খাগড়াছড়িতে বাল্যবিবাহ ঠেকালেন ইউএনও

বয়স বাড়ানোর জন্য জাল করা হয় জন্মসনদ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

শুক্রবার , ২৩ আগস্ট, ২০১৯ at ৮:০৯ অপরাহ্ণ
58

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৯ম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিবাহ ঠেকালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্ল্যাহ। এসময় জন্মসনদ জাল করে বয়স বাড়িয়ে বাল্যবিবাহ দেয়ার অপরাধে মেয়েটির পিতাকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের বড় মেরুং এলাকার মসজিদ টিলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

সূত্রে জানা যায়, মেরুং ইউনিয়নের বড় মেরুং এলাকার মসজিদ টিলার বাসিন্দা মো. নুরু নবী স্থানীয় ইউপি কার্যালয়ের যোগসাজোশে মেয়ের বয়স বাড়ানোর জন্য জাল জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি করেন। মেরুং ইউনিয়নে জন্মনিবন্ধন বালাম বইয়ে মিঠুন চাকমা নামে এক ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন নম্বর নিয়ে বয়স বাড়ানোর জন্য মেয়েটির জাল জন্মসনদ তৈরি করে বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা করে।

শুক্রবার মেয়েটির বাড়িতে বিবাহের আয়োজন চলছিল। জন্মনিবন্ধন সনদ জাল করে মাদ্রাসা ছাত্রীকে বাল্যবিবাহ দেয়া হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।ইউএনও’র এ অভিযানে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পায় ছোট মেরুং আশরাফিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী সামসুন্নাহার।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্ল্যাহ বলেন, ‘জাল জন্মনিবন্ধন সনদ প্রস্তুত করে বয়স বাড়িয়ে বাল্যবিবাহ দেয়া হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে অভিযান চালানো হয়। ঘটনার সত্যতা পেয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর ৮ ধারা অনুযায়ী মেয়েটির পিতা মো. নুরু নবীকে ৬ মাসের জেল দেয়া হয়েছে। একই সাথে জাল জন্মনিবন্ধন সনদ প্রস্তুতকারীদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

x