চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকৌশল বিদ্যায় উচ্চ শিক্ষার পীঠস্থান

হাসান আকবর

বৃহস্পতিবার , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ at ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
227

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পেশাদার প্রকৌশলীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ১৯৬২ সালের ২৮ আগস্ট চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠা করার প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। যা পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (চট্টগ্রাম প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়) নামে প্রাথমিক যাত্রা শুরু করে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অধীনে ১৯৬৮-৬৯ শিক্ষাবর্ষে মাত্র ১২০ জন শিক্ষর্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় এ প্রতিষ্ঠানের। যাত্রা লগ্নে এর অধ্যক্ষ ছিলেন ড. ওয়াহীদ উদ্দিন আহমদ (১৯৬৮-৭১)।
তখন কলেজটির প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ভার ন্যস্ত ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। আর স্থাপনা নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ছিল গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীনে। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই সরকার এটিসহ দেশের ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে স্বায়ত্ত্বশাসিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি)তে রূপান্তরিত করে। তখন এ প্রতিষ্ঠানের নাম হয় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি), চট্টগ্রাম। বিআইটির প্রথম (ভারপ্রাপ্ত) পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান সৈয়দ মতিনুর রশিদ (১৯৮৬-৮৭)। বিআইটিতে রূপান্তর এবং সীমিত পরিসরে স্বায়ত্ত্বশাসন লাভের পরেও বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার সম্মুখীন হয় প্রতিষ্ঠানটি।
অবশেষে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর সরকারি এক আদেশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে বিআইটি, চট্টগ্রাম। যাত্রা শুরু হয় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) নামে। প্রথম উপাচার্য হিসেবে (ভারপ্রাপ্ত) নিয়োগ পান প্রফেসর মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পরবর্তীতে প্রফেসর ড. মীর শহিদুল ইসলাম (২০০৪-২০০৭), প্রফেসর ড. শ্যামল কান্তি বিশ্বাস (২০০৭-২০১২), প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম (২০১২-২০১৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে উপাচার্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির সর্বোচ্চ পদে আসীন রয়েছেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। তিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ পান। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষা-গবেষণার ক্ষেত্রে বর্তমানে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রকৌশল বিদ্যায় উচ্চশিক্ষা বিস্তারের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে এটি। কাজ করছে প্রকৌশলী গড়ে তোলার পীঠস্থান হিসেবে। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশল বিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছে। যারা প্রকৌশলী হয়ে বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে। পাশাপাশি ৩৫ জন বিদেশি শিক্ষার্থীও এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়েছে। যারা নিজেদের দেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে ধরছে।
অবস্থান : চট্টগ্রাম জেলাধীন রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়কের পাশে প্রায় ১৭১ একর জায়গাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরত্বে আপন গতিতে বয়ে চলেছে দেশের একমাত্র খরস্রোতা কর্ণফুলী নদী। তাছাড়া একইসাথে পাহাড়, সমতলভূমি ও লেকের অপূর্ব সম্মিলনে যেন প্রাকৃতিক আবহে মনোরমা এক ক্যাম্পাস। চট্টগ্রাম শহরের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। আর কাপ্তাই রাস্তার মাথা থেকে প্রায় ২০ কিলোমটার।
অনুষদ, বিভাগ ও ইনস্টিটিউট : বর্তমানে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি অনুষদের অধীনে ১৮টি বিভাগ, ৩টি গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং ৩টি গবেষণা সেন্টারে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। অনুষদগুলোর মধ্যে রয়েছে- পুরকৌশল অনুষদ, যন্ত্রকৌশল অনুষদ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ। এসব অনুষদের অধীনে পুরকৌশল বিভাগ, পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ, দুর্যোগ ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, মেকাট্রনিঙ অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রনিঙ অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, স্থাপত্য বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ম্যাটেরিয়াল্‌স সায়েন্স আ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
গবেষণা ইনস্টিটিউটের মধ্যে ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি, ইনস্টিটিউট অব আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং গবেষণা সেন্টারের মধ্যে সেন্টার ফর রিভার, হারবার অ্যান্ড ল্যান্ড-স্লাইড রিসার্চ, সেন্টার ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রবলেম্‌স রিসার্চ, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চে গবেষণা কার্যক্রম চালু রয়েছে।
বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সম্মান) ডিগ্রি : বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগ, পানিসম্পদ কৌশল বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, মেকাট্রনিক্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, স্থাপত্য বিভাগ, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং ম্যাটেরিয়াল্‌স সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংসহ মোট ১২টি বিভাগে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সম্মান) ও বিইউআরপি (সম্মান) ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
এমএসসি /এম. ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি : বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগ, দুর্যোগ ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল আ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি, ইনস্টিটিউট অব আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চসহ মোট ৮টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট হতে এমএসসি /এম. ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
এমফিল ও পিএইচডি : পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজি, এই ৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট হতে এমফিল ডিগ্রি এবং পুরকৌশল বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি টেকনোলজিসহ মোট ৮টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট হতে পিএইচডি ডিগ্রি দিয়ে থাকে এ বিশ্ববিদ্যালয়।
অন্যান্য : নিয়মিত ডিগ্রির পাশপাশি ইনস্টিটিউট অব আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ হতে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রি করার সুযোগ রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়াও ব্যুরো অফ রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেন্সি (বিআরটিসি) নামে পৃথক একটি সেন্টারের মাধ্যমে সারাদেশে বিবিধ শিল্প এবং প্রতিষ্ঠানকে প্রযুক্তি সংক্রান্ত সেবা ও পরামর্শ দিয়ে থাকে এ বিশ্ববিদ্যালয়।
শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও আবাসন সুবিধা : জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের (রাশেদ পারভেজ) প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী- চুয়েটের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। প্রতিবছর বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) লেভেলে ১২টি বিভাগে ৮৯০টি আসনে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। এছাড়া রাখাইন সমপ্রদায়ের জন্য ১টি, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য জেলার নৃ-গোষ্ঠীর (উপজাতি) জন্য ১০টিসহ অতিরিক্ত মোট ১১টি আসন সংরক্ষিত আছে। সবমিলিয়ে প্রতিবছর ৯০১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৭টি আবাসিক হল রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি ছাত্রদের এবং ২টি ছাত্রীদের জন্য। এসব আবাসিক হলে মোট ৪ হাজার ১০০ জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। হিসেবে অধ্যয়নরত প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পেয়ে থাকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
শিক্ষক ও অন্যান্য জনবল : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংখ্যা ২৭০ জন। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ে ১৬০ জন কর্মকর্তা ও ৩২০ জন কর্মচারীর সমন্বয়ে চলছে এ বিশ্ববিদ্যালয়।
আইটি পার্ক ও আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর : আইটি সেক্টরে উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর এবং একটি আইটি পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে প্রায় ৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চুয়েট আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে দেশীয় সক্ষমতায় যুগোপযোগী করতে এবং দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি দেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক আইটি ইনকিউবেটর। বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। অন্যদিকে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রস্তাবিত চুয়েট আইটি পার্ক স্থাপনের নিমিত্তে ১০ একর ভূমির দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবস্ত প্রাপ্তির দখল ইতোমধ্যে বুঝে পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য পূরণে দেশীয় আইটি খাতে সফল উদ্যোক্তা তৈরি, দেশের আইটি শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ভিত্তিক মানব সম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আইটি শিল্পে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের সুযোগ আরও অবারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

x