চির শিশু – চির কিশোর

ফেরদৌস আরা রীনু

শুক্রবার , ৩০ আগস্ট, ২০১৯ at ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ
25

শৈশব আর কৈশোর — স্বপ্ন দেখার বয়স, কল্পনায় পৃথিবী গড়ার বয়স। সরল শিশুমন খোঁজে নতুন আলো, নতুন আকাশ, নতুন দিগন্ত। পাহাড় পেরিয়ে, অরণ্যের সবুজ হৃদয়ে, সমুদ্রের অতলে ঘুরে বেড়ানোর স্বপ্ন দেখে শিশুমন। আর শিশুদের জন্য লেখা কবিতাই শিশুদের সেই স্বপ্ন দেখার মন্ত্র। এই মন্ত্র দিয়ে শিশুদের দুয়ার খুলে যিনি তাদের স্বপ্নের সেই নতুন আলো, নতুন আকাশ ও নতুন দিগন্তের সন্ধান দিয়েছেন তিনি হলেন আমাদের অত্যন্ত আপনজন দুখু মিয়া–আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
বৈচিত্র্যময় এক বিরল প্রতিভার অধিকারী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তার মধ্যে শিশুসুলভ সারল্য ছিল। শিশুর প্রতি সংবেদনশীল ছিল তাঁর মন। তিনি শিশুদের মধ্যে দেখতে পেতেন অসীম সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল জীবন। শিশুসাহিত্য রচনায় নজরুলের অসাধারণ সাফল্য যে মৌলিকত্বের দাবি রাখে তা বলা বাহুল্য। শিশুমনের সাথে পরিপূর্ণ একাত্ম না হলে, নিজেকে শিশু না ভাবলে শিশুদের জন্য কোনো কিছু লেখা সম্ভব হয় না। শিশুতোষ কবিতা-ছড়া সাহিত্যে এক বিরল স্রষ্টা আমাদের প্রিয় কবি নজরুল। তিনি প্রভাতি, লিচুচোর, ঝিঙে ফুল, খুকী ও কাঠ বিড়ালি, খাঁদু-দাদু, মা, সংকল্প, শিশু জাদুকর, নতুন পথিক, খোকার গল্প বলা, ঠ্যাংফুলী ও পিলে-পটকা, মটকু মাইতি এমন অনেক মৌলিক শিশু কবিতার স্রষ্টা তিনি।
নজরুল ছোটদের জন্য যে কবিতা-ছড়া লিখেছেন তার পিছনে লুকিয়ে আছে নিজের জীবনের কোনো না কোনো ঘটনা। কাঠ বিড়ালির এক ডাল থেকে অন্য ডালে ছুটে চলা। কাঠবিড়ালির পাকা পেয়ারা খাওয়া দেখে কবিরও লোভ হয় খাওয়ার। তাই তিনি লেখেন ‘খুকিও কাঠবিড়ালি’ কবিতাটি। এই কবিতায় শিশুর ভালোলাগার পরিবেশ তৈরি হয়। কবিতাটি কাঠবিড়ালিকে উদ্দেশ্য করে খুকির সাথে কথোপকথনে রচিত। একটি পেয়ারার জন্য খুকীর আগ্রহ, তার প্রত্যাশা, তার আবেগ-অনুভূতির ওঠানামা রচনাটিকে নাটকীয় করে শিশু-কিশোরদের জন্য রসাত্মক করে তুলেছেন। প্রথমে কাঠবিড়ালির সাথে ভাব করে পেয়ারা পাওয়ার চেষ্টা ফুটিয়ে তুলেছে এইভাবে—-কাঠবিড়ালি! কাঠবিড়ালি! পেয়ারা তুমি খাও?/গুড়- মুড়ি খাও? দুধ -ভাত খাও? বাতাবি নেবু? লাউ?/ বিড়াল -বাচ্চা? কুকুর ছানা? তাও?—-আবার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় রাগের প্রকাশ ঘটে এমন ভাবে—-কাঠবিড়ালি! বাঁদরীমুখী! মারব ছুড়ে কিল?/দেখবি তবে? রাঙাদা’কে ডাকব?দেবে ঢিল!
কুমিল্লা জেলায় আকবর নামে কবির এক বন্ধু ছিল। তিনি রোজ বিকালে একগাদা ছড়া নিয়ে হাজির হতেন কবির কাছে। কবির এইসব ছড়া পছন্দ করতে পারতেন না। কারণ এইগুলো সাহিত্য হয়ে উঠতে পারে নি। মানা করা সত্ত্বেও বন্ধু ছড়া নিয়ে আসতেন প্রতিদিন। তাই বন্ধুকে জব্দ করার জন্য লিখলেন “লিচু চোর’। এই রসাত্মক এবং কৌতুকপূর্ণ ছড়াটি বাচ্চাদের হাসির খোরাক জোগায়। এটিতে কবি শিশু-কিশোরদের চুরি করলে শাস্তি পেতে হবে এই নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান করতে চেয়েছেন—–
বাবুদের তাল- পুকুরে/হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া/বলি থাম,একটু দাঁড়া।
পুকুরের ঐ কাছে না/ লিচুর এক গাছ আছে না
হোতা না আস্তে গিয়ে/ য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যে চড়েছি/ছোট এক ডাল ধরেছি,
ও বাবা, মড়াৎ করে/ পড়েছি সড়াৎ জোরে।
শিশুদের মধ্যে ছোটবেলা থেকে যেন দেশপ্রেম জাগ্রত হয়, এই উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছেন তার “পল্লী জননী” কবিতাটি—-এ কি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী-জননী/ফুলে ফসলে কাদা মাটি জলে ঝলমল করে লাবণী।।
রৌদ্রতপ্ত বৈশাখে তুমি চাতকের সাথে চাহ জল/আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে জ্যৈষ্ঠ মাতাও তরুতল।
“প্রভাতী” কবিতায় কবি নজরুল প্রভাতের বর্ণনা করেছেন অত্যন্ত সুন্দর, সাবলীল ও মনোমুগ্ধকরভাবে। কবি নিজেও খুব ভোরে ওঠতেন এবং সকল শিশুদের ভোরে উঠার তাগিদ দিয়েছে এইভাবে আদর করে। এই কবিতাটিতে কবি এমন কতোগুলো শব্দ চয়ন করেছেন যা শিশুদের কাছে পরিচিত না হলেও তারা তা আয়ত্ত করবে সানন্দে উৎসবমুখর ঝরনা ধারার মতো—–“ভোর হলো /দোর খোল/ খুকুমণি ওঠো রে!
ঐ ডাকে / জুঁই শাখে / ফুল খুকি ছোটো রে!
খুকুমণি ওঠো রে!/রবি মামা দেয় হামা/ গায়ে রাঙা জামা ঐ
দারোয়ান/ গায় গান/ শোনো ঐ ‘রামা হৈ!’—-
খুলি হাল/ তুলি পাল/ ঐ তরী চলল,
এইবার/এইবার/ খুকু চোখ খুলল!”
শিশুরা যে ভবিষ্যতে সকল কাজের হাল ধরবে। তারা যে আগামীকালের কর্ণধার। শিশু-কিশোরদের মনে তাদের মতো করেই গভীরভাব জাগিয়ে তোলার ও চেষ্টা করেছেন এই মহান সাহিত্যিক এবং এটি তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন “নতুন পথিক ” কবিতায় এইভাবে—–
“নতুন দিনের মানুষ তোরা/ আয় শিশুরা আয়!/নতুন চোখে নতুন লোকের/ নতুন ভরসায়।”
শিশুমনে যে হাসি-খুশির প্রয়োজন আছে সেইটা নজরুল মন-প্রাণ দিয়ে উপলদ্ধি করতে পারতেন। তাই তিনি লিখলেন—–“অ–মা! তোমার বাবার নাকে কে মেরেছে ল্যাং/ খাদা নাকে নাচছে ন্যাদা-নাক ড্যাঙা-ড্যাং-ড্যাং।”
শিশুমন স্কুলে যেতে চায় না। স্কুলের বাধা-ধরা নিয়ম-কানুনের মধ্যে শিশু থাকতে চায় না। আবার অনেক শিশু শিক্ষকদেরর ভয় করে স্কুলকে অপছন্দ করে। তিনি শিশুর এই স্কুল ভীতি নিয়ে লিখেছেন—– “সেথায় আবার থাকে/ এক যে জুজু, গুরুমশায় বলে তাকে/ নাকের ডগায় চশমা তাঁহার,মাথার ডগায় টিকি/হাতের ডগায় কঞ্চি বাঁশের/ তাই দেখি আর লিখি।”
“শিশু জাদুকর” কবিতাটিতে শিশুর প্রতি কবির মমত্ববোধ স্পষ্ট হয়ে ওঠেছে। এই কবিতাটি নজরুলের বিষ্ময়কর প্রতিভার বহিঃপ্রকাশ। এর ভাব মাধুর্য আমাদের ভাবের জগতে নিয়ে যায়। এই শিশুতোষ কবিতাটি নজরুল চট্টগ্রামে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী হাবিবুল্লাহ বাহারের বাসায় একটি শিশুকে কোলে নিয়ে রচনা করেন—-“পার হয়ে কত নদী কত যে সাগর/ এই পারে এলি তুই শিশু জাদুকর!/কোন রূপ-লোকে ছিলি রূপকথা তুই/ রূপ ধরে এলি এই মমতার ভুঁই।”
“ঝিঙেফুল” কবিতাটি আকাশ পিয়াসি কবিকে মৃন্ময় করে তোলে। প্রকৃতির এক সাধারণ জিনিস ঝিঙেফুলকে কবি তার কবিতার বিষয়বস্তু করে অসাধারণ রূপ দিয়ে উপস্থাপন করেছেন। ঝিঙে তরকারির দিকে সবার আকর্ষণ থাকলেও এর ফুলের দিকে কেউ তেমন চোখ রাখে না। ঝিঙেফুলের অসাধারণ সৌন্দর্য কবির চোখকে তৃপ্ত করে। তাই তো কবি ঝিঙেফুলের সৌন্দর্যকে শিশু-কিশোরদের জন্য লোভনীয় করে তুলেছেন যা আমাদের কল্পনাকে ছাড়িয়ে গেছে—-“ঝিঙে ফুল! ঝিঙে ফুল!/ সবুজ পাতার দেশে ফিরোজিয়া ফিঙে-কুল/ ঝিঙে ফুল/
গুল্মে পর্ণ/লতিকার কর্ণে/ ঢল ঢল স্বর্ণে/ ঝলমল দোলে দুল-/ঝিঙে ফুল।”
(২য় অংশ)কবি নজরুল উপলব্ধি করেছেন শিশুমন কল্পনা জগতে সারাক্ষণ হাবুডুবু খায়। তাই শিশু কল্পনার রথে চড়ে উড়ে যেতে চায় সূর্য্যি মামার আগে। কবি “খোকার সাধ”কবিতায় শেখালেন সূর্যকে মামা ডাকতে। এই কবিতায় তিনি আরো শেখালেন অতি ভোরে পাখির কিচিরমিচির শব্দের সাথে সাথে ঘুম থেকে জাগতে। কেননা সকালে ভোরের স্নিগ্ধ প্রকৃতিতে বিচরণে সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়।এই ছাড়া মা ও সন্তানের মাঝে যে বিচিত্র, মধুর সম্পর্ক তা উজ্জ্বল রঙে ফুটিয়ে তুলেছেন এই কবিতাটিতে—–“আমি হব সকাল বেলার পাখী/ সবার আগে কুসুম -বাগে/ উঠব আমি ডাকি!/সূর্য্যি মামা জাগার আগে/উঠব আমি জেগে/ হয়নি সকাল, ঘুমো এখন / মা বলবেন রেগে।
“” কবিতায় কবি যে প্রতিজ্ঞার কথা বলেছেন তা প্রতিটি শিশুর শৈশবের কল্পনায় বিরাজ করে। এই কবিতাটিতে তিনি শিশুর মুক্ত স্বাধীন সত্তাকে কে জাগিয়ে দিয়েছেন। অজানাকে জানার, অদেখাকে দেখার কৌতূহল মানুষের মধ্যে শিশুকাল থেকেই। কবি শিশুদের চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে বাইরের জগতে পরিভ্রমণ করে জ্ঞান অন্বেষণ করার তাগিদ দিয়েছেন—–“থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে, দেখব এবার জগৎটাকে,–/ কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে।/ দেশ হতে দেশ দেশান্তরে/ ছুটছে তারা কেমন করে/ কিসের নেশায় কেমন করে মরছে যে বীর লাখে লাখে/কিসের নেশায় করছে তারা বরণ মরণ- যন্ত্রণাকে।” শিশু-কিশোররা যে শিক্ষাযন্ত্রের মুখস্ত বিদ্যার যাঁতাকলে নিষ্পেষিত এবং পড়া না পারলে শিক্ষক দ্বারা শাস্তি প্রাপ্ত হয় তার কথা তিনি তুলে ধরেছেন “তালগাছ” কবিতায় এইভাবে—-ঝাঁকড়া চুলো তালগাছ, তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই/আমার মত পড়া কি তোর মুখস্ত হয় নাই/ আমার মতো এক পায়ে ভাই/দাঁড়িয়ে আছিস কান ধরে ঠায়/ একটু খানি ঘুমোয় না তোর পণ্ডিত মশায়।। ” আবার তালগাছ যে পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল তা তুলে ধরেছেন কবিতাটিতে এইভাবে—-“তালগাছ তোর পাতার কোলে/ বাবুই পাখির বাসা ঝোলে/কোচড় ভরা মুড়ি যেন দে না দুটি খাই।।”
দুইজন শিশুকে দেখে মজা পেয়ে কবি লিখলেন “মটকু মাইতি বাঁটকুল রায়” কবিতাটি। এই দুই শিশুর একজন ছিল বেঁটে আর মোটা অন্যজন টিনটিনে শুকনো আর ছিপছিপে লম্বা। তাদের দুইজনকে কবি একসাথে প্রতিদিন স্কুলে যেতে দেখতেন—-“মটকু মাইতি বাঁটকুল রায়/ ক্রুব্ধ হয়ে যুদ্ধে যায়/ বেঁটে খাটো নিটপিটে পায়/ছেৎরে চলে কেৎরে চায়/মটকু মাইতি বাঁটকুল রায়।।”
গ্রামে বর্ষাকালে ব্যাঙের ডাক শুনে নাই এমন শিশু খুব কমই আছে। কবিও শিশুকালে নিশ্চয় ব্যাঙের ডাক শুনেছেন। তাইতো তিনি ব্যাঙকে ব্যাঙ্গ করে লিখেছেন”ও ভাই কোলা ব্যাঙ” ছড়াটি—- “ও ভাই কোলা ব্যাঙ/ ও ভাই কোলা ব্যাঙ/ সর্দি তোমার হয় না বুঝি/ ও ভাই কোলা ব্যাঙ/ সারাদিন জল ঘেটে যাও/ছড়িয়ে দুইটি ঠ্যাঙ।”
অপত্যস্নেহের অনিবার্য আকর্ষণ প্রকাশ পেয়েছে প্রিয় কবির “মা” কবিতাটিতে—-“যেখানটিতে দেখি যাহা/ মা-এর মতন আহা/ একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই/ মায়ের মতন এত/ আদর সোহাগ সে তো/ আর কোন খানে কেহ পাবে ভাই?”
শিশুর শৈশব জীবন যেনো পড়া -শোনা এবং বাস্তবতার জ্ঞান লাভের আশায় না ছোটে – তার অনুপ্রেরণায় কবি লিখেছেন “চলব আমি হালকা চালে” কবিতাটি—-“নাই বা হলাম মস্ত ভারি/ নাই হলো ঘর লাখ-দুয়ারী/ বিশটে ঘোড়া দশটা দ্বারী/ ভিড় যে দেওয়ান গোমস্তার/ চাইনে তার নমস্কার”।
“আমি যদি হতাম বাবা বাবা হতো খোকা” কবিতায় কবি প্রতিটি শিশু যে বাবার মতো হওয়ার কল্পনা করে এবং বাবারা যে তাদের ইচ্ছে গুলো শিশুদের উপর চাপিয়ে দেয় তা দেখিয়েছেন এইভাবে—-“আমি যদি বাবা হতাম বাবা হতো খোকা/ নাহলে তার নামতা পড়া মারতাম মাথায় টোকা/ রোজ যদি হতো রবিবার/ কি মজাটাই হতো না আমার/ থাকত না আর নামতা পড়া লেখা আঁকাজোকা/ আমি যদি বাবা হতাম বাবা হতো খোকা।।”
প্রিয় কবির শিশুদের জন্য রচিত প্রতিটি কবিতায় আমরা দেখতে পাই এই কবিতাগুলো বাংলা সাহিত্যের এক দুর্লভ সম্পদ। তাঁর কবিতায় শিশুরা হাস্যরস ছাড়াও দেশাত্মবোধ ও নৈতিক শিক্ষা লাভ করবে এবং নতুন জিনিসকে জানার আগ্রহ পাবে। কবি নিজেই বলেছেন: “আমি চির শিশু, চির কিশোর।” নজরুল ইসলাম বিশ্বের বিস্ময়। আমাদের অহংকার। তিনি শিশুকে প্রাণ-মন দিয়ে ভালোবেসে তাদের জন্য নিখাদ দরদ দিয়ে শিশুসাহিত্য রচনা করেছেন। শিশুদের জন্য লেখা তার হাতে সত্যিকার অর্থে হয়ে উঠেছে সার্থক ও অনবদ্য। তাই আমাদের শিশু-কিশোরদের প্রিয় কবি; সাম্যের কবি; জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের শিশুতোষ ছড়া ও কবিতার সাথে পরিচিতি ঘটানো প্রয়োজন অত্যধিক। কেননা প্রিয় কবির শিশুদের কবিতায় শিশুদের মনোজগৎ ও বহির্জগতের এমন কোন বিষয় নেই- যা অনুপস্থিত।

x