ধূমপান-মদ্যপান প্রসঙ্গে

শনিবার , ৬ এপ্রিল, ২০১৯ at ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
37

শ্বাস-কাশি, ফুসফুসে সমস্যা, হার্টে সমস্যা, লিভারজনিত সমস্যা আজ অনেকের যেন নিত্য সঙ্গী। শুধু তামাক সেবনের ফলে রোগগুলো মহামারী আকার ধারণ করছে। কেন আজ যুবকরা অযথা টাকা খরচ করে তামাকজাত পণ্য কিনে খারাপ নেশায় জড়িত হচ্ছে? যারা এই ধূমপান করে তাদের কাছ থেকে জাতি আজ যৌক্তিক চিন্তা আশা করতে পারছে না। মদ্য পানের ফলে যুবকরা আজ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। যুব সমাজের এই তামাক সেবন ও মদ্যপানের মতো এ খারাপ নেশা থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার মতো ব্যবস্থা সরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়ন করতে হবে। সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এক সঙ্গে তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সভা সমাবেশ করে এর প্রতিকারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ধূমপান ও মদ্যপানের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার করতে হবে। তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা শিথিল করতে হবে। ধূমপান ও মদ্য পানকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইন পাস করে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। ধূমপান বা অতিরিক্ত তামাক সেবনের কারণেই আজ মানবদেহে এত বড় বড় রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যুবক ছেলেরা হরহামেশা সবার সামনে ধূমপান করছে, কেউ প্রতিবাদ করছে না। মদ্য পান করার কারণে কেউ কেউ আবার অশালীন কাজ করছে। তাই তামাক ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারলেই দেশের যুবকদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তামাক সেবনের ক্ষতিকর প্রভাব ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সবাইকে জানতে হবে তা না হলে একটি সুস্থ মনের সুস্থ জাতি তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই তামাকের অবাধ বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধ করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

– নজরুল ইসলাম অপু, সাধারণ সম্পাদক, বহদ্দারহাট
ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ, বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম।

x