চট্টগ্রাম ও ঢাকায় দরপত্র পড়েছে ৩১, ৭টি বাতিল

বিলাসবহুল ২২ গাড়ি

আজাদী প্রতিবেদন

বুধবার , ১৭ এপ্রিল, ২০১৯ at ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ
329

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে পড়া কার্নেট বা পর্যটন সুবিধায় আমদানিকৃত বিলাসবহুল ২২ গাড়ির নিলামে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় দরপত্র পড়েছে ৩১টি। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৭টি দরপত্র বাতিল হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের নিলাম শাখায় নিলামে অংশগ্রহণকারীদের (বিডার) সামনে দরপত্রের বাক্স খোলা হয়। এতে দেখা যায়, চট্টগ্রামে ২৭টি দরপত্র পড়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দর উঠেছে ২৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এছাড়া সর্বনিম্ন ছিল ৯ লাখ ৫ হাজার টাকা। অপরদিকে ঢাকার এনবিআরসহ ৮ স্থানে বসানো বাক্সে দরপত্র পড়েছে ৪টি। এসব দরপত্রের উল্লেখিত মূল্য অবশ্য জানা যায়নি। এছাড়া সিলেট, খুলনা, যশোর, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল স্থাপিত দরপত্রটি কয়টি পড়েছে তা জানাতে পারেনি নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান।
নিলামে উল্লেখিত বিলাসবহুল ২২ গাড়ির মধ্যে রয়েছে বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, ল্যান্ড ক্রুজার, জাগুয়ার, মিতসুবিশি, টয়োটা, লেঙাস ও জিপ। এসব গাড়ি জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের তৈরি।
এর আগে প্রথম দফায় ২০১৬ সালের আগস্টে ৮৫টি, দ্বিতীয়বার ২০১৭ সালের মে মাসে ১১৩টি এবং সর্বশেষ গত বছরের ৩০ মে ১১১টি গাড়ি নিলামে তোলা হয়। কিন্তু প্রতিবারই নিলামের দামে অসামঞ্জস্য থাকায় দরদাতাদের কাছে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। গাড়িগুলো ২০১১ সাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়ে আছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিগত তিনবার দর কম ওঠার কারণে বিক্রির অনুমোদন দিতে পারেনি কাস্টমস। তবে এবারও চট্টগ্রামে আশানুরূপ দর উঠেনি। চট্টগ্রামে ২৭টি দরপত্রের মধ্যে ৭টি আবার বাতিল হওয়ায় এখন ২০টি দরপত্রই টিকে আছে। আগের নিলামগুলোতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বসানো দরপত্রের বাক্সেও দরপত্র জমা পড়ত। তবে, এবার সেখানে একটি দরপত্রও জমা হয়নি। আবার দর উঠেছে খুব কম। এক্ষেত্রে এসব দরপত্র থেকে বিক্রির অনুমোদন পাওয়া যাবে কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।
অন্যদিকে, এসব বিলাসবহুল গাড়ি পাঁচ বছরের পুরনো। তাই গাড়ি বন্দর থেকে খালাসের আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র (ক্লিয়ারেন্স পারমিট) নিতে হয়। ইতোমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সর্বোচ্চ দরদাতাকে সিপি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন কাস্টমস কমিশনার। তবে, এবার সিপি পাওয়ার ক্ষেত্রে কাস্টমস সহায়তা করবে বলে জানা গেছে।

x