দাঙ্গা রুখতে জরুরি অবস্থা জারির চিন্তা ফ্রান্স সরকারের

সোমবার , ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ at ৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ
56

এক দশকেরও বেশি সময় পর দেখা দেওয়া সবচেয়ে বড় নাগরিক অসন্তোষ ও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একের পর এক দাঙ্গা রুখতে ফ্রান্সের সরকার জরুরি অবস্থা জারির কথা ভাবছে বলে এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। রোববার গণমাধ্যমকে দেওয়া এক মন্তব্যে মুখপাত্র বেনজামিন গ্রিভয় সংকট সমাধানে আন্দোলনকারীদের আলোচনার টেবিলে বসারও আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার প্রতিবাদে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ফ্রান্সজুড়ে সরকারবিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আয়োজিত এসব প্রতিবাদ বিক্ষোভে ট্যাক্সি চালকদের ব্যবহৃত ইয়েলো ভেস্ট পরে অংশগ্রহণ নিচ্ছে প্রতিবাদকারীরা। এ কারণে এই প্রতিবাদটি ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। চরম ডান ও বামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি সহিংস দুর্বৃত্তরাও এই ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে দাঙ্গা সৃষ্টি করছে বলে ধারণা পুলিশের। খবর বিডিনিউজের।
শনিবারও মুখোশ পরিহিত একদল তরুণকে হাতে ধাতব লাঠি ও কুড়াল নিয়ে বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। প্যারিসের রাস্তায় এদিনের সহিংসতায় বেশ কয়েকটি যানবাহন ও ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছি, যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, ইউরোপ ওয়ান রেডিওকে বলেন গ্রিভয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু ও দাঙ্গা মোকাবেলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা নিয়ে রোববার ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ারও কথা রয়েছে। সেখানেই জরুরি অবস্থা জারির বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, বলেন এ সরকারি মুখপাত্র। সহিংসতার জন্য প্রতি সপ্তাহান্তেই বৈঠক করতে হবে, এটা ভাবা যাচ্ছে না, মন্তব্য গ্রিভয়ের। দেশটিতে ১৭ নভেম্বর প্রথম জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

x