নারী ও শিশু সুরক্ষায় করণীয় শীর্ষক সেমিনার

মঙ্গলবার , ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
12

সাদার্ন ইউনিভার্সিটি ও মাসিক দখিনার উদ্যোগে সহিংসতা : নারী ও শিশু-সমাজের করণীয় শীর্ষক সেমিনার গতকাল সোমবার ইউনিভার্সিটির মেহেদীবাগ ক্যাম্পাসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাসিক দখিনার সম্পাদক প্রফেসর সরওয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার এম আলী আশরাফ। এতে উপস্থিত ছিলেন, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. শরীফুজ্জামান, আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর এ.জে.এম নুরুদ্দীন চৌধুরী, আইন বিভাগের উপদেষ্টা প্রফেসর মহিউদ্দিন খালেদ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইসরাত জাহান, দখিনার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মুশফিক হোসাইন, দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক আবু তালেব বেলাল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মুহাম্মদ জুলকরনাইন ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ শিক্ষকবৃন্দ।
প্রধান অতিথি বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বর্তমানে একটি সিরিয়াস ইস্যু। গ্রামে সালিশের নামে দোষী ব্যক্তিকে নির্দোষ হিসেবে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রকৃত অর্থে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা সহযোগিতামূলক নয়।
দখিনার সম্পাদক প্রফেসর সরওয়ার জাহান বলেন, নীতি-নৈতিকতার অধঃপতনে আমরা জাতি হিসেবে এখন নিপীড়নের উর্ধ্বগগনে অতিক্রম করেছি। নারী ও শিশু নির্যাতনের মত ঘৃণিত কাজ করতে আমাদের বিবেক বাধাগ্রস্ত হয় না। যেকোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ড করতে আমাদের বুক কাঁেপ না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা। সচেতনার অংশ হিসেবে মাসিক দখিনার ৭ম বর্ষে পর্দাপণ উপলক্ষে সহিংসতা : নারী ও শিশু বিষয়ে ৫৯তম বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ হয়েছে যাতে সমাজের জাগরণ সৃষ্টিতে উদ্দীপনা আসে। আগে নিজের পরিবারকে সঠিক পথে আনতে হবে, তারপর সমাজ। ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধানের পথ খুঁজে বের করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সেমিনারে নারী ও শিশু নির্যাতনের উপর একটি ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেহেনুমা সুলতানা খান। তিনি শিশু অধিকার ফোরাম থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের নারী ও শিশু নির্যাতনের তুলনামূলক হার বিশ্লেষণ করেন। এর আগে বাংলাদেশের নারী ও শিশু নির্যাতন নিয়ে আল-জাজিরা চ্যানেলের একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রচার করা হয়।
প্রফেসর মহিউদ্দিন খালেদ বলেন, সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নারী ও শিশু নির্যাতনে দেশে অনেকগুলো আইন আছে তবে প্রমাণের অভাবে ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়। কুরআনের শিক্ষা ও হযরত মোহাম্মদ (স.) এর আদর্শ অনুসরণ করতে পারলেই এসব পাপাচার এমনিতে কমে যাবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x