তীব্র যানজটে স্থবির ছিল নগরীর কিছু এলাকা

লালদীঘি মাঠে শোকসভা

আজাদী প্রতিবেদন

সোমবার , ১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ at ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ
243

নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভাকে ঘিরে শহরের কিছু এলাকায় গতকাল বিকালে ও সন্ধ্যায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

শোকসভাস্থল ছিল নগরীর লালদীঘি মাঠ। সভা শুরু হয় বিকেল ৩টার দিকে। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে লোক সমাগম। এক পর্যায়ে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় লালদীঘির মাঠের পশ্চিমের সড়কেও শোক সভায় আসা লোকজন অবস্থান নেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে একদিকে কোতোয়ালী মোড় থেকে নিউ মার্কেট হয়ে কদমতলী ও এর সন্নিহিত এলাকায়। অপরদিকে লালদীঘি মাঠ থেকে সিনেমা প্লেস হয়ে রাইফেল ক্লাব এবং নন্দনকানন এলাকা দীর্ঘক্ষণ যানজটে স্থবির থাকে। আন্দরকিল্লা, সিরাজুদ্দৌলা সড়ক, নজির আহমদ চৌধুরী রোডেও এ সময় ছিল তীব্র যানজট।

এদিকে সভা শেষ হয় সন্ধ্যার একটু পর। ওই সময়ও একসাথে শত শত লোক ঘরমুখী হন। রাস্তায় তখন অতিরিক্ত মানুষের চাপ। দল বেঁধে হাঁটা লোকজনের দখলে তখন সড়ক। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সড়কে গাড়ি চলাচল শহ্মথ হয়ে যায়। এসময় লালদীঘি, কোতোয়ালী, আন্দরকিল্লা, আমতল এবং নিউ মার্কেট এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে দেখা গেছে, শোক সভায় আসা লোকজন হেঁেট হেঁটে সিনেমা প্লেস, শহীদ মিনার হয়ে শাহ আমানত মার্কেট সংলগ্ন সড়ক হয়ে আমতলের দিকে যাচ্ছেন। এসময় ওই সড়কে যানজট দেখা গেছে। রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে আটকা পড়ে যানবাহন। এর প্রভাব পড়ে আমতল থেকে লাভ লেইন হয়ে কাজীর দেউড়ি পর্যন্ত এলাকায়।

এদিকে যানজট এবং অতিরিক্ত মানুষের চাপ এই দুই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মনগড়া ভাড়া দাবি করতে দেখা গেছে রিকশা ও সিএনজি চালকদের। আমতল থেকে চেরাগী পাহাড় পর্যন্ত স্বাভাবিক সময়ে রিকশা ভাড়া ২০ থেকে ২৫ টাকা নেয়া হলেও গতকাল সন্ধ্যায় দাবি করা হয় ৪০ থেকে ৫০ টাকা। একইভাবে একই পথে সিএনজি ভাড়া ৫০ টাকার স্থলে ১শ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয়।

x