তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়বে মেধাবীরা

হাসান আকবর

বৃহস্পতিবার , ১৮ জুলাই, ২০১৯ at ৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ
165

চট্টগ্রামের ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কিংবা ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ভর্তির ক্ষেত্রে অতীতের চেয়ে অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে টিকতে হবে চট্টগ্রামের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী মুখগুলোকে। এইচএসসি পরীক্ষার গতকাল ঘোষিত ফলাফলে চট্টগ্রামে এবার সাম্প্রতিক সময়ের সর্বোচ্চ সংখ্যক ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর আগে গত সাত বছরের রেকর্ডে এত বিপুল সংখ্যক জিপিএ-৫ পাওয়ার রেকর্ড নেই।
গতকাল ঘোষিত ফলাফলে চট্টগ্রামে পাসের হার ৬২.১৯ শতাংশ। পাসের হার অন্যান্যবারের চেয়ে কিছুটা কম হলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বেশি। এবার চট্টগ্রামে সর্বমোট জিপিএ -৫ পেয়েছে ২ হাজার ৮৬০ জন। এরমধ্যে ১ হাজার ৪৪৮ জন ছাত্রী এবং ১ হাজার ৪১২ জন ছাত্রী। গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল মাত্র ১ হাজার ৬১৩ জন। এক বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে উন্নীত হওয়ায় মেধাবী মুখগুলোকে বড় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হবে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন কলেজের এসব ছাত্রছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজের আসন জয় করতে হবে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্যে গত সাত বছরের রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৩৯১ জন, ২০১৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ হাজার ২৫৩ জন, ২০১৫ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ হাজার ১২৯ জন, ২০১৪ সালে ২ হাজার ৬৪৬ জন এবং ২০১৩ সালে ২ হাজার ৭৭২ জন। সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক জিপিএ-৫ পেলেও এবার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম। গতবছর পাসের হার ছিল ৬২.৭৩ শতাংশ। ২০১৭ সালে পাসের হার ছিল ৬১.০৯ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৬৪.৬০ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৬৩.৪৯ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৭০.০৬ শতাংশ এবং ২০১৩ সালে ৬১.২২ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষায় পাস করেছিল।
অন্যান্য বোর্ডের তুলনায় পাসের হার কম হলেও জিপিএ-৫ প্রাপ্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট একজন শিক্ষাবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, পাসের হার বাড়েনি। গত ক’বছর ধরে চট্টগ্রামে পাসের হার এক বিত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

x