দক্ষিণ হালিশহর ৩৯ নং ওয়ার্ড (নারিকেল তলা) ও স্টীল মিলস এলাকায় ওয়াসার পানি চাই

সোমবার , ৪ মার্চ, ২০১৯ at ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ
31

আমরা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ হালিশহর (নারিকেল তলা) ও স্টীলমিল এলাকার অধিবাসী। আমাদের এলাকায় আজ প্রায় ৪/৫ মাস যাবত ওয়াসার পানি নাই। পূর্বে সপ্তাহে ০১ (এক) দিন ২/১ ঘন্টার জন্য গভীর রাতে (রাত আনুমানিক ২টা/৩টা) সামান্য পানি এলেও বর্তমানে কোন পানি-ই নেই। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম ওয়াসার আগ্রাবাদ অফিসের জনৈক প্রকৌশলীর ০১৭১১৩৯৬৪৫৮ নম্বরে এবং আগ্রাবাদ অফিসের ০৩১২৫২৫২৫২ নম্বরে বার বার অভিযোগ করেও কোন সদোত্তর পাওয়া যায়নি। উক্ত নম্বরসমূহে ফোন করলেই তারা “পানি দেব, দিচ্ছি, পাবেন, আপনারা ২০২২ সালের আগে পানি পাবে না” এ জাতীয় কথাগুলো বলেই ফোন রেখে দেন। কিন্তু বাস্তবে আমরা এক ফোঁটা পানিও পাচ্ছি না অথচ গরহরসঁস বিলের নামে এলাকার শত শত গ্রাহক হতে পানি না দিয়েই চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করে যাচ্ছে। অন্যদিকে একই পাইপ লাইনে অবস্থিত আমাদের অগ্রবর্তী সিম্যান্স হোস্টেল, মাইলার মাথা, সি.ই.পি. জেড. বন্দরটিলা, নেভী হাসপাতাল গেইট, সিমেন্ট ক্রসিং (এম.ই.এস গেইটের সম্মুখবর্তী) এলাকার গ্রাহকগণ সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাজার হাজার গ্যালন ওয়াসার পানি সবার চোখের সামনে নির্বিঘ্নে অবৈধভাবে বিক্রয় করে যাচ্ছে। ইপিজেড এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গণ শৌচাগার থেকেও নিয়মিত অবৈধভাবে পানি বিক্রয় করা হচ্ছে। উল্লেখ্য এলাকায় বহুলভাবে প্রচারিত যে ওয়াসার সংশ্লিষ্ট লাইনম্যানগণ অবৈধ পানি ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজস করে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে তাদের পছন্দমত এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য গেইট বাল্ব অল্প খুলে পানির প্রেসার কমিয়ে কিংবা এক এলাকার গেইট বাল্ব খুলে অন্য এলাকার গেইট বাল্ব বন্ধ রেখে পানির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যেন অত্র এলাকায় সরবরাহকৃত ওয়াসার সমস্ত পানিই অবৈধ পানি ব্যবসায়ীদের অধীনে চলে গেছে।
অতি ঘন বসতি পূর্ণ অত্র এলাকায় পানির স্তর স্বভাবতই অনেক নীচে বলে এলাকার অগভীর নলকূপ গুলোতে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। যাও পাওয়া যাচ্ছে তা অত্যধিক আয়রণ যুক্ত ও লবণাক্ত বলে একেবারই পানের অযোগ্য। তাই পানীয় জলের তীব্র সংকটে এলাকায় চরম হাহাকার, ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মো. মামুন, এলাকাবাসীর পক্ষে।

- Advertistment -