চেঙ্গী নদীর ভাঙন প্রসঙ্গে

শুক্রবার , ১২ অক্টোবর, ২০১৮ at ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
13

গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং তারিখে দৈনিক আজাদীর ১০ম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘চেঙ্গী নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি’ খাগড়াছড়ির দৈনিক আজাদীর সংবাদদাতা সমির মল্লিক এর ছবি ও লেখাটি সত্যিই করুণ। এর বাস্তব কত মর্মান্তিক ও ভয়াবহ একমাত্র ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে পারেন। খাগড়াছড়ির আজাদীর প্রতিনিধিকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। জানা যায়, খাগড়াছড়ির মাইনি ও চেঙ্গী নদীর পাড়ের মানুষের দিন কাটছে ভাঙন আতঙ্কে। চেঙ্গী নদীর তীরবর্তী গঞ্জ পাড়া, রাজ্যমনি পাড়া, বটতলী এলাকার বাসিন্দারা এখনো ভাঙন আতঙ্কে। অনেকে তাদের ভিটে মাটি হারিয়ে অন্যত্র বসতি গড়েছে। ভাঙন থাকলে পুরো গ্রামটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
বিগত কয়েক বছর চেঙ্গী নদীর অব্যাহত ভাঙনের ফলে নদী পাড়ের অধিবাসীদের বহু ঘর বাড়ি, গাছপালা, ফসলি জমি, রাস্তা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অনেকে ভিটে মাটি হারানোর আতঙ্কে নির্ঘুম জিম্মি দশায় দিন কাটাচ্ছে। নদীর ধ্বংসযজ্ঞ যে কত ভয়াবহ স্বচক্ষে না দেখলে তার প্রলয়ঙ্করী রূপ বুঝা যায় না। চেঙ্গী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে একদিকে বিলীন হচ্ছে গ্রামটি অন্যদিকে ছোট হয়ে আসছে খাগড়াছড়ি মানচিত্র। ইতোপূর্বে দৈনিক আজাদীতে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হবার পরও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। চেঙ্গীর ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় তা বাস্তবায়নে সার্বিক উদ্যোগ নেয়া হবে। তাই বর্ষার আগে ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এলাকার মানুষের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কমবে না। তাই মাথা গোঁজার ঠাঁই সামান্য বাড়িটুকু রক্ষাকল্পে তড়িৎ ব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। জননন্দিত পত্রিকা আজাদীর খাগড়াছড়ির প্রতিনিধি সমির মল্লিক আলোচ্য প্রতিবেদনটি আদৌ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তির সুদৃষ্টি আকর্ষণ করবে কিনা জানি না।
– এম. এ. গফুর, বলুয়ার দীঘির দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়, কোরবাণীগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

x