চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু

মঙ্গলবার , ১৬ জুলাই, ২০১৯ at ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
10

চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। ১৬১ জন কর্মী প্রতিদিন ৪১টি ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটাবে। চসিকে ১১০টি জার্মানির ফগার মেশিন ও ৩৫০টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন রয়েছে। ২ কোটি টাকার মশা ও লার্ভা ধ্বংসকারী ওষুধ কিনেছে চসিক। গতকাল ১৫ জুলাই সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম নগরীর মোমিন রোডের ঝাউতলা সেবক কলোনি এলাকায় বিশেষ মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। অভিযানে নগরের ৪১ ওয়ার্ডে ১২০ জন শ্রমিক ওষুধ ছিটানো শুরু করেছে। ১৫টি ফগার মেশিন ও ১৫টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে ক্রাশ প্রোগ্রাম উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, মনোয়ারা বেগম মনি, উপ প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী প্রমুখ। খবর বাসসের।
এসময় ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, পরিষ্কার ও বদ্ধ পানি এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র। তাই বাসাবাড়ির আশপাশে ডাবের খোসায়, ফুলের টবে, ছাদে, ফ্রিজের নিচের ট্রেতে যাতে পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারও জ্বর বা ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে চসিক জেনারেল হাসপাতাল বা যেকোনো সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। তিনি বলেন, ঢাকায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। তাই আমরা চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোধে ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছি। চসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ আমি নিজে মনিটরিং করবো। স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবো।
ইতোমধ্যে ২ কোটি টাকার মশা ও লার্ভা ধ্বংসকারী ২৫ হাজার লিটার এডাল্টিসাইড, ১০ হাজার লিটার লার্ভিসাইড ওষুধ কেনা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, প্রয়োজনে আরও ওষুধ কিনবো। সচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন ও লিফলেট বিতরণ করবো। ক্রাশ প্রোগ্রামে প্রতি ওয়ার্ডের ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও নালায় যেখানে মশা জন্ম হয় সেখানে ওষুধ ছিটানো হবে। চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী জানান, প্রতিবছর সেপ্টেম্বর থেকে মে পর্যন্ত মশক নিধন কার্যক্রম চললেও এবার চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে চসিক। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

x