“খেলা” যেন মৃত্যুর কারণ না হয়

মঙ্গলবার , ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ at ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
37

ক্রিকেট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। ছেলে বুড়ো, তরুণ-তরুণী সবাই এই খেলার জন্য পাগল। সাকিব, মুস্তাফিজ, তামিম, মুশফিকদের বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলা বললেই স্টেডিয়াম উপচে পড়া দর্শক। অফিসের অতি ব্যস্ত লোকটিও রাস্তার পাশে দোকানে টিভিতে খেলা দেখালে ২ মিনিটের জন্যে দাঁড়িয়ে যায়। বিপিএল বা টি-২০ খেলার জন্যে প্রায়ই আমাদের দেশে বিদেশ থেকে খেলোয়াড়রা খেলতে আসেন। বিদেশী খেলোয়াড়রা আমাদের মেহমান। এই মেহমানদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়া জরুরি। কিন্তু খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ হার্টের রোগী, ডেলিভারী রোগী, শ্বাসকষ্টের রোগী, এক্সিডেন্টের রোগী যে সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন সে বিষয়টা কি প্রশাসন বা সরকার একবার খেয়াল করেছেন? বিপিএল বা অন্যান্য খেলাগুলো ক্রিকেট বোর্ড ভিন্ন ভিন্ন জেলায় আয়োজন করে। যেমন-ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট। আমি চট্টগ্রামের লোক। চট্টগ্রামের এয়ারপোর্ট হচ্ছে পতেঙ্গায়। পতেঙ্গা হচ্ছে চট্টগ্রামের শেষ প্রান।্ত এরপর আর কিছু নাই শুধুই সাগর। আর খেলোয়াড়দের রাখা হয় একেবারে শহরের মধ্যখানে রেডিসন ব্লু বা পেনিনসোলা হোটেলে। যার অবস্থান জি.ইসি ও দামপাড়া। এয়ারপোর্ট থেকে খেলোয়াড় বহনকারী বাসটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কর্ণফুলী, ইপিজেড, ফ্রিপোর্ট, বন্দর, কাষ্টম, আগ্রাবাদ, টাইগারপাস, লালখানবাজার হয়ে আসতে হয় এবং সে সময় ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন এয়ারপোর্ট থেকে জি.ই.সি মোড় পর্যন্ত এত দীর্ঘ পথের মোড়ে মোড়ে রাস্তায় রাস্তায় রোগীদের আর্তনাদ শোনার কেউ থাকে না। শত শত নারী লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। পুলিশকে বললে তারা শুনতেই চাই না। শুধু বলে উপরের নির্দেশ, কিছু করার নেই। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
রাজীব হোর (রাজু), যুধিষ্ঠির মহাজন বাড়ি, দক্ষিণ কাট্টলী, চট্টগ্রাম-৪২১৯।

x