চবিতে স্টুডেন্টস ক্যান্টিনের ভিত্তি স্থাপন ও আইসিটি সেলের ফলক উন্মোচন

রবিবার , ২৮ অক্টোবর, ২০১৮ at ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ
35

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সুস্থ দেহে বাস করে সুন্দর মন। আর দেহকে সুস্থ রাখতে দরকার পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য। দেহের পরিপূর্ণ বিকাশে এবং শিক্ষার্থীদের দৈহিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পরিমিত সুষম খাদ্য গ্রহণ অপরিহার্য। গত ২৫ অক্টোবর চবি বিজ্ঞান অনুষদ, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদে ‘স্টুডেন্টস ক্যান্টিন’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং আইসিটি সেলের ফলক উন্মোচন কার্যক্রম উদ্বোধন কালে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এ সময় চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, চবি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, আইসিটি সেলের পরিচালক এবং সহকারী পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন সকালে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসে এবং ক্লাশ-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সান্নিধ্যে প্রায় সারাদিনই ক্যম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষাসহ জ্ঞান আহরণে নিয়োজিত থাকে। সঠিকভবে জ্ঞান অর্জনের জন্য চাই একটি সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন। সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ সুস্থতার পূর্বশর্ত। উপাচার্য কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ এবং বিজ্ঞান অনুষদের পৃথক দুটি স্টুডেন্টস ক্যান্টিন নির্মাণ কাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীরা স্বল্পমূল্যে উন্নত ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি স্টুডেন্টস ক্যান্টিন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে কাজের সঠিক মান বজায় রেখে যথাসময়ে কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশ দেন। পরে উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বলেন, প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব অটোমেশন পদ্ধতির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে, এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য আনন্দের ও গৌরবের। শিক্ষক-গবেষকদের শিক্ষা-গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং বিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জ্ঞানের আদান-প্রদানের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক-গবেষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ নিজেদের জ্ঞান ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করার সুযোগ পাবে বলে উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া উপাচার্য এসব সুযোগ-সুবিধার যথাযথ ব্যবহার সুনিশ্চিতকল্পে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। শেষে সকলের শান্তি-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

x