জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী কে?

বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন, ২০১৯ at ৫:০৯ পূর্বাহ্ণ
22

বন্দরনগরী চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সিংহ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা চট্টগ্রাম বন্দর এর মাধ্যমে বিগত ৪৮ বছর যাবৎ সকল সরকারকে উপার্জন দিয়ে যাচ্ছে। অথচ দুঃখের বিষয় এই যে, বিভিন্ন দলীয়করণের চাপে ও রাজনৈতিক ছলচাতুরির কারণে এবং বন্দর ভাগ-বাটোয়ারদের কারণে আরো অধিক উপার্জন থেকে বাংলাদেশ সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে কয়েকজন উপদেষ্টা তখন বিভিন্ন সভায় ও সেমিনারে বলেছিলেন সী-পোর্টের কাজ আরম্ভ হবে। কিন্তু অদ্যাবধি তাও হয়নি। বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান করে বাণিজ্যিক রাজধানী করার জন্য একটি কমিটি করে দিয়েছেন। অতীব দুঃখের বিষয় এই যে বিগত ২৪/০৫/২০১৯ ইং তারিখে বৃষ্টির পানির কারণে চট্টগ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। প্রতিটি দৈনিক পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিঙ চ্যানেলে এই জলাবদ্ধতার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। জনগণ কিভাবে কষ্ট পাচ্ছে? এই জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী কে? এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে, যদি বৃটিশ সরকারের আর.এস জরিপের খাল-বিল-নালা-পুকুর-জলাশয় কতগুলো ছিল? তারপর পরাজিত পাকিস্তান সরকারের পি.এস জরিপে কতগুলো ছিল? বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জরিপে কোন কোন জায়গায় খাল-বিল-নালা-পুকুর-জলাশয় ছিল? সেগুলো সঠিক তদন্ত ও পুন: জরিপ পূর্বক সনাক্ত করণ সম্ভব হবে এবং ভূমি বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ওয়াসা, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর সমন্বয়ে উক্ত পানি চলাচলের জায়গা গুলি সনাক্ত করে পুন: জরিপ করলে বের হয়ে আসবে কে বা কারা নামজারী খতিয়ান সৃজন করে উক্ত পানি চলাচলের জায়গায় শিল্প-কারখানা, অপরিকল্পিত মার্কেট নির্মাণ, বহুতল ভবন, আবাসিক কলোনী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে পানি চলাচলের বাধা সৃষ্টি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।
মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, কুতুবউদ্দিন চৌধুরী, রাখাল চন্দ্র চক্রবর্তী, এম. এ. ছাত্তার ও মোহাম্মদ রফিক, পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

x