চট্টগ্রাম বিমান বন্দরে স্বজনদের বসার জন্য ছাউনী নির্মাণ করা হোক

মঙ্গলবার , ১৪ মে, ২০১৯ at ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
29

বর্তমান আমার বয়স ৭৭ বৎসর। এই বৃদ্ধ বয়সেও চোখে হাই পাওয়ারের চশমা দিয়ে রাষ্ট্রের ও জনগণের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করে যাচ্ছি। আমার লেখাগুলো আমার প্রাণপ্রিয় ও চট্টগ্রামের গণ মানুষের কন্ঠস্বর ‘দৈনিক আজাদী’ প্রকাশ করে আমাকে ধন্য করেছেন এবং আরো লেখার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তার জন্য আমি দৈনিক আজাদীর সম্পাদক মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রাষ্ট্রের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমার লেখা দৈনিক আজাদীতে প্রকাশিত হওয়ায় ইতিমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। বাদবাকীগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। আমি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে গিয়েছি। হয়তো আর লেখার সময় পাবো না। তাই গণমানুষের একটি দাবী নিয়ে দৈনিক আজাদীর মাধ্যমে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, চট্টগ্রাম শাহ আমানত (র.) একটি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে বিমান যাত্রীর আত্মীয় স্বজন যাত্রীকে বিদায় জানাতে বা গ্রহণ করতে বিমান বন্দরে আগমন করেন। কিন্তু তাদের বসার জন্য বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার ছাউনী নির্মাণ করেন নাই। সাধারণত দেখা যায় যে, যাত্রীর স্বজনেরা নিরাপত্তা বেষ্টনীর রেলিং ধরে দীর্ঘক্ষণ প্রখর রৌদ্রের মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে এবং বৃষ্টিতে ভিজে।
অতএব বিমান যাত্রীদের স্বজনদের বসার জন্য নিরাপত্তা বেষ্টনীর বাহিরে গাড়ি পার্কিং এর পাশে শৌচাগারসহ অন্তত ১০০ আসনের একখানা ছাউনী নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।
টি.এম ইসমাইল, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল হাসপাতাল, ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম।

x