ছাড়া মুক্তির কোনো উপায় নেই। বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা আমাদের কর্মসূচি শুরু করতে চাই। কারণ এ সরকার আমাদের দেশ, জাতি, সমাজ ও গণতন্ত্রকে শেষ করে দিয়েছে।
তাই এ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করব। আগামী দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি সফল করতে হবে। সরকার ও পুলিশের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, একবার চিন্তা করেছেন যেভাবে মামলা দিচ্ছেন তদন্ত হলে তখন কি জবাব দেবেন ? সবকিছুর জবাব দিতে হবে। এসরকারের নিস্তার নেই, তাদের সব অপশাসনের জবাব দিতে হবে। আসলে সরকার ভয় পেয়েছে। আর সেই জন্য মামলা দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। তাই ভয়ের কারণে বলে সবকিছুতে বিএনপি ষড়যন্ত্র করে। বিএনপির মহাসচিব বলেন, কারাগারে বন্দি খালেদা জিয়া আমাদের সামনে নেই। কিন্তু তাঁর খালি চেয়ার আমাদের সামনে আছে। খালেদা জিয়া আমাদের চোখের সামনে না থাকলেও তিনি আমাদের হৃদয়ের মাঝে আছেন।
বিএনপির ৭ দফা: ১. দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ২. জাতীয় সংসদ বাতিল করা, ৩. সরকারের পদত্যাগ ও সব রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করা, ৪. যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ৫. সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সশস্ত্রবাহিনীর নিয়োগ নিশ্চিত করা, ৬.নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করার বিধান নিশ্চিত করা, ৭. নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ নির্বাচন-প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে তাদের ওপর কোনো প্রকার বিধি-নিষেধ আরোপ না করা। এতে দেশের সব বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে নির্বাচনী ফলাফল চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত চলমান সব রাজনৈতিক মামলা স্থগিত রাখা এবং নতুন কোনো মামলা না দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদান, পুরোনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার না করা, কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সাংবাদিকদের আন্দোলন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বাধীন মতপ্রকাশের অভিযোগে ছাত্রছাত্রী, সাংবাদিকসহ সবার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির নিশ্চয়তা দাবি জানানো হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা এই সরকারকে বাধ্য করব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে, তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে এবং আমাদের যেসমস্ত নেতাকর্মী বন্দি রয়েছে তাদের মুক্তি দিতে। এক যুগ ধরে ক্ষমতাহীন বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় গেলে কী কী করবে, তার একটি ঘোষণাও দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। ঘোষিত ১২ দফায় প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসানে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের কথাও বলেছে খালেদা জিয়ার দল।
ফখরুল বলেন, আমরা যদি জনগণের ভোটে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করাই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। একবছর পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করল বিএনপি। এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বরের জনসভাটিতে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বক্তৃতা রেখেছিলেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ড নিয়ে বন্দি খালেদা জনসভায় না থাকলেও তার চেয়ারটি খালি রাখার পাশাপাশি সমাবেশের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে তার নাম রাখে বিএনপি। জনসভা থেকে প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রতীক হিসেবে দেশনেত্রীর নাম প্রধান অতিথি হিসেবে লেখা হয়েছে। তিনি এখন কারাবন্দি। আমরা তার মুক্তি চাই। মঞ্চের ব্যানারে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবির পাশেই বড় অক্ষরে লেখা ছিল- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। জনসভায় আসা নেতাকর্মীদের মুখেও শ্লোগান ছিল- ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘খালেদা জিয়া এগিয়ে চলো আমরা আছি তোমার সাথে’।
দুপুর ২টায় শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় শেষ হওয়া এই সমাবেশে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি সম্বলিত পোস্টার হাতে অংশ নেন। যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের অনেকের মাথায় ছিল লাল-সবুজ টুপি। জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকে দেশনেত্রীর দেয়া দাবিতে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। আর এই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে হলে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না, জনগণ তা হতে দেবে না। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দলীয় মানসিকতা পরিহার করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান সাবেক এই মন্ত্রী। স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, আজকের পত্রিকায় দেখলাম, এরা (সরকার) মাঠ দখলের কথা বলেন। আমরা বলতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি যদি প্রতিহত করেন, আমরাও আপনাদের প্রতিহত করব। এবার ছেড়ে দেব না। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের মধ্যে ভীতি কাজ করছে, এখন একটা আওয়াজ উঠেছে, জাতীয় ঐক্য হবে। হবে কি, না হবে, আল্লাহই জানেন। সরকার বহু চেষ্টা করছে, যাতে ঐক্য না হয়। হলে ভালো, না হলে ক্ষতি নেই। ঐক্য হোক না হোক, বিএনপিকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।
বিএনপির ১২ লক্ষ্য: ১) রাষ্ট্রের সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে ন্যায় ভিত্তিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন, ২) রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে দলীয়করণের ধারার বদলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, ৩) রাষ্ট্র ক্ষমতায় গ্রহণযোগ্য ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, ৪) স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা নিশ্চিত করা, ৫) স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী ও কার্যকর করা, ৬) গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, ৭) দুর্নীতি দমনে দুর্নীতি দমন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও অধিকতর কার্যকর করা, ৮) সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা বিধান, ৯) ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারো সাথে বৈরিতা নয়’- এই মূলনীতিকে অনুসরণ করে জাতীয় মর্যাদা ও স্বার্থ সংরক্ষণ করে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশ সমূহের সাথে পারস্পরিক এবং সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিনিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, ১০) কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় না দেয়া এবং কোনো জঙ্গী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করতে না দেয়া, ১১) ক. নিম্ন আয়ের নাগরিকদের মানবিক জীবনমান নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বেতন-মজুরি নির্ধারণ ও আয়ের বৈষম্য অবসানে সমতা ভিত্তিক নীতি গ্রহণ এবং সকলের জন্য কর্মসংস্থান, শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার-ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা ও পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্যবীমা চালু, কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, শিল্প-বাণিজ্য ও কৃষির সম্প্রসারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ও আধুনিক করা। খ. স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক এবং উচ্চশিক্ষা সহজলভ্য করতে জীবনমুখী শিক্ষানীতি চালু, প্রযুক্তি-বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে মানব সম্পদের উৎকর্ষ সাধন, জাতীয় উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জীবন, সম্ভ্রম ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গ. তৈরি পোষাক শিল্পের অব্যাহত উন্নয়ন এবং শিল্প ও রপ্তানি খাতকে বহুমুখী করা, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে উন্নয়নের ধারাকে গ্রামমুখী করা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ ও ঝুঁকিমুক্ত করা, প্রবাসী জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতিভার বিকাশ ও তাদের আধুনিক চিন্তা চেতনাকে জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর জন্য শিক্ষা, তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তিখাতকে অগ্রাধিকার দেয়া। ১২) সকল প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসানে জাতীয় ঐক্যমত গঠন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসা, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন, ভোটের সময় সেনা মোতায়েনসহ বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করা হয়। মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুর রহমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আসাদুল হাবিব দুলু, মাহবুবুর রহমান শামীম, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

x