গীতাঞ্জলি : কবিগুরুর অনবদ্য সৃষ্টি

শুক্রবার , ১৬ আগস্ট, ২০১৯ at ৬:০২ পূর্বাহ্ণ
18

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সৃষ্টি তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’। ১৯০৮ থেকে ১৯০৯ সালে রচিত ১৫৭টি গীতিকবিতার এই সংকলন গ্রন্থটি পরবর্তী সময়ে সংক্ষিপ্ত আকারে ইংরেজিতে অনূদিত হয়। ১৯১৩ সালে এই কাব্যগ্রন্থের জন্যই রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। ‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালের ১৬ আগস্ট। আর ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয় এর আংশিক ইংরেজি অনুবাদ।
গীতাঞ্জলির কবিতা ও গানগুলো শিলাইদহ, শান্তিনিকেতন ও কলকাতায় রচিত। মানবমুক্তি, প্রকৃতিপ্রেম, আর আধ্যাত্মবোধ – এই ত্রয়ীর প্রকাশ ঘটেছে গীতাঞ্জলিতে। তাঁর আধ্যাত্মবোধ কোনো ধর্মীয় গণ্ডিতে আবদ্ধ থাকে নি, তা রূপ নিয়েছে বিশাল বিশ্বের মাঝে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানবমুক্তির আধ্যাত্মবোধে। কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অকাল মৃত্যুতে কবির শোক বেদনা রূপ নেয় এক অভিনব ভক্তিরসে। গীতাঞ্জলি সে সময়টিতেই রচিত। এর ইংরেজি অনুবাদ করেছেন রবীন্দ্রনাথ নিজেই। ১৯১২ সালে লন্ডনের ইন্ডিয়া সোসাইটি থেকে এটি প্রকাশিত হয়। ভূমিকা লিখেছেন বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস। ইংরেজি গীতাঞ্জলিতে রদেনস্টেইনের আঁকা কবিগুরুর একটি পেনসিল স্কেচও সংযোজিত হয়েছে। ইংরেজি কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল সমগ্র বিশ্বের কাছে।

x