(নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ি)

শারুদ নিজাম

বুধবার , ১৫ মে, ২০১৯ at ৫:২৪ পূর্বাহ্ণ
163

: আমরা হয়তো নিজেরাই জানিনা কতদিন যাবত চেইন সমস্যায় জর্জরিত। একটার পর একটা সমস্যা লেগেই আছে। একটা কাটিয়ে উঠতেই বছর ঘুরে আসে। কোরান বলছে : আল্লাহ কারো প্রতি জুলুম করেন না। তাহলে সমস্যা কাটেনা কেন? কেন যে এত সমস্যা আসে চিন্তাও করিনা। আসলে সমস্যা আসে সমস্যাতেই। পূর্ববর্তী সমস্যার কারণে আজকের সমস্যা। যেমন ঘর হতে বের হতে গিয়ে হুচোট খেয়ে আঙ্গুল ফাটিয়ে এক সপ্তাহ ঘরে বসে অফিস করি কিন্তু কেন হুচোট খেলাম তা যদি চিন্তা করি বেরিয়ে আসে “কপালের চোখ দুটো এ্যাকশনে ছিলনা”। তাই দরজার চৌকাঠ খেয়াল করিনি। অসতর্কতাই প্রধান কারণ। তেমনি বড় বিপদগুলোই আমরা নিজেরা সাদরে ডেকে আনি। আমাদের চলা ফেরা, কথা বার্তা, আচরণে কত মুমিন মানুষ কষ্ট পায়, মানুষের হৃদয় ভাঙ্গে, নীরবে কাঁদে। কেউ সময় ইচ্ছার অপ্রতুলতায় কিছু বলেনা, আবার ভয়ে-সংশয়ে পারিপার্শ্বিকতার কারণে চুপ থাকে। না বোঝার অভিনয় করে। অথচ আমরা উদ্ধত্বতার শিখরে থাকি বলে ঐসব আমলে আনিনা, নজরে পড়েনা, কিংবা খেয়াল ও করিনা। একটার পর একটা, জনের পর জনকে আঘাত করতেই থাকি। কিছুই চিন্তা করিনা। কিছুকাল পর থেকে যখন সীমা অতিক্রম করে বসি সেই আমরাই একের পর এক সমস্যা ভোগ করি। সমস্যার ঠেলায় শুধু বলি কেন আল্লাহ আমারে এত শাস্তি দিচ্ছে? কি করেছি আমি? কার ক্ষতি করেছি? আমরা ভুলে যায় নিকট অতীতে কি করেছি, কার ক্ষেত নষ্ট করেছি। কারণ আল্লাহতো শাস্তি সাথে সাথে দেন না। অবকাশ দিয়ে থাকেন।
অবকাশের সময় দীর্ঘ হতে পারে তাই আমরা নিজেদের করা অপরাধের কথা ভুলে যায়। আল্লাহ কিন্তু ভুলেন না। আল্লাহতায়ালা রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাকে নির্দিষ্ট কর্মফল যথাযথ ভাবে দিয়েই থাকেন। তা ভালো কিংবা মন্দ। কোরানে আল্লাহ বলছেন ” আমি যাহা সংঘটিত করি তাহা আগে লিপিবদ্ধ করি। তাকেই আমরা ভাগ্য বলি, আর ভাগ্যটা লেখা হয় আমাদের কর্মের উপর ভিত্তি করেই। তাহলে কর্মটাই ভাগ্য। যার যেমন কর্ম তার তেমন ভাগ্য এবং তেমন ফল!

x