চামড়া: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলির পাঁঠা

বুধবার , ২১ আগস্ট, ২০১৯ at ৬:১২ পূর্বাহ্ণ
21

গত ১৫ আগস্ট দৈনিক আজাদীতে প্রকাশিত ‘সড়কেই নষ্ট এক লাখ চল্লিশ হাজার চামড়া, ক্রেতা নেই, নজিরবিহীন দরপতন’ শীর্ষক প্রতিবেদন এবং ১৭ আগস্ট চামড়া শিল্পের জন্য সমন্বিত নীতি কাঠামো প্রয়োজন’ শিরোনামে সম্পাদকীয়ের জন্য আজাদীকে ধন্যবাদ জানাই।
চামড়া ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে এবার কোরবানি ঈদে পানির দরে চামড়া বিক্রি হয়েছে। ঢাকার ট্যানারি মালিকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ায় কোরবানির চামড়ার প্রত্যাশিত দাম জুটেনি। অনেকে রাগে- ক্ষোভে চামড়া ফেলে দিয়েছে। অনেকে চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে চামড়া বিক্রি না করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যান। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর বিভিন্ন স্পট থেকে পচে যাওয়া প্রায় ১ লাখ চল্লিশ হাজার পিস চামড়া অপসারণ করে নজিরবিহীন ব্যবস্থাপনার অত্যন্ত দক্ষতার স্বাক্ষর রাখায় মেয়র মহোদয় অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছেন। অনেকে তাকে ধন্যবাদ জানান। এবার কোরবানির ঈদের পর চামড়া শিল্প নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে তা শুধু দুঃখজনক নয়, অপ্রত্যাশিত ও কোন সিন্ডিকেটের কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি থাক সেটা কারো কাম্য হতে পারে না।
চামড়া শিল্পের সংকট মোকাবেলা করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। কোরবানির পশুর চামড়ায় এতিম ও গরিব মানুষের হক রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো ব্যবসায়ীদের এসব কারসাজিতে গরিবেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সচিত্র ছবিও সংবাদে জানা যায়। দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে হাজার হাজার চামড়া নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু চামড়া বেচাকেনা নেই। এমনকি চামড়ার দামও কেউ বলছে না। জানা যায়, ব্যবসায়ীদের হাতে নগদ টাকার অভাব ও বিশ্ববাজারে চামড়ার দাম কমিয়ে দেওয়ার কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলির পাঁঠা হয়েছেন।
– এম. এ. গফুর, বলুয়ার দীঘির দক্ষিণ-পশ্চিম পাড়, কোরবাণীগঞ্জ, চট্টগ্রাম।

x