নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে

শোক দিবসের আলোচনা সভায় এমপি সনি

বৃহস্পতিবার , ১৫ আগস্ট, ২০১৯ at ৬:০১ পূর্বাহ্ণ
17

নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিস্থ মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের উদ্যোগে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস আলোচনা সভা গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আবু হাসান সিদ্দিকের সভাপতিত্বে ও বিউটিফিকেশনের প্রশিক্ষক পিংকী দেবীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। স্বাগত বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম মহিলা বিষয়ক উপ-পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউন্সিলর আবিদা আজাদ ও ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারু। বক্তব্য দেন, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল ও মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের প্রোগ্রাম অফিসার নীতা চাকমা।
সভায় প্রধান অতিথি বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালে তাঁর নেতৃত্বে এদেশের মানুষ দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে আমরা পেয়েছি একটি মানচিত্র ও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রতিশোধ নিতে পরাজিত শক্তি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ছোট্ট শিশু রাসেল পর্যন্ত বর্বরতম এ হত্যাকাণ্ড থেকে রেহাই পায়নি। নতুন প্রজন্মসহ সবাইকে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে। জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে বিচার হয়েছে, রায়ও কার্যকর হয়েছে। অন্য আসামিদের দেশে এনে রায় কার্যকর সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলমান। যারা একের পর এক ষড়যন্ত্র করে এদেশের ইতিহাস থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম মুছে দিতে চেয়েছিল তারা আজ বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকে তাকিয়ে আছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন অনেকদূর এগিয়ে গেছে। সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক যোগাযোগ ও নারীর ক্ষমতায়নসহ প্রত্যেকটি উন্নয়নসূচক আজ দৃশ্যমান। প্রত্যেক ক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে গেছে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু ও কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণসহ বড়-ছোট অনেক প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। দেশের প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী এক’শ বছর বাংলাদেশ কোন্‌ অবস্থানে থাকবে তা চিন্তা করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রধানমন্ত্রী ডেল্টাপ্ল্যানও করে রেখেছেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে শোককে শক্তিতে রুপান্তর করতে হবে। দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা সকলে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসলে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ, ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x