জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করুন

ইসলামিক ফ্রন্টের সমাবেশে বক্তারা

রবিবার , ২১ জুলাই, ২০১৯ at ৪:০১ পূর্বাহ্ণ
69

ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খান বলেছেন, জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান সমস্যা। যেকারণে ক্রমশ: জৌলুস হারাচ্ছে প্রাচ্যের রাণী খ্যাত ঐতিহ্যবাহী চট্টলা। অভিশপ্ত জলাবদ্ধতার কারণে নাগরিক জীবনে দুর্ভোগ-ভোগান্তির অন্ত থাকে না। এছাড়া বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে চট্টগ্রামের সুখ্যাতি থাকলেও দৃশ্যত: লাটে উঠেছে ব্যবসা-বাণিজ্য। এক সময়ের বাণিজ্যিক জোন খাতুনগঞ্জ-চাক্তাই এলাকাটি বর্তমানে ব্যবসাশূণ্য বললে কোনভাবেই অত্যুক্তি হবে না। কেননা সামান্য জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় গোটা চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ এলাকা। জলাবদ্ধতার কারণে বন্দরে পণ্য-ওঠানামার ক্ষেত্রে বিঘ্নতার সৃষ্টি হয়ে লেগে থাকে কন্টেইনার জট। যথাসময়ে শিপমেন্ট করতে না পারার কারণে মুখ থুবড়ে পড়ে আমদানি-রপ্তানী কার্যক্রম। এমনকি আগ্রহী অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ হারাবার আশংকায় মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। ফলে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয় সরকার। অতএব অভিশপ্ত জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সি ডি এ’র মেগা প্রকল্পের ন্যায় অপরাপর গৃহীত প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়নের জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণ এযাবতকাল বহুমাত্রিক পদক্ষেপের মুখরোচক বুলি শুনে আসছে। কিন্তু মূলত: তার কার্যকারিতা প্রত্যক্ষ করেনি। অপ্রিয় হলেও সত্য যে, সংশ্লিষ্ট ২টি সংস্থার মধ্যকার সমন্বয়হীনতাই জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পগুলো আলোর মূখ দেখতে পাচ্ছে না।
ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে গতকাল শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে জবরদখলকৃত খাল-উপখাল সমূহকে দখলমুক্ত করে চট্টগ্রামের দুঃখ চাক্তাই খাল সহ সকল খাল উপখালে পরিকল্পিত খনন এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে অনুষ্ঠিত গণমিছিলপূর্ব সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন। ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণমিছিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা কাজী আনোয়ারুল ইসলাম খান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক আলহাজ্ব মাওলানা হাফেজ আহমদ, অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা ছৈয়দ জসীম উদ্দীন তৈয়বী, কে এম নুরুল ইসলাম হুলাইনী। বক্তব্য রাখেন, এম.মহিউল আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মাওলানা রফিকুল ইসলাম নেজামী, আলহাজ্ব এ এম মঈনউদ্দিন চৌধুরী হালিম, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, হাফেজ মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, আলহাজ্ব ইলিয়াছ খান ইমু, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আরিফ উদ্দীন, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মওলানা মোর্শেদ রেজা কাদেরী, মোহাম্মদ নুরুল আবছার, হাফেজ আনোয়ারুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ আহসানুল আলম, কাজী সুলতান আহমদ, রাশেদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল হাসেম রাশেদ, মোহাম্মদ ইমরান উদ্দীন, মোহাম্মদ মোজাহেদুল ইসলাম, হাদিবুল ইসলাম, মোহাম্মদ জুয়েল, মোহাম্মদ রিয়াদ মামুন, মোহাম্মদ আখতারুজ্জমান ও লায়ন শাকিল আহসান প্রমুখ। শেষে জামাল খান প্রেসক্লাব থেকে একটি গণমিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লালদিঘী ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x