ডা. প্রণব কুমার চৌধুরীর গুচ্ছ কবিতা

শুক্রবার , ৯ নভেম্বর, ২০১৮ at ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
14

স্রষ্টা
স্রষ্টা আমাদের ভোলানাথ
বিপুল খুশিতে মহানন্দে আকাশে- মহাকাশে
সূর্য-তারা সৌরঘুড়ি ওড়ানোতে মহাব্যস্ত
পৃথিবী মাটির রাস্তার ধারে ছিন্ন কংকাল শিশু
কার হাতে ভার ন্যস্ত!
অবয়ব
হে আলোক দেবতা সূর্য
প্রভাত চোখে ছড়িয়ে দাও আলোর পর্দা
আর তা গুটিয়ে নিলে ডুবে যাই অন্ধকারে
হে অনন্তকাল- ধাবমান অসীম মহাশূন্য
তবে কি আঁধারে রঙীন তোমার অবয়ব!
হাসি দিবস
পৃথিবীতে একটা আন্তর্জাতিক ‘হাসি দিবস’ হোক্‌
ধরায় কেবল মানুষ-ই হাসতে পারে যেহেতু,
মানবিক হাসির আকার্ইভিং থেকে
কতক মানবীর ওষ্ঠযুগল যেন ভাস্কর্যের গড়া
তাতে ‘হাসি ফুল’ ফোটে- সৌন্দর্যের দিগন্তে।

রূপ
রুপ এর কাছে আছি করজোড়ে ছোটবেলা থেকে
যেন আমাকেই দেখাবে বলে এসে পড়তো চোখে
চোখের হাসিতে মুখশ্রীতে। বিমুগ্ধ থেকেছি না বুঝে।
একবার ফুল তুলতে গিয়ে দেখি এ এক প্রজাপতি
আরেকবার প্রজাপতি ভেবে হাতে ধরতে- এ যে ফোটা ফুল
রুপের বিভ্রম এমন-ই।
সুন্দর তেমন করে দৃশ্যমান থাকে না রঙ উল্লাসে
সামগ্রিক বোধ চেতনায় অদৃশ্যে রাঙায়- পূর্ণতায়।
রুপ ও সুন্দরের পার্থক্য মঞ্জুরিত বোঝার বয়সে।

x