‘জাতীয়করণ করতে হবে শিক্ষা ব্যবস্থা’

বুধবার , ৯ অক্টোবর, ২০১৯ at ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
8

শিক্ষকতা পেশাকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে উপযুক্ত মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে শিক্ষা ক্ষেত্রে সামগ্রিক উন্নয়ন প্রচেষ্টা সফল হবে না। তাই সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করন করে শিক্ষকদের মূল্যায়ন এবং মর্যাদা সমুন্নত রাখতে হবে। গত ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) চট্টগ্রাম জেলা কমিটির উদ্যোগে আন্দরকিল্লা সমিতির কার্যালয়ে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রফিক উদ্দিনের সভাপতিত্বে ‘তরুণ শিক্ষক; শিক্ষকতা পেশার ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা একথা বলেন । সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ভবরঞ্জন বণিক। বক্তারা আরো বলেন, আধুনিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান নিয়ামক শক্তি হচ্ছে তরুন শিক্ষক সমাজ। তাঁদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, দক্ষতা, যথাযথ অধিকার মর্যাদা, আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার উপরই শিক্ষা ব্যবস্থার সফলতা নির্ভরশীল। বক্তারা আরো বলেন, আমাদের শিক্ষানীতিতে বাজেটে শিক্ষায় বিনিয়োগ খরচ বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। ফলে শিক্ষাখাত ও শিক্ষকতা পেশা খুবই অবহেলিত। এ পেশায় আর্থিক সচ্ছলতা না থাকার কারণে এবং আগের মতো মর্যাদা না থাকায় তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ পেশা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অবস্থার দিকে তাকালে একথা সহজে অনুধাবন করা যায়। তরুণ শিক্ষকরা যাতে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সম্ভ্রম রক্ষার উপযোগী একটি নির্দিষ্ট মান বজায় রেখে চলতে পারেন তজ্জন্য তাঁদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিতে হবে জীবন যাত্রার ব্যয়ের উঠানামার সঙ্গে সঙ্গতিশীল করে এবং এটা সম্ভব-সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয় করণ করে শিক্ষার আমূল পরিবর্তন ঘটানোর মধ্য দিয়ে।
সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক উত্তম চৌধুরী, বাকবিশিস কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য শিক্ষক নেতা অধ্যাপক কানাই দাশ, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্য্য, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক অজিত দাশ, অধ্যক্ষ আলম আক্তার, উপাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন কণক, অধ্যাপক শ্যামল দাশ, উপাধ্যক্ষ দেবপ্রিয় বড়ুয়া অয়ন, অধ্যাপক অসীম চক্রবর্তী, অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মোরশেদ, অধ্যাপক সবুজ কুমার দে প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

x