চট্টগ্রামে খুন খারাবি-প্রশাসন ভেবে দেখুন

সোমবার , ১১ জুন, ২০১৮ at ৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ
79

ইদানীং চট্টগ্রাম তথা চট্টগ্রাম মহানগরীতে খুন খাবারি খুবই বেড়ে গেছে। মে মাসের গত কয়েক দিনে পত্রিকার রিপোর্ট দেখলে আমরা বুঝতে পারি যে, এ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ব্যাপক খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ গুলি নিয়ে কতদিন হৈচৈ হয়, তারপর যথাপূর্বং তথা পরং।

গত ১ মে তাসফিয়া আমিন নামে এক কিশোরী নিজ বাসা থেকে বেরিয়ে ২ মে নগরীর পতেঙ্গা বীচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। যার কূল কিনারা এখানো হয়নি। আদনান নামে যদিও একজনকে সন্দেহ। ১৯ মে সীতাকুন্ডের ত্রিপুরা পাড়ায় নিজ বসতঘরে ফাঁসিতে ঝুলানো অবস্থায় দুই ত্রিপুরা কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আবুল হোসেন নামে এক দুর্বৃত্ত এদের হত্যা করে।

২৫ মে মঞ্জু সেন নামে এক বৃদ্ধা (৭৭) খুন হয়। মো. রুবেল ও মো. আব্বাস দুই ছিনতাইকারী ঐ বৃদ্ধার হাতের আংটি আর কানের দুল ছিনিয়ে নিয়ে তাকে হত্যা করে, পূজার ফুল পড়ে রইল ডালিতে, পাশে পড়ে রইল নিথর মৃতদেহ।

২৭ মে সজল নন্দী নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা (রূপালী) কে গলা কেটে হত্যা করেছে কে বা কারা। অবশ্য ১ জুন পত্রিকার রিপোর্টে জানা গেছে ঐ কর্মকর্তার ঘরে রক্ষিত ২৯ লক্ষ (ব্যাংক লোন) টাকা লুট করার পরিকল্পনা করে ঐ ব্যাংক কর্মকর্তার ছেলের তিন বন্ধু।ব্যাংক কর্মকর্তা সজল নন্দীকে বাসায় আটকে রেখে খুঁজে ও ২৯ লক্ষ টাকা না পেয়ে হতাশ হয়ে কর্মকর্তার ছেলের তিনবন্ধু সজল নন্দীকে খুন করে। দেখুন ৯ম , ১০ম ও একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া তিন কিশোর কী ভয়ানক কাজ করেছে।

৩১ মে পেকুয়ায়, ছাগল চুরির জেরে আরফাত ইয়াসমিন নামে এক তাঁতী লীগ নেতার ছোঁড়া গুলিতে যুবলীগ নেতার ছোট ভাই আবুল হাশেম নামে একজন নিহত হয়েছে। এর আগে কামাল বাজারে এক যুবককে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। আর কতো উদাহরণ দেবো?

কেন চট্টগ্রাম মহানগরীতে এরকম খুনখারাবি বেড়ে গেল? প্রশাসন ভেবে দেখুন।

রনধীর মল্লিক, শিক্ষক ।

x